ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শি জিনপিংয়ের বড় বার্তা, কেন বদলে যেতে বললেন কমিউনিস্ট পার্টিকে? Logo শিল্পী সমিতির নির্বাচন, দুই প্যানেলে লড়ছেন যেসব প্রার্থী Logo জয়া আহসানের অভিনয়যাত্রা, দুই বাংলায় সাফল্যের অনন্য গল্প Logo নোটিশ ছাড়াই গুজরাটে ৩ মসজিদ ভাঙা, ক্ষোভে মুসলিম সংগঠন Logo ৪০ ডিগ্রি তাপেও অনড় ‘তেলাপোকা’ আন্দোলন, উত্তপ্ত দিল্লি Logo সেরাকণ্ঠের মুগ্ধ এবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, চমকে দিলেন সবাইকে Logo ২ জুলাই শুরু হচ্ছে ১৯তম ‘অ্যাসেন্ট কর্পোরেট কাপ-২০২৬’ Logo জুলাইয়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর Logo আড়াই ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাস চলাচল Logo চট্টগ্রাম পেল নতুন থানা, নিকারের বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত

আড়াই ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাস চলাচল

ধর্মঘট শেষে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলরত যাত্রীবাহী বাস

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ বাস চলাচল মালিকানা-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবারও স্বাভাবিক হয়েছে। প্রশাসনের মধ্যস্থতায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে বুধবার (১ জুলাই) বিকেল থেকে এ রুটে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়। দীর্ঘ সময়ের অচলাবস্থার পর বাস চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বিকেল ৫টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মালিকদের মধ্যে একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে বাস চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন নেতাদের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

কেন বন্ধ হয়েছিল বাস চলাচল:

বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ব্যানারে ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর পরপরই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাস না পেয়ে অনেক যাত্রীকে অটোরিকশা, সিএনজি কিংবা অন্য বিকল্প পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হয়েছে। অনেকেই দীর্ঘ সময় বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করেন।

বিরোধের মূল কারণ কী:

বন্ধন পরিবহনের এক পরিচালক জানান, কোম্পানির একটি বাসের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তার দাবি, মঙ্গলবার রাতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও মহানগর বিএনপির নেতা মাহবুবউল্লাহ তপন মিশনপাড়া এলাকায় বাসটি আটকে দেন।

এর প্রতিবাদে বুধবার বর্তমান পরিচালক শাহাদাত খান লিটন ও এমডি দেলোয়ার হোসেনের অনুসারীরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ওই পরিচালক আরও দাবি করেন, ধর্মঘটের ডাক দেওয়া ব্যক্তিদের অনেকের নিজস্ব বাস নেই। নিজেদের স্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করা হয়েছে, যার ফলে যাত্রীদের পাশাপাশি পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

বক্তব্য পাওয়া যায়নি:

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক এমডি মাহবুবউল্লাহ তপন এবং বর্তমান এমডি শাহাদাত খান লিটনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যেভাবে শুরু হয় ধর্মঘট:

বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ব্যানারে আকস্মিক ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী প্রায় সব বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ হাজারো যাত্রী বিপাকে পড়েন।

বাসস্ট্যান্ডগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও যানবাহন না পেয়ে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা কিংবা ভাড়ায় চালিত অন্যান্য যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে রওনা হন। অনেকেই আবার যাত্রা স্থগিত করে ফিরে যান।

বাস মালিকানা নিয়েই বিরোধ:

বন্ধন পরিবহনের এক পরিচালক জানান, কোম্পানির একটি বাসের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছিল। তার দাবি, মঙ্গলবার রাতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও মহানগর বিএনপির নেতা মাহবুবউল্লাহ তপন মিশনপাড়া এলাকায় সংশ্লিষ্ট বাসটি আটকে দেন।

এর প্রতিবাদে বুধবার বর্তমান পরিচালক শাহাদাত খান লিটন ও এমডি দেলোয়ার হোসেনের অনুসারীরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, যারা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন, তাদের অনেকের নিজস্ব বাস নেই। ব্যক্তিগত স্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করা হয়েছে। এতে শুধু যাত্রীরাই নয়, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদেরও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

প্রশাসনের মধ্যস্থতায় সমাধান:

ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর প্রশাসন দ্রুত উদ্যোগ নেয়। জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং পরিবহন সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একাধিক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষকে সমঝোতায় আনার পর বিকেলের দিকে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয় এবং বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করা হবে।

অভিযোগের জবাব মেলেনি:

ধর্মঘট ও বাস আটকে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক এমডি মাহবুবউল্লাহ তপন এবং বর্তমান এমডি শাহাদাত খান লিটনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যাত্রীদের দাবি:

ধর্মঘট শেষে যাত্রীরা বাস চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করলেও তারা বলেন, পরিবহন মালিকদের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

পরিবহন বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ দেশের অন্যতম ব্যস্ত যাত্রীবাহী রুট। এ রুটে কয়েক ঘণ্টার জন্যও বাস চলাচল বন্ধ থাকলে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও প্রভাব পড়ে। তাই মালিকানা ও পরিচালনাগত বিরোধ দ্রুত স্থায়ীভাবে নিষ্পত্তি করা জরুরি।

শি জিনপিংয়ের বড় বার্তা, কেন বদলে যেতে বললেন কমিউনিস্ট পার্টিকে?

