ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছোট আঁচড়, বড় বিপদ! পোষা প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ঝুঁকি

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৫১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৯

পোষা প্রাণীর আঁচড় বা কামড়কে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

পোষা প্রাণীর সামান্য আঁচড় বা কামড়কেও অবহেলা করা উচিত নয়। দেখতে নিরীহ মনে হলেও কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড় বা আঁচড় থেকে ছড়াতে পারে প্রাণঘাতী জলাতঙ্ক (র‍্যাবিস)। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এই রোগের ঝুঁকি মারাত্মক হতে পারে।

জলাতঙ্ক একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা আক্রান্ত প্রাণীর লালার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। সাধারণত কুকুরের কামড় থেকেই এ রোগের সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। তবে বিড়াল, বানর, শিয়াল, বাদুড়সহ অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর মাধ্যমেও জলাতঙ্ক ছড়াতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রাণী কামড় দিলে বা আঁচড় দিলে প্রথমেই আক্রান্ত স্থান সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী র‍্যাবিস ভ্যাকসিন নিতে হবে।

অনেকেই পোষা প্রাণীকে ঘরের সদস্যের মতো মনে করে তাদের কামড় বা আঁচড়কে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু প্রাণীটি সুস্থ দেখালেও তার শরীরে জলাতঙ্কের ভাইরাস থাকতে পারে। তাই ঝুঁকি এড়াতে যেকোনো ধরনের কামড় বা আঁচড়ের পর সতর্ক হওয়া জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা জানান, জলাতঙ্কের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পর চিকিৎসা অনেক কঠিন হয়ে যায়। তাই আক্রান্ত হওয়ার পর দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। পোষা প্রাণীকে নিয়মিত টিকা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিশুরা অনেক সময় পোষা প্রাণীর সঙ্গে খেলাধুলার সময় অসাবধানতাবশত আঁচড় বা কামড়ের শিকার হয়। তাই অভিভাবকদের এ বিষয়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে এবং কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সচেতনতা ও সময়মতো টিকা গ্রহণের মাধ্যমে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই পোষা প্রাণীর প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট আঁচড়, বড় বিপদ! পোষা প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ঝুঁকি

Update Time : ১১:৫১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

পোষা প্রাণীর সামান্য আঁচড় বা কামড়কেও অবহেলা করা উচিত নয়। দেখতে নিরীহ মনে হলেও কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড় বা আঁচড় থেকে ছড়াতে পারে প্রাণঘাতী জলাতঙ্ক (র‍্যাবিস)। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এই রোগের ঝুঁকি মারাত্মক হতে পারে।

জলাতঙ্ক একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা আক্রান্ত প্রাণীর লালার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। সাধারণত কুকুরের কামড় থেকেই এ রোগের সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। তবে বিড়াল, বানর, শিয়াল, বাদুড়সহ অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর মাধ্যমেও জলাতঙ্ক ছড়াতে পারে।

আরও পড়ুন  ভুঁড়ি বাড়লে পুরুষদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে, জানুন কারণ ও প্রতিকার

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রাণী কামড় দিলে বা আঁচড় দিলে প্রথমেই আক্রান্ত স্থান সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী র‍্যাবিস ভ্যাকসিন নিতে হবে।

অনেকেই পোষা প্রাণীকে ঘরের সদস্যের মতো মনে করে তাদের কামড় বা আঁচড়কে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু প্রাণীটি সুস্থ দেখালেও তার শরীরে জলাতঙ্কের ভাইরাস থাকতে পারে। তাই ঝুঁকি এড়াতে যেকোনো ধরনের কামড় বা আঁচড়ের পর সতর্ক হওয়া জরুরি।

আরও পড়ুন  নাটোরে শুভসংঘের উদ্যোগে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

বিশেষজ্ঞরা জানান, জলাতঙ্কের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পর চিকিৎসা অনেক কঠিন হয়ে যায়। তাই আক্রান্ত হওয়ার পর দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। পোষা প্রাণীকে নিয়মিত টিকা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিশুরা অনেক সময় পোষা প্রাণীর সঙ্গে খেলাধুলার সময় অসাবধানতাবশত আঁচড় বা কামড়ের শিকার হয়। তাই অভিভাবকদের এ বিষয়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে এবং কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আরও পড়ুন  মাকড়সার কামড় কখন বিপজ্জনক

সচেতনতা ও সময়মতো টিকা গ্রহণের মাধ্যমে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই পোষা প্রাণীর প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।