মে দিবসে নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে যেখানে তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। বিএনপির ঘোষণা অনুযায়ী জুমার নামাজের পর শুরু হবে এই সমাবেশ।
মে দিবসে নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
এই সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথসভা শেষে এই ঘোষণা দেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জুমার নামাজের পর সমাবেশ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

মে দিবসে নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা নয়াপল্টনে। মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে এই সমাবেশ আয়োজন করছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, মে দিবস উপলক্ষে শ্রমিকদের অধিকার ও দাবি তুলে ধরতেই এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। জুমার নামাজ শেষে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশ শুরু হবে।
মে দিবস বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের প্রতীক হিসেবে পালিত হয়। বাংলাদেশেও দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে আয়োজিত এই সমাবেশকে ঘিরে ইতোমধ্যে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিক দল ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এই সমাবেশে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন। বিশেষ করে জামায়াতের আমিরের দেওয়া নির্বাচনী মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। তিনি দাবি করেন, সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন ছিল দেশের ইতিহাসে অন্যতম অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে বিএনপি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ২১৩টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেছে।
তিনি আরও বলেন, “এই নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন তোলা বা ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ এর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।” তার মতে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকসহ দেশের জনগণ এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা স্বীকার করেছে।
জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বিএনপির মহাসচিব অভিযোগ করেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “বিভিন্নভাবে বিএনপির কর্মকাণ্ডের ওপর ধোঁয়াশা সৃষ্টি করা হচ্ছে, বিভেদ তৈরির চেষ্টা চলছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মে দিবসের এই সমাবেশ বিএনপির শক্তি প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সমাবেশ দলটির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। অতীতে বড় রাজনৈতিক সমাবেশগুলোকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন।
সব মিলিয়ে, মে দিবসে নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশ শুধু একটি শ্রমিক সমাবেশ নয়, বরং এটি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি এবং বড় আকারে জনসমাগমের সম্ভাবনা এই সমাবেশকে




























