ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আজ থেকেই বিজিবিতে সিপাহী নিয়োগ: নারী-পুরুষের বয়স, উচ্চতা ও যোগ্যতা জানুন Logo যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে ফিনল্যান্ডের মডেল কেন নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র? Logo পোলিশ অ্যাপেল কেকের সহজ রেসিপি! Logo ৬০ দিনের মধ্যে ৪-৫ বিলিয়ন ডলারের উড়োজাহাজ লিজ নেবে ইউএস-বাংলা Logo সুইডেনের নির্বাচনে ভোট শুরু, সরকারে প্রথমবার আসতে পারে উগ্র ডানপন্থীরা Logo মানচিত্রে আফ্রিকা এত ছোট কেন, বাস্তবে কতটা বড়? Logo iPhone 18 Pro বনাম iPhone 17 Pro নতুন মডেলে কী কী বদলেছে Logo প্রেমের নাটক-সিনেমা কি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? হাইকোর্টে রিট, নজর এখন আদালতের সিদ্ধান্তে Logo ‘হৃদয় টুকরো টুকরো হয়ে গেছে’, ভিনিসিয়ুসের সঙ্গীর জীবনে নেমে এলো শোক Logo ১০-০ গোলে উত্তর কোরিয়ার কাছে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক হার

পদ্মা রেলসেতু মাটি কাটা বিতর্ক: প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপে কাজ বন্ধ

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের আশপাশে মাটি অপসারণের দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

পদ্মা রেলসেতু মাটি কাটা নিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পদ্মা রেলওয়ে সংযোগ সেতুর কয়েকটি পিলারের নিচ ও আশপাশের এলাকা থেকে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি অপসারণ করা হচ্ছে। বিষয়টি সামনে আসার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।

ঘটনাটি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীগঞ্জ এলাকায় ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে মাটি কেটে ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। তাদের দাবি, পিলারের আশপাশে গভীর গর্ত তৈরি হওয়ায় সেতুর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নথিপত্র তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থাপন করা না হওয়ায় প্রশাসন মাটি অপসারণের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি বিষয়টি রেলপথ মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

তবে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাদের মতে, সেতু নির্মাণের সময় কাজের সুবিধার জন্য জলাধার এলাকায় অস্থায়ীভাবে মাটি ও বালু ফেলে একটি প্রবেশপথ তৈরি করা হয়েছিল। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সেই ভরাটকৃত মাটি অপসারণ করা হচ্ছিল।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, এই কার্যক্রম পরিকল্পনার অংশ ছিল এবং এটি সেনাবাহিনী ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছিল। তাদের দাবি, মাটি অপসারণের কারণে সেতুর কোনো কাঠামোগত ক্ষতি হয়নি এবং ভবিষ্যতেও নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা নেই।

এদিকে প্রশাসন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই না হওয়া পর্যন্ত মাটি অপসারণ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ দূর করতে এবং প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে পদ্মা রেলসেতু মাটি কাটা ইস্যুতে প্রশাসন ও প্রকল্প কর্তৃপক্ষের পর্যবেক্ষণ চলমান রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ থেকেই বিজিবিতে সিপাহী নিয়োগ: নারী-পুরুষের বয়স, উচ্চতা ও যোগ্যতা জানুন

পদ্মা রেলসেতু মাটি কাটা বিতর্ক: প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপে কাজ বন্ধ

Update Time : ১০:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

পদ্মা রেলসেতু মাটি কাটা নিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পদ্মা রেলওয়ে সংযোগ সেতুর কয়েকটি পিলারের নিচ ও আশপাশের এলাকা থেকে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি অপসারণ করা হচ্ছে। বিষয়টি সামনে আসার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।

ঘটনাটি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীগঞ্জ এলাকায় ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে মাটি কেটে ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। তাদের দাবি, পিলারের আশপাশে গভীর গর্ত তৈরি হওয়ায় সেতুর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

আরও পড়ুন  বঙ্গোপসাগরে ধরা পড়ল বিরল ‘লাইন্ড সার্জনফিশ’

ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নথিপত্র তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থাপন করা না হওয়ায় প্রশাসন মাটি অপসারণের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি বিষয়টি রেলপথ মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

তবে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাদের মতে, সেতু নির্মাণের সময় কাজের সুবিধার জন্য জলাধার এলাকায় অস্থায়ীভাবে মাটি ও বালু ফেলে একটি প্রবেশপথ তৈরি করা হয়েছিল। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সেই ভরাটকৃত মাটি অপসারণ করা হচ্ছিল।

আরও পড়ুন  স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপির বড় সিদ্ধান্ত, একক প্রার্থী দেবে দল

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, এই কার্যক্রম পরিকল্পনার অংশ ছিল এবং এটি সেনাবাহিনী ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছিল। তাদের দাবি, মাটি অপসারণের কারণে সেতুর কোনো কাঠামোগত ক্ষতি হয়নি এবং ভবিষ্যতেও নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা নেই।

এদিকে প্রশাসন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই না হওয়া পর্যন্ত মাটি অপসারণ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ দূর করতে এবং প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে পদ্মা রেলসেতু মাটি কাটা ইস্যুতে প্রশাসন ও প্রকল্প কর্তৃপক্ষের পর্যবেক্ষণ চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন  বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় মাস্টার্স পরীক্ষা, ভিডিও ভাইরাল