ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মে মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ

প্রবাসী আয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ছবি: সংগৃহীত

রেমিট্যান্স মে মাসে বাংলাদেশে এসেছে বিশাল অঙ্কের প্রবাসী আয়, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন শক্তি যোগ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী মে মাসে দেশে এসেছে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা এক মাসের হিসাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড।

মে মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। মে মাসে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ভিন্ন ভিন্নভাবে। রাষ্ট্রীয় ব্যাংক, বেসরকারি ব্যাংক এবং বিশেষায়িত ব্যাংক—সব ক্ষেত্রেই প্রবাসী আয় প্রবাহ বজায় ছিল।

রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোতে এসেছে ৫৬ কোটি ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকে প্রায় ৪৬ কোটি ডলার এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে এসেছে সবচেয়ে বেশি অংশ। রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। এই অর্থ দিয়ে আমদানি ব্যয় মেটানো, রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা এবং ডলার সংকট মোকাবিলা সহজ হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের মুদ্রা বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ৩৭৫ কোটি ডলার। মে মাস সেই রেকর্ডের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এই ধারাবাহিক প্রবাহ অর্থনীতিতে ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে।

প্রবাসী আয় সবচেয়ে বেশি এসেছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। এরপর রয়েছে রাষ্ট্রীয় এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো। এই প্রবাহ প্রমাণ করে প্রবাসীরা এখন আরও বেশি আনুষ্ঠানিক চ্যানেল ব্যবহার করছেন।

অর্থনীতিবিদদের মতে, নীতিগত সহায়তা অব্যাহত থাকলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়তে পারে। বৈধ চ্যানেল ব্যবহার বাড়লে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও শক্তিশালী হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মে মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ

Update Time : ০৯:২৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

রেমিট্যান্স মে মাসে বাংলাদেশে এসেছে বিশাল অঙ্কের প্রবাসী আয়, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন শক্তি যোগ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী মে মাসে দেশে এসেছে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা এক মাসের হিসাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড।

মে মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। মে মাসে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ভিন্ন ভিন্নভাবে। রাষ্ট্রীয় ব্যাংক, বেসরকারি ব্যাংক এবং বিশেষায়িত ব্যাংক—সব ক্ষেত্রেই প্রবাসী আয় প্রবাহ বজায় ছিল।

আরও পড়ুন  আজকের স্বর্ণ ও রুপার দাম, কত কমলো সোনার মূল্য?

রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোতে এসেছে ৫৬ কোটি ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকে প্রায় ৪৬ কোটি ডলার এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে এসেছে সবচেয়ে বেশি অংশ। রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। এই অর্থ দিয়ে আমদানি ব্যয় মেটানো, রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা এবং ডলার সংকট মোকাবিলা সহজ হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের মুদ্রা বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ৩৭৫ কোটি ডলার। মে মাস সেই রেকর্ডের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এই ধারাবাহিক প্রবাহ অর্থনীতিতে ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  মেটা পেইড সাবস্ক্রিপশন: ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে নতুন সুবিধা

প্রবাসী আয় সবচেয়ে বেশি এসেছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। এরপর রয়েছে রাষ্ট্রীয় এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো। এই প্রবাহ প্রমাণ করে প্রবাসীরা এখন আরও বেশি আনুষ্ঠানিক চ্যানেল ব্যবহার করছেন।

অর্থনীতিবিদদের মতে, নীতিগত সহায়তা অব্যাহত থাকলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়তে পারে। বৈধ চ্যানেল ব্যবহার বাড়লে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও শক্তিশালী হবে।