পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন প্রবাসী ভোটাররা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ‘Postal Vote BD’ অ্যাপে নিবন্ধন করা প্রবাসী ভোটারদের এ বিষয়ে ই-মেইল, হোয়াটসঅ্যাপ ও অ্যাপের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পাঠাবে নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) কমিশনের জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নোটিফিকেশন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ভোটে অংশ নেওয়ার সম্মতি জানাতে হবে। এ জন্য ‘Postal Vote BD’ অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। ভোটারদের কাছ থেকে সম্মতি গ্রহণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা সম্মতি জানাবেন, তাদের পরবর্তী প্রক্রিয়ায় নেওয়া হবে।
সম্মতি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ভোটারদের বিদেশে থাকা বর্তমান ঠিকানায় ব্যালট পেপার পাঠানো হবে। এর মাধ্যমে দেশে উপস্থিত না থেকেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন যোগ্য প্রবাসী ভোটাররা। নির্বাচন কমিশন বলছে, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার চলমান ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রবাসীদের ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করার চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন। আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ‘Postal Vote BD’ অ্যাপে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের উপনির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি ফাঁকা হওয়ার পেছনেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। পরদিন ২১ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সংবিধান অনুযায়ী সংসদীয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
ফলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে প্রবাসী ভোটারদের জন্য পোস্টাল ভোটের প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ‘Postal Vote BD’ অ্যাপের মাধ্যমে সম্মতি জানানো গুরুত্বপূর্ণ। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ভোটারদের বর্তমান ঠিকানায় ব্যালট পেপার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।



























