শতবর্ষী গর্জনগাছ আজ শুধু টেকনাফের শিলখালী বনের ঐতিহ্যই নয়, বরং পরিবেশ সংরক্ষণের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
২০১৩ সালে এলজিইডি যখন বাহারছড়া মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়, তখন এই ঐতিহাসিক গাছটি কাটার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
উন্নয়নের নামে এই প্রাচীন প্রাণ উচ্ছেদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সচেতন জনতা এবং বন বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে এক শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
তৎকালীন সহকারী বন সংরক্ষক রেজাউল করিম চৌধুরীর দৃঢ় অবস্থান ও দূরদর্শী নেতৃত্বে শেষ পর্যন্ত সড়ক বাঁকা করে গাছটি রক্ষা করা হয়।
বর্তমানে এই রাজকীয় গাছটি দেখতে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটক কক্সবাজার পর্যটন এলাকায় ভিড় জমাচ্ছেন।
প্রকৃতিকে অক্ষত রেখেও যে টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন সম্ভব, তা এই পরিবেশবান্ধব সড়ক আমাদের দারুণভাবে শিক্ষা দেয়।




























