মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রশমনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। ইসরায়েল-লেবানন পরিস্থিতিতে উত্তেজনা কমা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সম্ভাব্য আলোচনার খবরে তেলের দামে পতন লক্ষ্য করা গেছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশা তৈরি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন শুরুর পরই তেলের দামে এই পরিবর্তন দেখা যায়। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল প্রায় ৯৮ ডলারের কাছাকাছি নেমে এসেছে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের দামও ৯৪ ডলারের নিচে অবস্থান করছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য কম।
বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনার ইঙ্গিত বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে আলোচনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে, যা তেলের বাজারে প্রতিফলিত হয়েছে।
অন্যদিকে, এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জাপান, হংকং ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে সূচক নিম্নমুখী থাকলেও বিনিয়োগকারীরা এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বৈশ্বিক পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল না হওয়ায় বাজারে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে আগের দিন ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। সম্ভাব্য কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত এবং সংঘাত কমার আশায় বাজারে এই উত্থান ঘটে। সার্বিকভাবে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত থাকলেও শান্তির সম্ভাবনা জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।























