ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন এর জন্য প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় সকল অফিশিয়াল কার্যক্রম জোরদারভাবে গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন নাম চূড়ান্তকরণের ক্ষেত্রে স্থানীয় সাধারণ জনগণের সুচিন্তিত মতামত, এলাকার সুদীর্ঘ ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিচিতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে খুব শীঘ্রই পুনরায় উন্মুক্ত গণশুনানির আয়োজন করা হবে। জেলা প্রশাসনের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তা সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।
মূলত স্থানীয় দুটি ইউনিয়নের বর্তমান নাম প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির দুই সন্তানের নামের সাথে আংশিক সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা বিতর্ক ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এতে প্রতিমন্ত্রী নিজেও অত্যন্ত বিব্রত বোধ করেন এবং এই সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো ধরণের ভুল ব্যাখ্যা বা রাজনৈতিক অপপ্রচারের সুযোগ না থাকে, সেজন্য তিনি নিজেই জেলা প্রশাসককে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। এই পরিস্থিতি নিরসনে স্থানীয় সরকার বিভাগ এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এবং সামাজিক শান্তি বজায় রাখতে প্রশাসনের এই দ্রুত সিদ্ধান্ত সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে জানা গেছে। সঠিক সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করতে বাংলাদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছতার সাথে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হবে। জেলা প্রশাসনের এই সময়োপযোগী ও সংবেদনশীল উদ্যোগের ফলে স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে সচেতন মহলের সকল প্রকার বিতর্ক ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।


























