ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: প্রাইজমানি ১৫% বৃদ্ধি, দলগুলোর জন্য বড় স্বস্তি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ প্রাইজমানি বৃদ্ধি | ৮৭ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে FIFA। টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর আর্থিক চাপ কমাতে প্রাইজমানি ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপের মোট প্রাইজমানি দাঁড়িয়েছে ৮৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার ৬৯০ কোটি টাকার বেশি। এর আগে এই অঙ্ক ছিল ৭২ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—United States, Canada এবং Mexico—জুড়ে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে ভ্রমণ, আবাসন ও লজিস্টিকস ব্যয় অনেক বেশি হবে বলে আশঙ্কা করছিল বিভিন্ন দেশ। বিশেষ করে ইউরোপীয় কয়েকটি ফেডারেশন মনে করেছিল, গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিলে লোকসানের মুখে পড়তে হতে পারে।

এই উদ্বেগের প্রেক্ষিতে ফিফা অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী—

  • প্রস্তুতি বাবদ অর্থ বাড়িয়ে ১৫ লাখ ডলার থেকে ২৫ লাখ ডলার করা হয়েছে
  • বাছাইপর্ব সহায়তা ৯০ লাখ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি ডলার করা হয়েছে
  • ভ্রমণ, আবাসন ও টিকিট ভর্তুকি মিলিয়ে ১ কোটি ৬০ লাখ ডলারের বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ প্রাইজমানি
ফিফা কাউন্সিল সভায় ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ১৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়

ফিফা জানিয়েছে, দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণ ও ব্যয়বহুল আয়োজনের কারণে যে বাড়তি চাপ তৈরি হবে, এই অর্থ তা মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

ফিফা সভাপতি Gianni Infantino বলেন, সংস্থাটি বর্তমানে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানে রয়েছে এবং এই সক্ষমতা সদস্য দেশগুলোর উন্নয়নে কাজে লাগানো হচ্ছে।

তবে প্রাইজমানি বাড়লেও কিছু দেশের উদ্বেগ পুরোপুরি দূর হয়নি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, পারফরম্যান্সভিত্তিক বোনাস কাঠামোর কারণে গ্রুপ পর্বে বাদ পড়া দলগুলোর আর্থিক লাভ সীমিতই থাকতে পারে।

২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে, যা আগের আসরের তুলনায় ১৬ দল বেশি। ফলে প্রতিযোগিতা যেমন বাড়ছে, তেমনি ব্যয়ও বাড়ছে বহুগুণে—এই বাস্তবতায় ফিফার এই সিদ্ধান্তকে স্বস্তির বার্তা হিসেবেই দেখছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: প্রাইজমানি ১৫% বৃদ্ধি, দলগুলোর জন্য বড় স্বস্তি

Update Time : ০৯:৫৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে FIFA। টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর আর্থিক চাপ কমাতে প্রাইজমানি ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপের মোট প্রাইজমানি দাঁড়িয়েছে ৮৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার ৬৯০ কোটি টাকার বেশি। এর আগে এই অঙ্ক ছিল ৭২ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ড দলে চুরির ধাক্কা, আটক ২ জন

উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—United States, Canada এবং Mexico—জুড়ে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে ভ্রমণ, আবাসন ও লজিস্টিকস ব্যয় অনেক বেশি হবে বলে আশঙ্কা করছিল বিভিন্ন দেশ। বিশেষ করে ইউরোপীয় কয়েকটি ফেডারেশন মনে করেছিল, গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিলে লোকসানের মুখে পড়তে হতে পারে।

এই উদ্বেগের প্রেক্ষিতে ফিফা অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী—

  • প্রস্তুতি বাবদ অর্থ বাড়িয়ে ১৫ লাখ ডলার থেকে ২৫ লাখ ডলার করা হয়েছে
  • বাছাইপর্ব সহায়তা ৯০ লাখ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি ডলার করা হয়েছে
  • ভ্রমণ, আবাসন ও টিকিট ভর্তুকি মিলিয়ে ১ কোটি ৬০ লাখ ডলারের বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে
আরও পড়ুন  বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্রাজিল উন্মাদনা, মুগ্ধ ব্রাজিলের মিডিয়া
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ প্রাইজমানি
ফিফা কাউন্সিল সভায় ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ১৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়

ফিফা জানিয়েছে, দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণ ও ব্যয়বহুল আয়োজনের কারণে যে বাড়তি চাপ তৈরি হবে, এই অর্থ তা মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

ফিফা সভাপতি Gianni Infantino বলেন, সংস্থাটি বর্তমানে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানে রয়েছে এবং এই সক্ষমতা সদস্য দেশগুলোর উন্নয়নে কাজে লাগানো হচ্ছে।

তবে প্রাইজমানি বাড়লেও কিছু দেশের উদ্বেগ পুরোপুরি দূর হয়নি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, পারফরম্যান্সভিত্তিক বোনাস কাঠামোর কারণে গ্রুপ পর্বে বাদ পড়া দলগুলোর আর্থিক লাভ সীমিতই থাকতে পারে।

আরও পড়ুন  ইরানের অপেক্ষা বাড়াল ভিএআর, নকআউটে মিশর

২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে, যা আগের আসরের তুলনায় ১৬ দল বেশি। ফলে প্রতিযোগিতা যেমন বাড়ছে, তেমনি ব্যয়ও বাড়ছে বহুগুণে—এই বাস্তবতায় ফিফার এই সিদ্ধান্তকে স্বস্তির বার্তা হিসেবেই দেখছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো।