ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo পায়ে ঘন ঘন ঝিঁঝিঁ ধরছে? উপকার মিলতে পারে এই ৪ শুকনো ফলে Logo তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের সহায়তা, জানুন বিস্তারিত Logo এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬ নির্দেশনা, অভিভাবকদের জন্য বোর্ডের নতুন জরুরি নির্দেশনা Logo নিজেকে ভালোবাসতে শিখুন, বদলে যেতে পারে জীবন Logo মির্জা ফখরুল গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন, শক্তিশালী গণমাধ্যমেই শক্তিশালী গণতন্ত্র Logo ১ আগস্ট থেকে ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন, কীভাবে করবেন আবেদন Logo তেলে না ভেজেও সুস্বাদু রান্না, অটুট থাকবে খাবারের পুষ্টিগুণ Logo এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে অভিভাবকদের জন্য নতুন ব্যবস্থা, বোর্ডের নির্দেশ Logo পাকিস্তানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, খাদে বাস পড়ে নিহত অন্তত ৪০ Logo ছুটির দিনে ত্বক-চুলের যত্নে ফিরুক হারানো জেল্লা

১ আগস্ট থেকে ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন, কীভাবে করবেন আবেদন

ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির অনলাইন আবেদন

সমাজসেবা অধিদপ্তর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির অনলাইন আবেদনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে। আগামী ১ আগস্ট থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আগ্রহী ব্যক্তিদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে গ্রহণ করা হবে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১ আগস্ট এবং শেষ হবে ৩১ আগস্ট। নির্ধারিত সময়ের পর নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই যোগ্য আবেদনকারীদের সময়মতো আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যারা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নতুন করে সুবিধা পেতে চান, তাদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করতে হবে dss.bhata.gov.bd/online-application পোর্টালে। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আবেদন করা যাবে।

এবার যেসব কর্মসূচির জন্য আবেদন নেওয়া হবে, তার মধ্যে রয়েছে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি। পাশাপাশি অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় হিজড়া, বেদে, চা-শ্রমিক এবং অন্যান্য অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদনও গ্রহণ করা হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, আবেদনকারীদের অবশ্যই নিজ নিজ স্থায়ী ঠিকানার ভিত্তিতে আবেদন করতে হবে। ভুল ঠিকানা বা অন্য এলাকার তথ্য দিয়ে আবেদন করলে তা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আবেদনপত্র পূরণের সময় সব তথ্য সতর্কতার সঙ্গে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন করতে হলে আবেদনকারীর সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। এই কার্ড ছাড়া প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে নিবন্ধিত একটি সচল মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে। বিকল্পভাবে নিজস্ব ব্যাংক হিসাবের তথ্য দেওয়া যাবে। তবে ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করলেও যোগাযোগের জন্য একটি সচল মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা ইতোমধ্যে অন্য কোনো সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত ভাতা বা আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন, তারা এই কর্মসূচির নতুন সুবিধাভোগী হিসেবে বিবেচিত হবেন না। একই ব্যক্তি একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না।

এ ছাড়া আগে অনলাইনে আবেদন করে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা আবেদনকারীদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। তাদের আগের আবেদনই সংরক্ষিত থাকবে এবং নতুন আবেদনগুলোর সঙ্গে একযোগে যাচাই-বাছাই করা হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন আবেদন এবং অপেক্ষমাণ তালিকার আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ব্যক্তিদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হবে। এই নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং বরাদ্দের প্রাপ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হবে।

যাচাই-বাছাইয়ের সময় আবেদনকারীর দেওয়া তথ্য, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং যোগ্যতার শর্তগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে। কোনো তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণিত হলে আবেদন বাতিল করা হতে পারে।

চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। প্রতিটি আবেদন নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করে উপকারভোগীদের তালিকা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, যারা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হবেন, তারা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। অর্থাৎ অনুমোদনের পর প্রাপ্য সুবিধা কার্যকর হবে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি দেশের দরিদ্র, অসহায়, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতি বছর লাখো মানুষ এসব কর্মসূচির আওতায় সরকারি সহায়তা পান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইন আবেদন পদ্ধতি চালুর ফলে আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ হয়েছে। এতে আবেদনকারীরা ঘরে বসেই আবেদন করতে পারছেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের সুযোগও কমে এসেছে।

তবে আবেদনকারীদের নির্ভুল তথ্য প্রদান এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখলে আবেদন করতে কোনো জটিলতা হবে না।

