ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ফ্যামিলি কার্ড কবে থেকে শুরু? জানালেন প্রধানমন্ত্রী Logo আফরোজা আব্বাস নতুন দায়িত্ব: জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান নিয়োগ Logo সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় ফি নয়, আসছে নতুন সিদ্ধান্ত Logo তারেক রহমান বক্তব্য: প্রতিশোধ নয়, দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান Logo হাজি দেশে ফিরেছেন: ৫৭ হাজারের বেশি, প্রকাশ নতুন তথ্য Logo পদ্মা রেলসেতু মাটি কাটা বিতর্ক: প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপে কাজ বন্ধ Logo প্রবাসীর আত্মহত্যা: স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের পর মর্মান্তিক পরিণতি Logo গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo আর্জেন্টিনার ২০০০ ফুট পতাকা: মুগ্ধতায় শোভাযাত্রায় হাজারো ভক্ত Logo বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে তুমুল বিতর্ক, বদলে যাচ্ছে ফুটবল?

তারেক রহমান বক্তব্য: প্রতিশোধ নয়, দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:৫২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ৫০৩

তারেক রহমান বক্তব্যে প্রতিশোধ নয়, দেশের উন্নয়নের আহ্বান জানানো হয় — ছবি: সংগৃহীত

তারেক রহমান বক্তব্যে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, প্রতিশোধের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে দেশের উন্নয়নের জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তার মতে, ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা অতীত ঘটনার প্রতিশোধ না নিয়ে জাতির কল্যাণে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার প্রধান কাজ হলো জনগণের প্রত্যাশা বোঝা এবং তা পূরণে কাজ করা। বর্তমান সময়ে দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি, আর সেই চাপ নিয়েই সবাইকে এগিয়ে যেতে হয়। তারেক রহমান বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা থাকলেও সমাধানের পথ খুঁজে বের করাই মূল চ্যালেঞ্জ।

তারেক রহমান শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং তরুণ প্রজন্মের বিকাশের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, তরুণদের শক্তিকে সঠিক পথে ব্যবহার করতে না পারলে সমাজে নানান সমস্যা তৈরি হয়। এজন্য খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। তারেক রহমান বক্তব্যে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সারা বছরই বিতর্ক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং উদ্ভাবনী কার্যক্রম চালু রাখা উচিত।

এছাড়া তিনি সামাজিক অবক্ষয় এবং মাদক সমস্যাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, শুধু আইন প্রয়োগ করে নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা ও শিক্ষা দিয়েই এসব সমস্যার সমাধান করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক মূল্যবোধে গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

তারেক রহমান বক্তব্যে গণমাধ্যমের ভূমিকাও উঠে আসে। তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং বলেন, সরকার বা রাজনৈতিক নেতৃত্ব একা কোনো কাজ সফলভাবে করতে পারে না। গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা ও সহযোগিতা উন্নয়নকে আরও গতিশীল করে।

তিনি আরও বলেন, অতীতের ভুল বা ক্ষতির দিকে না তাকিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রতিশোধমূলক মানসিকতা সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে, যা দেশের উন্নয়নের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই সবাইকে ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সবশেষে তারেক রহমান বক্তব্যে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড কবে থেকে শুরু? জানালেন প্রধানমন্ত্রী

তারেক রহমান বক্তব্য: প্রতিশোধ নয়, দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান

Update Time : ১০:৫২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

তারেক রহমান বক্তব্যে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, প্রতিশোধের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে দেশের উন্নয়নের জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তার মতে, ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা অতীত ঘটনার প্রতিশোধ না নিয়ে জাতির কল্যাণে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার প্রধান কাজ হলো জনগণের প্রত্যাশা বোঝা এবং তা পূরণে কাজ করা। বর্তমান সময়ে দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি, আর সেই চাপ নিয়েই সবাইকে এগিয়ে যেতে হয়। তারেক রহমান বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা থাকলেও সমাধানের পথ খুঁজে বের করাই মূল চ্যালেঞ্জ।

তারেক রহমান শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং তরুণ প্রজন্মের বিকাশের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, তরুণদের শক্তিকে সঠিক পথে ব্যবহার করতে না পারলে সমাজে নানান সমস্যা তৈরি হয়। এজন্য খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। তারেক রহমান বক্তব্যে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সারা বছরই বিতর্ক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং উদ্ভাবনী কার্যক্রম চালু রাখা উচিত।

এছাড়া তিনি সামাজিক অবক্ষয় এবং মাদক সমস্যাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, শুধু আইন প্রয়োগ করে নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা ও শিক্ষা দিয়েই এসব সমস্যার সমাধান করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক মূল্যবোধে গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

তারেক রহমান বক্তব্যে গণমাধ্যমের ভূমিকাও উঠে আসে। তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং বলেন, সরকার বা রাজনৈতিক নেতৃত্ব একা কোনো কাজ সফলভাবে করতে পারে না। গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা ও সহযোগিতা উন্নয়নকে আরও গতিশীল করে।

তিনি আরও বলেন, অতীতের ভুল বা ক্ষতির দিকে না তাকিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রতিশোধমূলক মানসিকতা সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে, যা দেশের উন্নয়নের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই সবাইকে ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সবশেষে তারেক রহমান বক্তব্যে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে।