ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিটিভি বিশ্বকাপ প্রচারস্বত্বে বড় সুবিধা, ভ্যাট অব্যাহতি দিল এনবিআর Logo হঠাৎ কেন এপস্টিন ইস্যুতে মুখ খুললেন মেলানিয়া? জানাল হোয়াইট হাউস Logo দেশের একমাত্র সচল আবহাওয়া রাডারও বন্ধ, বাড়ছে উদ্বেগ Logo ৮টি যুদ্ধ থামিয়েছি, তবুও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প Logo ভোলা-লক্ষ্মীপুর ও ঢাকা রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ সাগর উত্তাল Logo ১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের উদ্যোগ Logo শাহজাদপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় শিক্ষিকার স্বামীর বিরুদ্ধে ১টি নির্মম অভিযোগ Logo খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়ায় বাংলাদেশকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ইরান Logo বিশ্বকাপে জনবহুল দেশ: কেন নেই বিশ্বের ১০ দেশের ৮টি? Logo ২০২৭ সালের দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেমের ইন্তেকাল, উপাচার্যের শোক

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন আবুল কাসেম ফজলুল হক। ছবি: সংগৃহীত

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম বিশিষ্ট সাহিত্যসমালোচক, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। তাঁর মৃত্যুতে দেশের শিক্ষা, সাহিত্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিচে তাঁর জীবন, কর্ম ও অবদান সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের ইন্তেকাল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। শোকবার্তায় তিনি বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, মুক্তচিন্তার বুদ্ধিজীবী এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের নিবেদিতপ্রাণ গবেষক। তাঁর শিক্ষা, গবেষণা ও সাহিত্যকর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর শিক্ষাজীবনের উল্লেখযোগ্য ধাপগুলো হলো—

  1. ১৯৫৯ সালে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা (ম্যাট্রিক) পাস।
  2. ১৯৬১ সালে আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন।
  3. ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান)।
  4. ১৯৬৬ সালে একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন।

দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন

স্নাতকোত্তর শেষ করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। প্রায় চার দশক ধরে তিনি বাংলা সাহিত্য, ভাষা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যতত্ত্ব পড়িয়েছেন। তাঁর অসংখ্য শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সাহিত্য ও গবেষণায় অবদান

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বাংলা সাহিত্য, সমাজ, ইতিহাস, রাষ্ট্রচিন্তা ও সংস্কৃতি নিয়ে অসংখ্য প্রবন্ধ, গবেষণাগ্রন্থ ও বই রচনা করেছেন।

তাঁর লেখার বৈশিষ্ট্য ছিল—

  1. যুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ
  2. ইতিহাসভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি
  3. সমাজ ও রাষ্ট্র নিয়ে সমালোচনামূলক আলোচনা
  4. বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদৃষ্টিতে মূল্যায়নের প্রচেষ্টা

তিনি বিশেষ করে বাংলা নবজাগরণ, রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল ইসলাম, বাঙালির জাতীয়তাবাদ এবং বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন।

‘লোকায়ত’ সাময়িকপত্র

১৯৮২ সাল থেকে তিনি ‘লোকায়ত’ নামে একটি চিন্তাধর্মী সাময়িকপত্র সম্পাদনা করেন। এই পত্রিকায় সাহিত্য, সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও দর্শন নিয়ে গভীর বিশ্লেষণধর্মী লেখা প্রকাশিত হতো। দীর্ঘ সময় ধরে এটি দেশের প্রগতিশীল চিন্তাচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত ছিল।

সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তায় ভূমিকা

তিনি শুধু সাহিত্যিক নন, একজন সমাজচিন্তক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। সংবাদপত্রে নিয়মিত কলাম লিখে তিনি শিক্ষা, গণতন্ত্র, সংস্কৃতি, ভাষা, রাজনীতি ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত তুলে ধরতেন।

২০০০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি স্বদেশ চিন্তা সংঘ-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এই সংগঠনের মাধ্যমে মুক্তবুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধ ও জাতীয় চিন্তাধারার বিকাশে ভূমিকা রাখেন।

বাংলা একাডেমির সভাপতি

২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলা ভাষা, সাহিত্য গবেষণা এবং নতুন লেখকদের উৎসাহিত করার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

সম্মাননা ও স্বীকৃতি

সাহিত্য, গবেষণা ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে দেশ-বিদেশের নানা সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হন। তাঁর গবেষণা ও প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে পাঠ্য ও গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উপাচার্যের শোকবার্তা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম শোকবার্তায় বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যু দেশের শিক্ষা ও সাহিত্য জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

