ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আমাকে হাজতে ভরেন, আরিশাকে পানিতে চুবিয়ে মেরেছি’, বলে কিশোরীর আত্মসমর্পণ Logo চৌদ্দগ্রামে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ Logo ইরানের বিস্ফোরক হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা, বিশ্ববাজারে নতুন শঙ্কা Logo রাজনীতিতে নারীদের বড় বাধা সহিংসতা: বিআইজিডির চাঞ্চল্যকর তথ্য Logo কাবার গিলাফের নকশা: ইসলামী শিল্পের অসাধারণ সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য Logo মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় দুবাই ট্যুরিস্ট ভিসা পাওয়ার সুবিধা Logo যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাজি ধরলে পস্তাতে হবে না: বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয় পর্বে যুক্তরাষ্ট্র Logo ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস আগস্টে চালু, জানালেন সেতুমন্ত্রী Logo ৫টি গোপন কারণে ঘরোয়াভাবে সম্পন্ন হচ্ছে আমির খানের বিয়ে! Logo ৩টি বিস্ফোরক মন্তব্যে মুন্সিগঞ্জে জামায়াত ও বিএনপি সংঘাতের আভাস!

যে ৬ কারণে বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল

ব্রাজিল বিশ্বকাপ সম্ভাবনা

ব্রাজিল বিশ্বকাপের শুরুটা প্রত্যাশামতো করতে পারেনি। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতিকে হারিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেলেসাওরা। এরপর থেকেই ফুটবল বিশ্লেষক ও সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—এবার কি তবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছে ব্রাজিল?

ইতিহাস, কাকতালীয় কিছু ঘটনা, অভিজ্ঞ কোচ এবং ভারসাম্যপূর্ণ দল—সব মিলিয়ে ব্রাজিলকে নিয়ে আশাবাদী হওয়ার মতো বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যদিও এখনই তাদের সবচেয়ে বড় ফেভারিট বলা হচ্ছে না, তবে অনেকেই মনে করছেন এই অবস্থানই তাদের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে।

বিশ্বকাপের দীর্ঘ পথচলায় ব্রাজিল বারবার প্রমাণ করেছে যে বড় মঞ্চে তারা নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে পারে। এবারও সেই সম্ভাবনার পেছনে রয়েছে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

২৪ বছরের শিরোপা খরা ভাঙার তাড়না

ব্রাজিলের সর্বশেষ বিশ্বকাপ শিরোপা এসেছিল ২০০২ সালে। এরপর ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২—টানা পাঁচ আসরে ব্যর্থ হয়েছে তারা। ফলে শিরোপা খরা এখন ২৪ বছরে দাঁড়িয়েছে।

ইতিহাস বলছে, ব্রাজিল কখনোই ২৪ বছরের বেশি সময় বিশ্বকাপ জিততে ব্যর্থ হয়নি। ২০২৬ সালে যদি তারা আবারও ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই খরা ২৮ বছরে পৌঁছে যাবে।

এই পরিসংখ্যান দলটির ওপর বাড়তি মানসিক চাপ তৈরি করলেও সেটাই অনেক সময় অতিরিক্ত প্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়াতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পুরোনো স্মৃতি

১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। সেই আসরেই ব্রাজিল তাদের চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল।

৩২ বছর পর আবারও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। এবারও ব্রাজিল তাদের ম্যাচগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ভেন্যুতেই খেলবে।

এই কাকতালীয় মিল অনেক সমর্থকের কাছে নতুন আশার জন্ম দিয়েছে। অনেকে বিশ্বাস করছেন, একই মাটিতে আবারও ইতিহাস গড়তে পারে সেলেসাওরা।

তিন প্রজন্মের অসাধারণ সমন্বয়

বর্তমান ব্রাজিল দলকে অন্যতম ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড বলা হচ্ছে। কারণ এখানে অভিজ্ঞতা, পরিপক্বতা ও তারুণ্যের সুন্দর সমন্বয় রয়েছে।

নেইমার, ক্যাসিমিরো, দানিলো ও অ্যালেক্স সান্দ্রোর মতো অভিজ্ঞ ফুটবলাররা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অন্যদিকে অ্যালিসন, মারকিনিওস, ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও রাফিনহারা নিজেদের সেরা সময়ে রয়েছেন।

এছাড়া এন্ড্রিক, রায়ান, ইগর থিয়াগো ও কুনহার মতো তরুণ ফুটবলাররা দলকে বাড়তি শক্তি দিচ্ছেন। এই সমন্বয় দীর্ঘ টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ব্রাজিল বিশ্বকাপ সম্ভাবনা
যে ৬ কারণে বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল

