জ্বালানি তেলের দাম আবারও আলোচনায় এসেছে বিশ্ববাজারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাব্য আলোচনা সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। এতে স্বস্তির ইঙ্গিত পাচ্ছেন বৈশ্বিক বাজার বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, জুলাই মাসের ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ৩৬ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দামও কমে দাঁড়িয়েছে ৮৮ দশমিক ২৭ ডলারে। আগস্টের ব্রেন্ট ফিউচারেও দেখা গেছে দরপতনের প্রবণতা।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম কমার পেছনে বড় কারণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কিছুটা কমার সম্ভাবনা। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, সেটি কমতে শুরু করেছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
তবে এখনো এই চুক্তি পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেননি বলেও জানা গেছে। অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও জানিয়েছে, বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত এক সপ্তাহে ৮ শতাংশের বেশি কমেছে। গত সপ্তাহে যেখানে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০৯ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল, সেখানে এখন তা ৯৩ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক উত্তেজনা কমে গেলে আরও স্থিতিশীল হতে পারে তেলের বাজার।
অন্যদিকে তেলের দাম কমার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। কারণ জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে পরিবহন খরচ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পণ্যের বাজারমূল্যের। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে অনেক দেশই অর্থনৈতিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে।





























