ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo তাপপ্রবাহ পূর্বাভাস: জুনজুড়ে গরম ও কম বৃষ্টির বিশেষ চিত্র Logo ওয়ালটন চাকরি ২০২৬: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে আবেদন অনলাইনে Logo লাইভ শপিং চাকরি সার্কুলার: আকর্ষণীয় বেতনে নিয়োগের সুযোগ Logo সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে নতুন জটিলতা, খুঁজে মিলছে না কর্মকর্তাদের Logo হাম মৃত্যু ছাড়াল ৬০০, নতুন আক্রান্ত আরও ৫৫ Logo আর্জেন্টিনা নয়, ব্রাজিলও নয়; সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স Logo সুন্দরবন ভ্রমণ প্যাকেজ: খরচ, দর্শনীয় স্থান ও পূর্ণ গাইড Logo খুরশিদ আলম ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, স্ত্রীর ঋণ খেলাপি হওয়া বাধা নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক Logo স্পেন দলে জার্সি চমক, ১০ নম্বর পেলেন ওলমো; আলোচনায় গাভির নতুন পরিচয় Logo এসএসসি পরীক্ষা সূচি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন অভিযোগের জবাব দিলেন এনসিপি নেতা

হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা অভিযোগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগের জবাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আলোচিত অর্থ কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয়নি, বরং উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

শনিবার (৩০ মে) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১৫ কোটি টাকা এবং হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আলোচিত অর্থ আসলে উপজেলার জন্য বরাদ্দ উন্নয়ন বাজেট। তিনি বলেন, এই অর্থ কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক নেতার কাছে দেওয়া হয়নি। বরং স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে বরাদ্দ ও ব্যয় করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দেবীদ্বার উপজেলায় কোন খাতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে তার বিস্তারিত হিসাব জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করার আহ্বান জানান।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, মানুষের কল্যাণে প্রয়োজন হলে তিনি যেকোনো জায়গায় সহায়তা চাইতেও দ্বিধা করবেন না। তার মতে, তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন।

এনসিপি নেতার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ ছিল, যা এডিপি প্রকল্পের আওতায় জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তিনি জানান, দেবীদ্বার উপজেলার জন্য এ খাতে প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যের সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন অর্থ ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। অথচ বাস্তবে এটি ছিল উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ, যার সঙ্গে ব্যক্তিগত অর্থ গ্রহণের কোনো সম্পর্ক নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

তাপপ্রবাহ পূর্বাভাস: জুনজুড়ে গরম ও কম বৃষ্টির বিশেষ চিত্র

হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন অভিযোগের জবাব দিলেন এনসিপি নেতা

Update Time : ১০:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগের জবাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আলোচিত অর্থ কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয়নি, বরং উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

শনিবার (৩০ মে) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১৫ কোটি টাকা এবং হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  ছাত্রদলের মামলায় ইমাম তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আলোচিত অর্থ আসলে উপজেলার জন্য বরাদ্দ উন্নয়ন বাজেট। তিনি বলেন, এই অর্থ কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক নেতার কাছে দেওয়া হয়নি। বরং স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে বরাদ্দ ও ব্যয় করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দেবীদ্বার উপজেলায় কোন খাতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে তার বিস্তারিত হিসাব জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার ২০২৫: তারকাখচিত আয়োজন

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, মানুষের কল্যাণে প্রয়োজন হলে তিনি যেকোনো জায়গায় সহায়তা চাইতেও দ্বিধা করবেন না। তার মতে, তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন।

এনসিপি নেতার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ ছিল, যা এডিপি প্রকল্পের আওতায় জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তিনি জানান, দেবীদ্বার উপজেলার জন্য এ খাতে প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন  আসিফ মাহমুদের দক্ষিণ কোরিয়া সফর, মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ

জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যের সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন অর্থ ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। অথচ বাস্তবে এটি ছিল উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ, যার সঙ্গে ব্যক্তিগত অর্থ গ্রহণের কোনো সম্পর্ক নেই।