যারা এবার নতুন করে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা অথবা শিক্ষা উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে চান, তাদের জন্য আগস্ট মাসই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করলে যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য হলে সরকারি এই সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর আবেদনকারীদের নিয়মিত সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের ভুল তথ্য বা প্রতারণামূলক প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হয়ে শুধুমাত্র সরকারি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পায়ে ঘন ঘন ঝিঁঝিঁ ধরছে? উপকার মিলতে পারে এই ৪ শুকনো ফলে

১ আগস্ট থেকে ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন, কীভাবে করবেন আবেদন

Update Time : ০৩:৫৯:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

সমাজসেবা অধিদপ্তর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির অনলাইন আবেদনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে। আগামী ১ আগস্ট থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আগ্রহী ব্যক্তিদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে গ্রহণ করা হবে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১ আগস্ট এবং শেষ হবে ৩১ আগস্ট। নির্ধারিত সময়ের পর নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই যোগ্য আবেদনকারীদের সময়মতো আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যারা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নতুন করে সুবিধা পেতে চান, তাদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করতে হবে dss.bhata.gov.bd/online-application পোর্টালে। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আবেদন করা যাবে।

আরও পড়ুন  ইডেন কলেজে মব সন্ত্রাসের অভিযোগ ক্ষোভে নাছির উদ্দিন

এবার যেসব কর্মসূচির জন্য আবেদন নেওয়া হবে, তার মধ্যে রয়েছে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি। পাশাপাশি অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় হিজড়া, বেদে, চা-শ্রমিক এবং অন্যান্য অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদনও গ্রহণ করা হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, আবেদনকারীদের অবশ্যই নিজ নিজ স্থায়ী ঠিকানার ভিত্তিতে আবেদন করতে হবে। ভুল ঠিকানা বা অন্য এলাকার তথ্য দিয়ে আবেদন করলে তা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আবেদনপত্র পূরণের সময় সব তথ্য সতর্কতার সঙ্গে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন করতে হলে আবেদনকারীর সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। এই কার্ড ছাড়া প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে নিবন্ধিত একটি সচল মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে। বিকল্পভাবে নিজস্ব ব্যাংক হিসাবের তথ্য দেওয়া যাবে। তবে ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করলেও যোগাযোগের জন্য একটি সচল মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা ইতোমধ্যে অন্য কোনো সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত ভাতা বা আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন, তারা এই কর্মসূচির নতুন সুবিধাভোগী হিসেবে বিবেচিত হবেন না। একই ব্যক্তি একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না।

আরও পড়ুন  তরুণদের সুরক্ষায় তামাক ও নিকোটিন পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ জরুরি

এ ছাড়া আগে অনলাইনে আবেদন করে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা আবেদনকারীদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। তাদের আগের আবেদনই সংরক্ষিত থাকবে এবং নতুন আবেদনগুলোর সঙ্গে একযোগে যাচাই-বাছাই করা হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন আবেদন এবং অপেক্ষমাণ তালিকার আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ব্যক্তিদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হবে। এই নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং বরাদ্দের প্রাপ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হবে।

যাচাই-বাছাইয়ের সময় আবেদনকারীর দেওয়া তথ্য, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং যোগ্যতার শর্তগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে। কোনো তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণিত হলে আবেদন বাতিল করা হতে পারে।

চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। প্রতিটি আবেদন নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করে উপকারভোগীদের তালিকা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, যারা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হবেন, তারা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। অর্থাৎ অনুমোদনের পর প্রাপ্য সুবিধা কার্যকর হবে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী।

আরও পড়ুন  ৫ আগস্টে দেশ আবার স্বাধীন: তারেক রহমানের বক্তব্য

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি দেশের দরিদ্র, অসহায়, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতি বছর লাখো মানুষ এসব কর্মসূচির আওতায় সরকারি সহায়তা পান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইন আবেদন পদ্ধতি চালুর ফলে আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ হয়েছে। এতে আবেদনকারীরা ঘরে বসেই আবেদন করতে পারছেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের সুযোগও কমে এসেছে।

তবে আবেদনকারীদের নির্ভুল তথ্য প্রদান এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখলে আবেদন করতে কোনো জটিলতা হবে না।

যারা এবার নতুন করে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা অথবা শিক্ষা উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে চান, তাদের জন্য আগস্ট মাসই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করলে যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য হলে সরকারি এই সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর আবেদনকারীদের নিয়মিত সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের ভুল তথ্য বা প্রতারণামূলক প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হয়ে শুধুমাত্র সরকারি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।