মুক্তির এখনও প্রায় তিন মাস বাকি। এরই মধ্যে অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে মার্ভেলের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’।
উত্তর আমেরিকার বাজারে এখন পর্যন্ত সিনেমাটির প্রি-সেল থেকেই আয় হয়েছে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬০০ কোটি টাকা।
বাজার বিশ্লেষকদের তথ্য বলছে, অগ্রিম বিক্রি হওয়া টিকিটের ৭০ শতাংশেরও বেশি প্রিমিয়াম লার্জ-ফরম্যাট বা ‘ইনফিনিটি ভিশন’ স্ক্রিনের জন্য। বড় পর্দা ও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সিনেমাটির ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা উপভোগ করতেই দর্শকদের একটি বড় অংশ এসব প্রিমিয়াম স্ক্রিনের টিকিট বেছে নিচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চলতি বছরের বড়দিনের ছুটির মৌসুমে মুক্তি পাওয়ায় ‘ডুমসডে’-কে বক্স অফিসে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে। একই সময়ে প্রেক্ষাগৃহে আসছে ফরাসি-কানাডীয় নির্মাতা দ্যনি ভিলনভের ‘ডুন: পার্ট থ্রি’। ফলে ছুটির মৌসুমের বক্স অফিসে দুই সিনেমার মধ্যে জমজমাট লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, আইম্যাক্স স্ক্রিনে ‘ডুন: পার্ট থ্রি’ বড় ধরনের প্রভাব বিস্তার করতে পারে। অন্যদিকে অন্যান্য প্রিমিয়াম লার্জ-ফরম্যাট থিয়েটারে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক স্ক্রিন দখল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডিসেম্বরে ‘ডুমসডে’ মুক্তির আগে দর্শকদের গল্পের পটভূমি বুঝতে সহায়তা করতে ডিজনি প্লাসে ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা ও সিরিজের একটি বিশেষ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মার্ভেলের আগের ঘটনাগুলোর সঙ্গে নতুন সিনেমার যোগসূত্র বুঝতে দর্শকদের জন্য এটি বেশ সহায়ক হবে।
এ ছাড়া পুরোনো কাহিনি নতুন করে মনে করিয়ে দিতে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে ফিরছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম: এনকোর’। ২০১৯ সালের মূল সিনেমাটির সঙ্গে কিছু অতিরিক্ত দৃশ্য যুক্ত করে বিশেষ এই সংস্করণ তৈরি করা হয়েছে। ‘ডুমসডে’-র গল্পের সঙ্গে দর্শকদের সংযোগ আরও দৃঢ় করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য।


