আনচেলত্তির অভিজ্ঞতা হতে পারে বড় অস্ত্র

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল কোচ কার্লো আনচেলত্তির হাতেই এখন ব্রাজিলের দায়িত্ব। নকআউট টুর্নামেন্টে তার সাফল্যের ইতিহাস ঈর্ষণীয়।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পাঁচবার শিরোপা জয়ের পাশাপাশি ইউরোপের পাঁচটি শীর্ষ লিগেও ট্রফি জিতেছেন তিনি। চাপের ম্যাচ সামলানোর ব্যাপারে তার অভিজ্ঞতা অতুলনীয়।

এছাড়া ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও ক্যাসিমিরোর সঙ্গে তার আগের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে দ্রুত সেরাটা বের করে আনার সুযোগও বেশি।

ফেভারিটের চাপ না থাকাও ইতিবাচক

সাম্প্রতিক কয়েকটি বিশ্বকাপে ব্রাজিল অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশী হিসেবে মাঠে নেমেছিল। কিন্তু অতিরিক্ত প্রত্যাশার চাপ তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।

২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে সেই চাপ সামলাতে ব্যর্থ হয়েছিল সেলেসাওরা। তবে ইতিহাস অন্য একটি দিকও দেখাচ্ছে।

১৯৯৪ ও ২০০২ সালে তুলনামূলক কম আলোচনায় থেকেও ব্রাজিল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এবারও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে, যা তাদের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।

২০০২ সালের সঙ্গে রয়েছে বিস্ময়কর মিল

২০০২ সালের বিশ্বকাপের সঙ্গে ২০২৬ আসরের বেশ কিছু মিল খুঁজে পাচ্ছেন অনেক ফুটবল বিশ্লেষক। আর এই কাকতালীয় বিষয়গুলোই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

২০০২ সালে রোনালদো ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেছিলেন। এবারও দীর্ঘ সময় পর ইনজুরি থেকে ফিরে বিশ্বকাপ খেলছেন নেইমার।

এছাড়া খারাপ বাছাইপর্ব, কোপা আমেরিকায় হতাশাজনক পারফরম্যান্স এবং একাধিক কোচ পরিবর্তনের ঘটনাও দুই সময়ের মধ্যে আশ্চর্যজনক মিল তৈরি করেছে।

তবে বাস্তবতার পরীক্ষাও দিতে হবে ব্রাজিলকে

সব কাকতালীয় মিল ও ইতিবাচক দিক থাকা সত্ত্বেও মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ধারণ করবে। কারণ বিশ্বকাপে অতীতের ইতিহাস নয়, বর্তমানের ফুটবলই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।

ব্রাজিলের সামনে এখনও কঠিন সব প্রতিপক্ষ অপেক্ষা করছে। তাই আত্মবিশ্বাসের পাশাপাশি ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ধরে রাখাও হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে ইতিহাস, দলীয় ভারসাম্য এবং অভিজ্ঞ কোচিং স্টাফ বিবেচনায় নিলে, ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল যে ষষ্ঠ শিরোপার অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার—তা বলাই যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাকে হাজতে ভরেন, আরিশাকে পানিতে চুবিয়ে মেরেছি’, বলে কিশোরীর আত্মসমর্পণ

যে ৬ কারণে বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল

Update Time : ১০:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

ব্রাজিল বিশ্বকাপের শুরুটা প্রত্যাশামতো করতে পারেনি। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতিকে হারিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেলেসাওরা। এরপর থেকেই ফুটবল বিশ্লেষক ও সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—এবার কি তবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছে ব্রাজিল?

ইতিহাস, কাকতালীয় কিছু ঘটনা, অভিজ্ঞ কোচ এবং ভারসাম্যপূর্ণ দল—সব মিলিয়ে ব্রাজিলকে নিয়ে আশাবাদী হওয়ার মতো বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যদিও এখনই তাদের সবচেয়ে বড় ফেভারিট বলা হচ্ছে না, তবে অনেকেই মনে করছেন এই অবস্থানই তাদের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে।

বিশ্বকাপের দীর্ঘ পথচলায় ব্রাজিল বারবার প্রমাণ করেছে যে বড় মঞ্চে তারা নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে পারে। এবারও সেই সম্ভাবনার পেছনে রয়েছে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

২৪ বছরের শিরোপা খরা ভাঙার তাড়না

ব্রাজিলের সর্বশেষ বিশ্বকাপ শিরোপা এসেছিল ২০০২ সালে। এরপর ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২—টানা পাঁচ আসরে ব্যর্থ হয়েছে তারা। ফলে শিরোপা খরা এখন ২৪ বছরে দাঁড়িয়েছে।

ইতিহাস বলছে, ব্রাজিল কখনোই ২৪ বছরের বেশি সময় বিশ্বকাপ জিততে ব্যর্থ হয়নি। ২০২৬ সালে যদি তারা আবারও ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই খরা ২৮ বছরে পৌঁছে যাবে।

আরও পড়ুন  শততম ম্যাচে গোলের ঝলক, আল নাসর-এর জয়ে নায়ক রোনালদো

এই পরিসংখ্যান দলটির ওপর বাড়তি মানসিক চাপ তৈরি করলেও সেটাই অনেক সময় অতিরিক্ত প্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়াতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পুরোনো স্মৃতি

