ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদে ঐকমত্য কমিশন নিয়ে প্রশ্ন, ‘শুরুতেই সন্দেহ জেগেছিল’—শাহাদাত সেলিম

সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। ফাইল ছবি

জাতীয় সংসদে ঐকমত্য কমিশনের আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। তিনি বলেন, কমিশনের কার্যক্রম শুরু থেকেই সন্দেহজনক মনে হয়েছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে তিনি জানান, কমিশনের প্রথম দিকের আলোচনায় এমন কিছু প্রস্তাব আসে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে ভোটার ও প্রার্থীর বয়স এবং সংসদের মেয়াদ নিয়ে প্রস্তাবগুলো তাঁকে বিস্মিত করেছে বলে উল্লেখ করেন।

তিনি দাবি করেন, ঐকমত্য কমিশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করা। তবে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন সঠিক সময়েই অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়েও আপত্তি জানান সেলিম। তাঁর মতে, এ ধরনের উদ্যোগ নির্বাহী বিভাগের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং তা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য উপযোগী নয়।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে হস্তান্তরের আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের নির্বাচনী এলাকা সম্পর্কিত কিছু প্রচলিত গুজবও নাকচ করে দেন এবং বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে ঐকমত্য কমিশন নিয়ে প্রশ্ন, ‘শুরুতেই সন্দেহ জেগেছিল’—শাহাদাত সেলিম

Update Time : ০৮:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে ঐকমত্য কমিশনের আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। তিনি বলেন, কমিশনের কার্যক্রম শুরু থেকেই সন্দেহজনক মনে হয়েছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে তিনি জানান, কমিশনের প্রথম দিকের আলোচনায় এমন কিছু প্রস্তাব আসে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে ভোটার ও প্রার্থীর বয়স এবং সংসদের মেয়াদ নিয়ে প্রস্তাবগুলো তাঁকে বিস্মিত করেছে বলে উল্লেখ করেন।

তিনি দাবি করেন, ঐকমত্য কমিশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করা। তবে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন সঠিক সময়েই অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়েও আপত্তি জানান সেলিম। তাঁর মতে, এ ধরনের উদ্যোগ নির্বাহী বিভাগের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং তা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য উপযোগী নয়।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে হস্তান্তরের আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের নির্বাচনী এলাকা সম্পর্কিত কিছু প্রচলিত গুজবও নাকচ করে দেন এবং বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন।