আগামী বছর হজে যেতে আগ্রহীদের হজের টাকা জমা দিয়ে নিবন্ধন নিশ্চিত করতে শনিবারও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা রাখা হয়েছে। এর আগে শুক্রবারও সাপ্তাহিক ছুটির দিনে নির্ধারিত শাখাগুলোতে হজ নিবন্ধন ফি জমা নেওয়ার জন্য বিশেষ ব্যাংকিং সেবা চালু ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, হজ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখাগুলোতে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে হজের নিবন্ধন ফি জমা নেওয়া ছাড়া ব্যাংকের অন্যান্য স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে নির্দিষ্ট কাজের জন্যই গ্রাহকরা এসব শাখায় যেতে পারছেন।

মতিঝিলের লোকাল অফিস বা প্রধান শাখাতেও হজের টাকা জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ব্যাংকাররা কার্যক্রম শুরু করেন। তবে শনিবার বেলা বাড়ার পরও হজে যেতে আগ্রহী ব্যক্তি ও বিভিন্ন এজেন্সির প্রতিনিধিদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখা গেছে।

ব্যাংক ছুটির দিনেও খোলা রাখার সিদ্ধান্তে উপকৃত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হজে যেতে আগ্রহীরা। তাদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংকে অর্থ জমা দেওয়ার সুযোগ থাকায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সহজ হচ্ছে। বিশেষ করে যারা কর্মদিবসে ব্যাংকে যেতে পারেননি, তারা এই অতিরিক্ত সময় কাজে লাগাতে পারছেন।

২০২৭ সালের হজে যাওয়ার নিবন্ধনের নির্ধারিত সময় বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। এরপর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় নিবন্ধন ফি জমা দিয়ে প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার সুযোগ দিতে হজ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংক শাখাগুলো খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এবার সৌদি আরব বাংলাদেশের জন্য হজের কোটা নির্ধারণ করেছে ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এর বড় একটি অংশ বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন হজ এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে যাবেন। নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর হজযাত্রীদের পরবর্তী প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।