ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজিএমইএ-এইচএসবিসি চুক্তি: নতুন বাজারে পোশাক রপ্তানির বড় সুযোগ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:০০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ৫৬৮

বিজিএমইএ ও এইচএসবিসির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত

বিজিএমইএ-এইচএসবিসি চুক্তি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য নতুন আন্তর্জাতিক বাজার তৈরির পথ খুলে দিতে যাচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার মধ্যে রপ্তানি বাড়াতে যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসি।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কেন্দ্র হংকংয়ে একটি আন্তর্জাতিক অ্যাপারেল রোডশো আয়োজন করা হবে। সেখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা, ব্র্যান্ড এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের সামনে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সক্ষমতা, বৈচিত্র্য ও উৎপাদন দক্ষতা তুলে ধরা হবে।

শুধু রোডশো নয়, দেশের অন্যতম বৃহৎ বস্ত্র প্রদর্শনী বাটেক্সপো-কেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে উপস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন ক্রেতা আকৃষ্ট করা এবং প্রচলিত বাজারের বাইরে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

রোববার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মাহবুব উর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি, পরিচালক, বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দুই পক্ষই বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের সঙ্গে এইচএসবিসির দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। সেই নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে হংকংয়ের অ্যাপারেল রোডশোতে এমন আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে, যারা এখনো বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পোশাক সংগ্রহ করছেন না। এতে দেশের রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

এইচএসবিসি বাংলাদেশের সিইও মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এই খাতের আরও বিস্তারের সুযোগ রয়েছে এবং সেই যাত্রায় এইচএসবিসি অংশীদার হতে চায়। একই সঙ্গে বৈশ্বিক ক্রেতাদের সোর্সিং প্রবণতা নিয়ে গবেষণা বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

বিজিএমইএ-এইচএসবিসি চুক্তি: নতুন বাজারে পোশাক রপ্তানির বড় সুযোগ

Update Time : ১২:০০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বিজিএমইএ-এইচএসবিসি চুক্তি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য নতুন আন্তর্জাতিক বাজার তৈরির পথ খুলে দিতে যাচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার মধ্যে রপ্তানি বাড়াতে যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসি।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কেন্দ্র হংকংয়ে একটি আন্তর্জাতিক অ্যাপারেল রোডশো আয়োজন করা হবে। সেখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা, ব্র্যান্ড এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের সামনে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সক্ষমতা, বৈচিত্র্য ও উৎপাদন দক্ষতা তুলে ধরা হবে।

আরও পড়ুন  দারুণ পরিকল্পনা: এলডিসি উত্তরণে ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার

শুধু রোডশো নয়, দেশের অন্যতম বৃহৎ বস্ত্র প্রদর্শনী বাটেক্সপো-কেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে উপস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন ক্রেতা আকৃষ্ট করা এবং প্রচলিত বাজারের বাইরে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

রোববার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মাহবুব উর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

আরও পড়ুন  জ্বালানি নিরাপত্তা: শক্তিশালী পরিকল্পনায় শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুতের আশ্বাস

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি, পরিচালক, বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দুই পক্ষই বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের সঙ্গে এইচএসবিসির দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। সেই নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে হংকংয়ের অ্যাপারেল রোডশোতে এমন আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে, যারা এখনো বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পোশাক সংগ্রহ করছেন না। এতে দেশের রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

আরও পড়ুন  ওয়ারেন বাফেটের অনুদান বন্ধ: এপস্টিন বিতর্কে বড় সিদ্ধান্ত

এইচএসবিসি বাংলাদেশের সিইও মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এই খাতের আরও বিস্তারের সুযোগ রয়েছে এবং সেই যাত্রায় এইচএসবিসি অংশীদার হতে চায়। একই সঙ্গে বৈশ্বিক ক্রেতাদের সোর্সিং প্রবণতা নিয়ে গবেষণা বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।