আড়াই ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাস চলাচল

Update Time : ০৬:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ বাস চলাচল মালিকানা-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবারও স্বাভাবিক হয়েছে। প্রশাসনের মধ্যস্থতায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে বুধবার (১ জুলাই) বিকেল থেকে এ রুটে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়। দীর্ঘ সময়ের অচলাবস্থার পর বাস চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বিকেল ৫টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মালিকদের মধ্যে একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে বাস চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন নেতাদের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

কেন বন্ধ হয়েছিল বাস চলাচল:

বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ব্যানারে ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর পরপরই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাস না পেয়ে অনেক যাত্রীকে অটোরিকশা, সিএনজি কিংবা অন্য বিকল্প পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হয়েছে। অনেকেই দীর্ঘ সময় বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করেন।

আরও পড়ুন  রূপগঞ্জে পুকুরে নামার পর দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

বিরোধের মূল কারণ কী:

বন্ধন পরিবহনের এক পরিচালক জানান, কোম্পানির একটি বাসের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তার দাবি, মঙ্গলবার রাতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও মহানগর বিএনপির নেতা মাহবুবউল্লাহ তপন মিশনপাড়া এলাকায় বাসটি আটকে দেন।

এর প্রতিবাদে বুধবার বর্তমান পরিচালক শাহাদাত খান লিটন ও এমডি দেলোয়ার হোসেনের অনুসারীরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ওই পরিচালক আরও দাবি করেন, ধর্মঘটের ডাক দেওয়া ব্যক্তিদের অনেকের নিজস্ব বাস নেই। নিজেদের স্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করা হয়েছে, যার ফলে যাত্রীদের পাশাপাশি পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

বক্তব্য পাওয়া যায়নি:

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক এমডি মাহবুবউল্লাহ তপন এবং বর্তমান এমডি শাহাদাত খান লিটনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যেভাবে শুরু হয় ধর্মঘট:

বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ব্যানারে আকস্মিক ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী প্রায় সব বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ হাজারো যাত্রী বিপাকে পড়েন।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

বাসস্ট্যান্ডগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও যানবাহন না পেয়ে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা কিংবা ভাড়ায় চালিত অন্যান্য যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে রওনা হন। অনেকেই আবার যাত্রা স্থগিত করে ফিরে যান।

বাস মালিকানা নিয়েই বিরোধ:

বন্ধন পরিবহনের এক পরিচালক জানান, কোম্পানির একটি বাসের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছিল। তার দাবি, মঙ্গলবার রাতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও মহানগর বিএনপির নেতা মাহবুবউল্লাহ তপন মিশনপাড়া এলাকায় সংশ্লিষ্ট বাসটি আটকে দেন।

এর প্রতিবাদে বুধবার বর্তমান পরিচালক শাহাদাত খান লিটন ও এমডি দেলোয়ার হোসেনের অনুসারীরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, যারা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন, তাদের অনেকের নিজস্ব বাস নেই। ব্যক্তিগত স্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করা হয়েছে। এতে শুধু যাত্রীরাই নয়, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদেরও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

প্রশাসনের মধ্যস্থতায় সমাধান:

ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর প্রশাসন দ্রুত উদ্যোগ নেয়। জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং পরিবহন সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একাধিক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষকে সমঝোতায় আনার পর বিকেলের দিকে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয় এবং বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আরও পড়ুন  ৫ আগস্টে দেশ আবার স্বাধীন: তারেক রহমানের বক্তব্য

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করা হবে।

অভিযোগের জবাব মেলেনি:

ধর্মঘট ও বাস আটকে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বন্ধন পরিবহনের সাবেক এমডি মাহবুবউল্লাহ তপন এবং বর্তমান এমডি শাহাদাত খান লিটনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যাত্রীদের দাবি:

ধর্মঘট শেষে যাত্রীরা বাস চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করলেও তারা বলেন, পরিবহন মালিকদের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

পরিবহন বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ দেশের অন্যতম ব্যস্ত যাত্রীবাহী রুট। এ রুটে কয়েক ঘণ্টার জন্যও বাস চলাচল বন্ধ থাকলে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও প্রভাব পড়ে। তাই মালিকানা ও পরিচালনাগত বিরোধ দ্রুত স্থায়ীভাবে নিষ্পত্তি করা জরুরি।