সংসদে বিএনপি-জামায়াত উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয় বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধ ও জামায়াতের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত রাজনীতিতে যুক্ত হলে তা ‘দ্বিগুণ অপরাধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে। তার এই বক্তব্যে জাতীয় সংসদে তাৎক্ষণিক উত্তেজনা তৈরি হয়।
ফজলুর রহমান বক্তব্যে আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের চেতনা কখনো পরাজিত হবে না এবং রাজাকারদের এ দেশে সফল হওয়ার সুযোগ নেই। তিনি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রসঙ্গ তুলে আল-বদরের ভূমিকার সমালোচনা করেন। তার বক্তব্যের সময় জামায়াতের সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে হৈচৈ শুরু করেন।
জামায়াত সদস্যদের প্রতিবাদে সংসদে প্রায় ১০ মিনিট উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করে। স্পিকার বারবার শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানালেও বিরোধী দলের সদস্যরা প্রতিবাদ চালিয়ে যান। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার বলেন, সংসদের শৃঙ্খলা নষ্ট হলে জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন হবে।
পরে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ফজলুর রহমানের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, তার পারিবারিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে যা গুরুতর আপত্তিকর। তিনি বক্তব্যের আপত্তিকর অংশ সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান। স্পিকারও জানান, উভয় পক্ষের অসংসদীয় মন্তব্য রেকর্ড থেকে মুছে ফেলা হবে।



