১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। সেই আসরেই ব্রাজিল তাদের চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল।

৩২ বছর পর আবারও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। এবারও ব্রাজিল তাদের ম্যাচগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ভেন্যুতেই খেলবে।

এই কাকতালীয় মিল অনেক সমর্থকের কাছে নতুন আশার জন্ম দিয়েছে। অনেকে বিশ্বাস করছেন, একই মাটিতে আবারও ইতিহাস গড়তে পারে সেলেসাওরা।

তিন প্রজন্মের অসাধারণ সমন্বয়

বর্তমান ব্রাজিল দলকে অন্যতম ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড বলা হচ্ছে। কারণ এখানে অভিজ্ঞতা, পরিপক্বতা ও তারুণ্যের সুন্দর সমন্বয় রয়েছে।

নেইমার, ক্যাসিমিরো, দানিলো ও অ্যালেক্স সান্দ্রোর মতো অভিজ্ঞ ফুটবলাররা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অন্যদিকে অ্যালিসন, মারকিনিওস, ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও রাফিনহারা নিজেদের সেরা সময়ে রয়েছেন।

এছাড়া এন্ড্রিক, রায়ান, ইগর থিয়াগো ও কুনহার মতো তরুণ ফুটবলাররা দলকে বাড়তি শক্তি দিচ্ছেন। এই সমন্বয় দীর্ঘ টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন  আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ র‌্যাঙ্কিং অভিশাপ: ইতিহাস কি এবার বদলাবে?
ব্রাজিল বিশ্বকাপ সম্ভাবনা
যে ৬ কারণে বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল

আনচেলত্তির অভিজ্ঞতা হতে পারে বড় অস্ত্র

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল কোচ কার্লো আনচেলত্তির হাতেই এখন ব্রাজিলের দায়িত্ব। নকআউট টুর্নামেন্টে তার সাফল্যের ইতিহাস ঈর্ষণীয়।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পাঁচবার শিরোপা জয়ের পাশাপাশি ইউরোপের পাঁচটি শীর্ষ লিগেও ট্রফি জিতেছেন তিনি। চাপের ম্যাচ সামলানোর ব্যাপারে তার অভিজ্ঞতা অতুলনীয়।

এছাড়া ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও ক্যাসিমিরোর সঙ্গে তার আগের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে দ্রুত সেরাটা বের করে আনার সুযোগও বেশি।

ফেভারিটের চাপ না থাকাও ইতিবাচক

সাম্প্রতিক কয়েকটি বিশ্বকাপে ব্রাজিল অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশী হিসেবে মাঠে নেমেছিল। কিন্তু অতিরিক্ত প্রত্যাশার চাপ তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।

২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে সেই চাপ সামলাতে ব্যর্থ হয়েছিল সেলেসাওরা। তবে ইতিহাস অন্য একটি দিকও দেখাচ্ছে।

১৯৯৪ ও ২০০২ সালে তুলনামূলক কম আলোচনায় থেকেও ব্রাজিল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এবারও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে, যা তাদের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।

আরও পড়ুন  মরক্কোর বিপক্ষে কেন ব্যর্থ ব্রাজিল? ৬ কারণ বিশ্লেষণ

২০০২ সালের সঙ্গে রয়েছে বিস্ময়কর মিল

২০০২ সালের বিশ্বকাপের সঙ্গে ২০২৬ আসরের বেশ কিছু মিল খুঁজে পাচ্ছেন অনেক ফুটবল বিশ্লেষক। আর এই কাকতালীয় বিষয়গুলোই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

২০০২ সালে রোনালদো ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেছিলেন। এবারও দীর্ঘ সময় পর ইনজুরি থেকে ফিরে বিশ্বকাপ খেলছেন নেইমার।

এছাড়া খারাপ বাছাইপর্ব, কোপা আমেরিকায় হতাশাজনক পারফরম্যান্স এবং একাধিক কোচ পরিবর্তনের ঘটনাও দুই সময়ের মধ্যে আশ্চর্যজনক মিল তৈরি করেছে।

তবে বাস্তবতার পরীক্ষাও দিতে হবে ব্রাজিলকে

সব কাকতালীয় মিল ও ইতিবাচক দিক থাকা সত্ত্বেও মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ধারণ করবে। কারণ বিশ্বকাপে অতীতের ইতিহাস নয়, বর্তমানের ফুটবলই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।

ব্রাজিলের সামনে এখনও কঠিন সব প্রতিপক্ষ অপেক্ষা করছে। তাই আত্মবিশ্বাসের পাশাপাশি ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ধরে রাখাও হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে ইতিহাস, দলীয় ভারসাম্য এবং অভিজ্ঞ কোচিং স্টাফ বিবেচনায় নিলে, ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল যে ষষ্ঠ শিরোপার অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার—তা বলাই যায়।