জন নায়গন সিনেমা আবারও আলোচনায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর থালাপাতি বিজয়ের শেষ অভিনীত ছবি ‘জন নায়গন’ ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC) থেকে ‘এ’ সার্টিফিকেট পেয়েছে। তবে ছাড়পত্র পেলেও সিনেমাটিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে সেন্সর বোর্ড।
সেন্সর বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, সিনেমার কিছু দৃশ্য ও সংলাপ সংশোধন করতে হবে। একটি দৃশ্যে জাতীয় পতাকা নিচে পড়ে যাওয়ার অংশ বাদ দিতে হবে। এছাড়া সাবেক ইরাকি নেতা সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি সংক্রান্ত একটি সংলাপ পরিবর্তন বা মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ব্যাজ সংক্রান্ত একটি দৃশ্য, একটি সম্পূর্ণ সংলাপ এবং শিশু পুড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্যেও পরিবর্তন আনতে হবে।
সব মিলিয়ে সিনেমা থেকে প্রায় ২০ সেকেন্ডের দৃশ্য বাদ দেওয়া হবে এবং ১০ সেকেন্ডের অংশে পরিবর্তন আনা হবে। এসব পরিবর্তন সম্পন্ন হওয়ার পরই ছবিটি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তির জন্য প্রস্তুত হবে। সেন্সর বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই বিজয় ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জন নায়গন সিনেমা শুধু একটি নতুন ছবি নয়, এটি বিজয়ের অভিনয় জীবনের বিশেষ অধ্যায়। কারণ রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে এটিই তাঁর শেষ সিনেমা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। সিনেমাটির প্রচারের সময়ই তিনি চলচ্চিত্র থেকে বিদায়ের ঘোষণা দেন। এরপর নির্বাচনে অংশ নিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
প্রথমে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও বিভিন্ন কারণে তা পিছিয়ে যায়। সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়ার পর এখন দর্শকদের আশা, খুব শিগগিরই ছবিটির নতুন মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হবে। বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ছবিটি নিয়ে আগ্রহ এখনো তুঙ্গে।
রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেও বিজয়ের শেষ সিনেমা ঘিরে ভক্তদের আবেগ কমেনি। অনেকেই মনে করছেন, জন নায়গন সিনেমা শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং অভিনেতা বিজয়ের ক্যারিয়ারের স্মরণীয় বিদায়। এখন অপেক্ষা কেবল বড় পর্দায় ছবিটি দেখার।
























