আরলিং হালান্ডের প্রতিশোধ বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ও নাটকীয় একটি অধ্যায়, যা একই সাথে ক্যারিয়ার ধ্বংসের এক নির্মম ট্র্যাজেডি এবং মাঠের ভেতরের নান্দনিকতায় মোড়ানো এক মধুর লড়াইয়ের গল্প।
এই ঐতিহাসিক কাহিনীর শুরু নরওয়েজিয়ান তারকা আরলিংয়ের বাবা আলফইঞ্জ হালান্ডকে দিয়ে, যিনি নটিংহ্যাম ফরেস্ট, লিডস ইউনাইটেড এবং ম্যানচেস্টার সিটির রক্ষণভাগে খেলা একজন অত্যন্ত লড়াকু পেশাদার ফুটবলার ছিলেন।
১৯৯৭ সালে বল দখলের লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি অধিনায়ক রয় কিন মারাত্মক চোটে পড়লে আলফইঞ্জ তাকে ভং না ধরে উঠে দাঁড়াতে বলায় কিন এটিকে ব্যক্তিগত অপমান হিসেবে নিয়ে চরম ক্ষোভে ফুঁসতে থাকেন।
ঠিক চার বছর পর ২০০১ সালের এপ্রিলে ওল্ড ট্রাফোর্ডের ডার্বি ম্যাচে রয় কিন বলের দিকে নজর না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে আলফইঞ্জের ডান হাঁটুতে একটি হিংস্র ও লাল কার্ড পাওয়ার মতো ট্যাকল করে তার ক্যারিয়ার চিরতরে শেষ করে দেন।
বাবার অকাল অবসরের সময় আরলিংয়ের বয়স মাত্র ৩ বছর থাকলেও তিনি বড় হয়ে ২০২২ সালে বাবার সাবেক ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিয়ে মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে এই অন্যায়ের জবাব দেওয়া শুরু করেন।
নিজের প্রথম ম্যানচেস্টার ডার্বিতেই দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে ইউনাইটেডকে একাই ধসিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, প্রিমিয়ার লিগ ও ট্রেবল জিতে ফুটবল বিশ্বের রাজমুকুট মাথায় পরে আরলিং হালান্ডের প্রতিশোধ পূর্ণ করেন।
























