গুগলে ‘চোরের দলের খেলা কবে’ লিখে সার্চ করলেই অনেক ব্যবহারকারীর সামনে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ম্যাচের তথ্য চলে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ফুটবলপ্রেমীরা এই অদ্ভুত সার্চ ফলাফল নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য ও ট্রোল করছেন। ফলে বাক্যটি এখন অনলাইনে একটি ভাইরাল ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে।
প্রযুক্তি–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যবেক্ষক বলছেন, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক বা স্বীকৃত ফুটবল দলের নাম নয়। বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের তৈরি ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট, মিম এবং ট্রোলের কারণে এমন একটি শব্দগুচ্ছ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্যবহারকারীরা বারবার একই ধরনের শব্দ ব্যবহার করে সার্চ করায় বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এ কারণেই গুগলের সার্চ ফলাফলেও এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে বিভিন্ন সময়েই সমর্থকদের মধ্যে হাস্যরস, ঠাট্টা এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মতো ঐতিহাসিকভাবে আলোচিত দলগুলোর ম্যাচের আগে এমন ট্রেন্ড আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সমর্থক প্রতিপক্ষ দলকে খোঁচা দিতে বিভিন্ন ধরনের শব্দ ব্যবহার করেন। “চোরের দল” শব্দটির ক্ষেত্রেও এমন প্রবণতা কাজ করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে অসংখ্য পোস্ট, ভিডিও এবং মন্তব্য ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। কেউ বিষয়টিকে নিছক বিনোদন হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এটিকে ফুটবল সমর্থকদের সৃজনশীল ট্রোল সংস্কৃতির অংশ হিসেবে উল্লেখ করছেন। ফলে একটি সাধারণ সার্চ বাক্যই এখন অনলাইনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এ নিয়ে নতুন নতুন কনটেন্টও তৈরি হচ্ছে।
বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সমর্থকদের উন্মাদনা। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালকে ঘিরে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। সেই সঙ্গে বাড়ছে এমন নানা মজার ট্রেন্ড ও আলোচনাও। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, “চোরের দল” কোনো অফিসিয়াল পরিচয় নয় এবং এটি কেবল সমর্থকদের তৈরি একটি অনানুষ্ঠানিক অভিব্যক্তি।

























