ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০০ কোটি ডলার প্রতারণা! ৩০ বছরের কারাদণ্ড পেলেন চীনা ধনকুবের

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৩:৫০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ৫০৭

প্রতারণা ও অর্থপাচারের মামলায় যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চীনা ব্যবসায়ী গুয়ো ওয়েনগুই। ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত চীনা ধনকুবের গুয়ো ওয়েনগুইকে ১০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালত। হাজারো বিনিয়োগকারীকে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা এবং অর্থপাচারের অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। তাঁর সঙ্গে মার্কিন ডানপন্থী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব স্টিভ ব্যাননের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় ছিল।

সোমবার আদালতের রায়ে বলা হয়, বহু বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত একটি প্রতারণামূলক বিনিয়োগ প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন গুয়ো ওয়েনগুই। পরে সেই অর্থের বড় অংশ ব্যক্তিগত বিলাসবহুল জীবনযাপনে ব্যয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে একটি ফেডারেল জুরি সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে প্রতারণা, সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন, ওয়্যার ফ্রড এবং অর্থপাচারের একাধিক অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাঁকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেন।

হো ওয়ান কৌক ও মাইলস গুয়ো নামেও পরিচিত এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৮ সাল থেকে তিনি নিজের অনলাইন জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে হাজারো মানুষকে বিভিন্ন বিনিয়োগ প্রকল্পে অর্থ দিতে উৎসাহিত করেন। বিনিয়োগকারীদের দ্রুত লাভ ও বিশেষ সুবিধার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

প্রসিকিউটরদের দাবি, বিভিন্ন কোম্পানি, ডিজিটাল প্রকল্প, সদস্যভিত্তিক ক্লাব এবং বিলাসবহুল সেবার নামে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু এসব প্রকল্পের অনেকগুলোর বাস্তব ভিত্তি ছিল না এবং বিনিয়োগকারীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও পূরণ করা হয়নি।

তদন্তে উঠে এসেছে, সংগৃহীত অর্থের একটি বড় অংশ ব্যক্তিগত প্রাসাদ, বিলাসবহুল গাড়ি, দামি ইয়ট, পোশাক ও অন্যান্য ব্যক্তিগত খরচে ব্যবহার করা হয়েছে। আদালতে উপস্থাপিত নথিতে তাঁর আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপনের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়।

গুয়ো ওয়েনগুইর সঠিক বয়স নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও ধারণা করা হয়, তাঁর বয়স পঞ্চাশের কোঠায়। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হন এবং পরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করেন।

২০২৩ সালের মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে সেন্ট্রাল পার্ক–সংলগ্ন একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ওই সময় থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে পরিচালিত তদন্ত নতুন গতি পায়।

একই প্রতারণামূলক পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁর সাবেক সহযোগী ইভেত্তে ওয়াংকেও আদালত দোষী সাব্যস্ত করে। গত বছর তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

চীনে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় সফলতা অর্জনের পর ২০১৫ সালে গুয়ো ওয়েনগুই দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। পরে চীনের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ আনা হয় এবং ইন্টারপোলের মাধ্যমে একটি রেড নোটিশ জারি করা হয়।

তবে শুরু থেকেই গুয়ো এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, চীনা সরকারের সমালোচনা করার কারণেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা সাজানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি নিজেকে চীনা কমিউনিস্ট শাসনের কঠোর সমালোচক এবং গণতন্ত্রপন্থী কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিপুল অনুসারী গড়ে ওঠে এবং সেই জনপ্রিয়তাই পরে অর্থ সংগ্রহের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে ওঠে।

এই সময়ে তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে মার্কিন ডানপন্থী রাজনৈতিক কৌশলবিদ স্টিভ ব্যাননের। দুজন একসঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির বিরোধিতায় বিভিন্ন প্রচারণা চালান।

তাঁরা যৌথভাবে ‘নিউ ফেডারেল স্টেট অব চায়না’ নামে একটি রাজনৈতিক ও লবিং সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটি চীনের বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিকল্প রাজনৈতিক কাঠামোর পক্ষে প্রচারণা চালানোর দাবি করে।

২০২০ সালের আগস্টে গুয়ো ওয়েনগুইর বিলাসবহুল প্রমোদতরি থেকে স্টিভ ব্যাননকে গ্রেপ্তার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসন ঠেকাতে সীমান্তপ্রাচীর নির্মাণ প্রকল্পের জন্য সংগৃহীত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ঘিরে মামলাটি করা হয়েছিল। ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচার চলাকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সীমান্তপ্রাচীর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

আরেকটি বিতর্কের কেন্দ্রেও ছিলেন গুয়ো ওয়েনগুই। অনলাইনে ‘টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের শুক্রাণু’ নিলামে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করার পর তাঁকে ঘিরে নতুন সমালোচনা শুরু হয় এবং পরে তিনি গ্রেপ্তার হন। ষড়যন্ত্রমূলক ও বৈজ্ঞানিকভাবে ভিত্তিহীন এই উদ্যোগের পেছনে দাবি করা হয়েছিল, টিকা নাকি ব্যাপক হারে বন্ধ্যত্ব সৃষ্টি করে। তবে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণায় এমন দাবির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, গুয়ো ওয়েনগুইর মামলাটি শুধু একটি বড় আর্থিক প্রতারণার বিচার নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব ব্যবহার করে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার ঝুঁকিও সামনে এনেছে। আদালতের এই রায় ভবিষ্যতে এ ধরনের আর্থিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

