ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৩ নং বানিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা, মাঠে জমে থাকে হাঁটু পানি Logo ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা Logo জনসন চার্লসের নাটকীয় প্রত্যাবর্তন, ফিরেই জেতালেন দল Logo ভিসা বন্ড ব্যবস্থা পর্যালোচনা ও সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি Logo খালেদ আহমেদ ইংল্যান্ডের কাউন্টিতে, কেন্টে নতুন চ্যালেঞ্জ Logo হামজার অভিষেকে নাটকীয় জয়, শেফিল্ডের প্রথম তিন পয়েন্ট Logo তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে ত্রিবেদীর মন্তব্য Logo ইমামের চোট নিয়ে তদন্ত, বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত পাকিস্তানের Logo প্রিমিয়ার লিগ দলবদলে রেকর্ড, চমকপ্রদ ৩৪৬ কোটি পাউন্ড ব্যয় Logo পারেদেসের জাতীয় দল ছাড়ার ইঙ্গিত, মেসির বিদায়ের পর নতুন ধাক্কা

লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুতে বিপাকে ইউক্রেন

লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা। ছবি: সংগৃহীত

লিন্ডসে গ্রাহাম ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ইউক্রেনকে সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহায়তা দেওয়ার অন্যতম জোরালো সমর্থক। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ইউক্রেনের জন্য উন্নত অস্ত্র সরবরাহের পক্ষে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান নিয়েছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্রাহামের মৃত্যু ইউক্রেনপন্থী রিপাবলিকানদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইউক্রেন নীতি কেবল একজন সিনেটরের ওপর নির্ভর করে না; প্রেসিডেন্ট, কংগ্রেস এবং উভয় দলের সমর্থনের মতো আরও অনেক বিষয় এতে প্রভাব ফেলে।

২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচক হলেও পরে তিনি ট্রাম্পের অন্যতম ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগীতে পরিণত হন। ইউক্রেন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসন ও কিয়েভের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষায়ও তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন।

মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি ইউক্রেন সফর শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছিলেন। সফরের সময় তিনি ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা পরিদর্শন করেন এবং যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পশ্চিমা সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

গ্রাহামের মৃত্যুতে সিনেটে একটি আসন শূন্য হয়েছে। দক্ষিণ ক্যারোলিনার গভর্নর অস্থায়ীভাবে একজন সিনেটর নিয়োগ দেবেন এবং পরে বিশেষ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে। রাজ্যটি ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকান-প্রধান হওয়ায় সিনেটের দলীয় ভারসাম্যে তাৎক্ষণিক বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ বিভিন্ন বিশ্বনেতা তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তারা তাকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রভাবশালী কণ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ইউক্রেনের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হবে মার্কিন কংগ্রেসে এমন নতুন সমর্থক তৈরি করা, যারা সামরিক সহায়তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে মতভেদ থাকায় গ্রাহামের অনুপস্থিতি কিয়েভের জন্য কূটনৈতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শূন্যতা তৈরি করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৩ নং বানিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা, মাঠে জমে থাকে হাঁটু পানি

লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুতে বিপাকে ইউক্রেন

Update Time : ১০:৪১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

লিন্ডসে গ্রাহাম ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ইউক্রেনকে সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহায়তা দেওয়ার অন্যতম জোরালো সমর্থক। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ইউক্রেনের জন্য উন্নত অস্ত্র সরবরাহের পক্ষে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান নিয়েছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্রাহামের মৃত্যু ইউক্রেনপন্থী রিপাবলিকানদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইউক্রেন নীতি কেবল একজন সিনেটরের ওপর নির্ভর করে না; প্রেসিডেন্ট, কংগ্রেস এবং উভয় দলের সমর্থনের মতো আরও অনেক বিষয় এতে প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন  পাসপোর্ট একটি ‘ভ্রমণ নথি’, নাগরিকত্বের সনদ নয় : ভারত

২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচক হলেও পরে তিনি ট্রাম্পের অন্যতম ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগীতে পরিণত হন। ইউক্রেন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসন ও কিয়েভের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষায়ও তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন।

মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি ইউক্রেন সফর শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছিলেন। সফরের সময় তিনি ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা পরিদর্শন করেন এবং যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পশ্চিমা সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-ভারত নিবিড় যোগাযোগে সম্মত - জয়শঙ্কর-খলিলুর বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

গ্রাহামের মৃত্যুতে সিনেটে একটি আসন শূন্য হয়েছে। দক্ষিণ ক্যারোলিনার গভর্নর অস্থায়ীভাবে একজন সিনেটর নিয়োগ দেবেন এবং পরে বিশেষ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে। রাজ্যটি ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকান-প্রধান হওয়ায় সিনেটের দলীয় ভারসাম্যে তাৎক্ষণিক বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ বিভিন্ন বিশ্বনেতা তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তারা তাকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রভাবশালী কণ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন  মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন পেজেশকিয়ানের, সম্পর্ক গভীর করতে বড় বার্তা

ইউক্রেনের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হবে মার্কিন কংগ্রেসে এমন নতুন সমর্থক তৈরি করা, যারা সামরিক সহায়তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে মতভেদ থাকায় গ্রাহামের অনুপস্থিতি কিয়েভের জন্য কূটনৈতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শূন্যতা তৈরি করতে পারে।