কেন তিনি স্মরণীয়

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন চিন্তাবিদ, গবেষক, সাহিত্যসমালোচক এবং সমাজবিশ্লেষক। তাঁর লেখা, গবেষণা এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা আগামী প্রজন্মের জন্য দীর্ঘদিন দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। বাংলাদেশের শিক্ষা ও সাহিত্যাঙ্গনে তাঁর অবদান ইতিহাসে স্থায়ীভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিটিভি বিশ্বকাপ প্রচারস্বত্বে বড় সুবিধা, ভ্যাট অব্যাহতি দিল এনবিআর

ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেমের ইন্তেকাল, উপাচার্যের শোক

Update Time : ০৬:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম বিশিষ্ট সাহিত্যসমালোচক, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। তাঁর মৃত্যুতে দেশের শিক্ষা, সাহিত্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিচে তাঁর জীবন, কর্ম ও অবদান সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের ইন্তেকাল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। শোকবার্তায় তিনি বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, মুক্তচিন্তার বুদ্ধিজীবী এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের নিবেদিতপ্রাণ গবেষক। তাঁর শিক্ষা, গবেষণা ও সাহিত্যকর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর শিক্ষাজীবনের উল্লেখযোগ্য ধাপগুলো হলো—

  1. ১৯৫৯ সালে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা (ম্যাট্রিক) পাস।
  2. ১৯৬১ সালে আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন।
  3. ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান)।
  4. ১৯৬৬ সালে একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন।
আরও পড়ুন  ভোরে অঝোরে বৃষ্টি ঢাকায় জলাবদ্ধতা: বিভিন্ন সড়কে পানি জমে ভোগান্তি

দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন

স্নাতকোত্তর শেষ করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। প্রায় চার দশক ধরে তিনি বাংলা সাহিত্য, ভাষা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যতত্ত্ব পড়িয়েছেন। তাঁর অসংখ্য শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সাহিত্য ও গবেষণায় অবদান

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বাংলা সাহিত্য, সমাজ, ইতিহাস, রাষ্ট্রচিন্তা ও সংস্কৃতি নিয়ে অসংখ্য প্রবন্ধ, গবেষণাগ্রন্থ ও বই রচনা করেছেন।

তাঁর লেখার বৈশিষ্ট্য ছিল—

  1. যুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ
  2. ইতিহাসভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি
  3. সমাজ ও রাষ্ট্র নিয়ে সমালোচনামূলক আলোচনা
  4. বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদৃষ্টিতে মূল্যায়নের প্রচেষ্টা

তিনি বিশেষ করে বাংলা নবজাগরণ, রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল ইসলাম, বাঙালির জাতীয়তাবাদ এবং বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন।

আরও পড়ুন  কর্ণফুলী নদীতে মোবাইল কোর্ট, ১১ মামলায় অর্থদণ্ড প্রদান

‘লোকায়ত’ সাময়িকপত্র

১৯৮২ সাল থেকে তিনি ‘লোকায়ত’ নামে একটি চিন্তাধর্মী সাময়িকপত্র সম্পাদনা করেন। এই পত্রিকায় সাহিত্য, সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও দর্শন নিয়ে গভীর বিশ্লেষণধর্মী লেখা প্রকাশিত হতো। দীর্ঘ সময় ধরে এটি দেশের প্রগতিশীল চিন্তাচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত ছিল।

সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তায় ভূমিকা

তিনি শুধু সাহিত্যিক নন, একজন সমাজচিন্তক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। সংবাদপত্রে নিয়মিত কলাম লিখে তিনি শিক্ষা, গণতন্ত্র, সংস্কৃতি, ভাষা, রাজনীতি ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত তুলে ধরতেন।

২০০০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি স্বদেশ চিন্তা সংঘ-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এই সংগঠনের মাধ্যমে মুক্তবুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধ ও জাতীয় চিন্তাধারার বিকাশে ভূমিকা রাখেন।

বাংলা একাডেমির সভাপতি

২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলা ভাষা, সাহিত্য গবেষণা এবং নতুন লেখকদের উৎসাহিত করার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

আরও পড়ুন  সম্পদ-শিক্ষায় এগিয়ে বিএনপির নারী প্রার্থী, বলছে হলফনামা

সম্মাননা ও স্বীকৃতি

সাহিত্য, গবেষণা ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে দেশ-বিদেশের নানা সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হন। তাঁর গবেষণা ও প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে পাঠ্য ও গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উপাচার্যের শোকবার্তা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম শোকবার্তায় বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যু দেশের শিক্ষা ও সাহিত্য জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

কেন তিনি স্মরণীয়

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন চিন্তাবিদ, গবেষক, সাহিত্যসমালোচক এবং সমাজবিশ্লেষক। তাঁর লেখা, গবেষণা এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা আগামী প্রজন্মের জন্য দীর্ঘদিন দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। বাংলাদেশের শিক্ষা ও সাহিত্যাঙ্গনে তাঁর অবদান ইতিহাসে স্থায়ীভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।