ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

গ্রীষ্মে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজন সচেতনতা, কোন শারীরিক সমস্যায় কোন ফল এড়িয়ে চলবেন

  • Mahbuba Ahmad
  • Update Time : ০৪:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ৫১৮

গ্রীষ্মকালীন ফল খাওয়ার উপকারিতা ও সতর্কতা

গ্রীষ্ম মৌসুমে বাজারজুড়ে দেখা মেলে নানা ধরনের রসালো ও পানিসমৃদ্ধ ফলের। প্রচণ্ড গরমে শরীরকে সতেজ রাখতে তরমুজ, বাঙ্গি, ডাব ও আনারসের মতো ফল অনেকেরই পছন্দের তালিকায় থাকে। এসব ফল শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে এবং ক্লান্তি কমাতেও ভূমিকা রাখে।

পুষ্টিবিদদের মতে, মৌসুমি ফলে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে সব ফল সবার শরীরের জন্য সমান উপকারী নয়। ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, রোগ এবং খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী ফল নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য কম চিনি ও বেশি আঁশযুক্ত ফল ভালো বলে মনে করা হয়। পেয়ারা, জাম, আপেল বা কমলার মতো ফল রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। বিপরীতে অতিরিক্ত আম, লিচু বা আঙুর খেলে অনেকের সুগার দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য পটাশিয়ামসমৃদ্ধ ফল উপকারী হলেও কিডনি জটিলতায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রে একই ফল সীমিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আবার গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় কলা বা পেঁপে স্বস্তি দিলেও অতিরিক্ত টক ফল অনেক সময় অস্বস্তি বাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফল সবসময় পরিষ্কার করে ধুয়ে খাওয়া উচিত এবং কেটে দীর্ঘসময় খোলা অবস্থায় না রাখাই ভালো। জুসের তুলনায় আস্ত ফল বেশি উপকারী, কারণ এতে প্রাকৃতিক আঁশ অক্ষুণ্ন থাকে। পরিমিত পরিমাণে ও শরীরের প্রয়োজন বুঝে ফল খাওয়াই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটন খাতে বিশেষ অবদান, শাখাওয়াত হোসেন পেলেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

গ্রীষ্মে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজন সচেতনতা, কোন শারীরিক সমস্যায় কোন ফল এড়িয়ে চলবেন

Update Time : ০৪:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

গ্রীষ্ম মৌসুমে বাজারজুড়ে দেখা মেলে নানা ধরনের রসালো ও পানিসমৃদ্ধ ফলের। প্রচণ্ড গরমে শরীরকে সতেজ রাখতে তরমুজ, বাঙ্গি, ডাব ও আনারসের মতো ফল অনেকেরই পছন্দের তালিকায় থাকে। এসব ফল শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে এবং ক্লান্তি কমাতেও ভূমিকা রাখে।

পুষ্টিবিদদের মতে, মৌসুমি ফলে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে সব ফল সবার শরীরের জন্য সমান উপকারী নয়। ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, রোগ এবং খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী ফল নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় ১৩ পলাতক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য কম চিনি ও বেশি আঁশযুক্ত ফল ভালো বলে মনে করা হয়। পেয়ারা, জাম, আপেল বা কমলার মতো ফল রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। বিপরীতে অতিরিক্ত আম, লিচু বা আঙুর খেলে অনেকের সুগার দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য পটাশিয়ামসমৃদ্ধ ফল উপকারী হলেও কিডনি জটিলতায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রে একই ফল সীমিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আবার গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় কলা বা পেঁপে স্বস্তি দিলেও অতিরিক্ত টক ফল অনেক সময় অস্বস্তি বাড়াতে পারে।

আরও পড়ুন  মীরর বাংলায় ভিডিও নিউজ প্রেজেন্টার হওয়ার সুযোগ (নন-পেইড)

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফল সবসময় পরিষ্কার করে ধুয়ে খাওয়া উচিত এবং কেটে দীর্ঘসময় খোলা অবস্থায় না রাখাই ভালো। জুসের তুলনায় আস্ত ফল বেশি উপকারী, কারণ এতে প্রাকৃতিক আঁশ অক্ষুণ্ন থাকে। পরিমিত পরিমাণে ও শরীরের প্রয়োজন বুঝে ফল খাওয়াই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।