১০০ কোটি ডলার প্রতারণা! ৩০ বছরের কারাদণ্ড পেলেন চীনা ধনকুবের

Update Time : ০৩:৫০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত চীনা ধনকুবের গুয়ো ওয়েনগুইকে ১০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালত। হাজারো বিনিয়োগকারীকে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা এবং অর্থপাচারের অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। তাঁর সঙ্গে মার্কিন ডানপন্থী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব স্টিভ ব্যাননের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় ছিল।

সোমবার আদালতের রায়ে বলা হয়, বহু বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত একটি প্রতারণামূলক বিনিয়োগ প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন গুয়ো ওয়েনগুই। পরে সেই অর্থের বড় অংশ ব্যক্তিগত বিলাসবহুল জীবনযাপনে ব্যয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে একটি ফেডারেল জুরি সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে প্রতারণা, সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন, ওয়্যার ফ্রড এবং অর্থপাচারের একাধিক অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাঁকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেন।

হো ওয়ান কৌক ও মাইলস গুয়ো নামেও পরিচিত এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৮ সাল থেকে তিনি নিজের অনলাইন জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে হাজারো মানুষকে বিভিন্ন বিনিয়োগ প্রকল্পে অর্থ দিতে উৎসাহিত করেন। বিনিয়োগকারীদের দ্রুত লাভ ও বিশেষ সুবিধার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

প্রসিকিউটরদের দাবি, বিভিন্ন কোম্পানি, ডিজিটাল প্রকল্প, সদস্যভিত্তিক ক্লাব এবং বিলাসবহুল সেবার নামে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু এসব প্রকল্পের অনেকগুলোর বাস্তব ভিত্তি ছিল না এবং বিনিয়োগকারীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও পূরণ করা হয়নি।

তদন্তে উঠে এসেছে, সংগৃহীত অর্থের একটি বড় অংশ ব্যক্তিগত প্রাসাদ, বিলাসবহুল গাড়ি, দামি ইয়ট, পোশাক ও অন্যান্য ব্যক্তিগত খরচে ব্যবহার করা হয়েছে। আদালতে উপস্থাপিত নথিতে তাঁর আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপনের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়।

গুয়ো ওয়েনগুইর সঠিক বয়স নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও ধারণা করা হয়, তাঁর বয়স পঞ্চাশের কোঠায়। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হন এবং পরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করেন।

২০২৩ সালের মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে সেন্ট্রাল পার্ক–সংলগ্ন একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ওই সময় থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে পরিচালিত তদন্ত নতুন গতি পায়।

একই প্রতারণামূলক পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁর সাবেক সহযোগী ইভেত্তে ওয়াংকেও আদালত দোষী সাব্যস্ত করে। গত বছর তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

চীনে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় সফলতা অর্জনের পর ২০১৫ সালে গুয়ো ওয়েনগুই দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। পরে চীনের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ আনা হয় এবং ইন্টারপোলের মাধ্যমে একটি রেড নোটিশ জারি করা হয়।

তবে শুরু থেকেই গুয়ো এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, চীনা সরকারের সমালোচনা করার কারণেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা সাজানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি নিজেকে চীনা কমিউনিস্ট শাসনের কঠোর সমালোচক এবং গণতন্ত্রপন্থী কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিপুল অনুসারী গড়ে ওঠে এবং সেই জনপ্রিয়তাই পরে অর্থ সংগ্রহের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে ওঠে।

এই সময়ে তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে মার্কিন ডানপন্থী রাজনৈতিক কৌশলবিদ স্টিভ ব্যাননের। দুজন একসঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির বিরোধিতায় বিভিন্ন প্রচারণা চালান।

তাঁরা যৌথভাবে ‘নিউ ফেডারেল স্টেট অব চায়না’ নামে একটি রাজনৈতিক ও লবিং সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটি চীনের বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিকল্প রাজনৈতিক কাঠামোর পক্ষে প্রচারণা চালানোর দাবি করে।

২০২০ সালের আগস্টে গুয়ো ওয়েনগুইর বিলাসবহুল প্রমোদতরি থেকে স্টিভ ব্যাননকে গ্রেপ্তার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসন ঠেকাতে সীমান্তপ্রাচীর নির্মাণ প্রকল্পের জন্য সংগৃহীত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ঘিরে মামলাটি করা হয়েছিল। ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচার চলাকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সীমান্তপ্রাচীর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

আরেকটি বিতর্কের কেন্দ্রেও ছিলেন গুয়ো ওয়েনগুই। অনলাইনে ‘টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের শুক্রাণু’ নিলামে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করার পর তাঁকে ঘিরে নতুন সমালোচনা শুরু হয় এবং পরে তিনি গ্রেপ্তার হন। ষড়যন্ত্রমূলক ও বৈজ্ঞানিকভাবে ভিত্তিহীন এই উদ্যোগের পেছনে দাবি করা হয়েছিল, টিকা নাকি ব্যাপক হারে বন্ধ্যত্ব সৃষ্টি করে। তবে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণায় এমন দাবির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, গুয়ো ওয়েনগুইর মামলাটি শুধু একটি বড় আর্থিক প্রতারণার বিচার নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব ব্যবহার করে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার ঝুঁকিও সামনে এনেছে। আদালতের এই রায় ভবিষ্যতে এ ধরনের আর্থিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।