হজ ফ্লাইট কর কমানো নিয়ে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাতে হজযাত্রীদের সুবিধার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বৈঠকে বিশেষভাবে হজ ফ্লাইটের ওপর আরোপিত কর কমানোর আহ্বান জানানো হয়, যাতে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমে।বৈঠকে বিমানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি হজ পালন করতে সৌদি আরব যান। কিন্তু বিমান ভাড়া ও বিভিন্ন করের কারণে অনেকের ব্যয় বেড়ে যায়। তাই হজ ফ্লাইট কর কমানো হলে সাধারণ মানুষের জন্য হজযাত্রা আরও সহজ ও সাশ্রয়ী হবে। এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে জানান, দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল ও হজ ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করতে যৌথভাবে কাজ করা হবে। তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বিমান যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও আলোচনা হয়।বৈঠকে শুধু হজ ফ্লাইট কর কমানোর বিষয় নয়, পর্যটন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, সরাসরি ফ্লাইট সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষই পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হজ ফ্লাইটের কর কমানো সম্ভব হলে বিমান ভাড়ায় ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এতে হাজার হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী আর্থিকভাবে উপকৃত হবেন। পাশাপাশি হজ ব্যবস্থাপনায় আরও গতি আসবে এবং যাত্রীসেবার মানও উন্নত হতে পারে।সব মিলিয়ে এই বৈঠককে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে। যদি হজ ফ্লাইট কর কমানোর প্রস্তাব বাস্তবায়ন হয়, তাহলে আগামী হজ মৌসুমে বাংলাদেশি হজযাত্রীরা উল্লেখযোগ্য সুবিধা পেতে পারেন।



























