ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রানওয়ে বাড়াতে সরছে ১৩৬ বছরের ঐতিহাসিক মসজিদ Logo ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী, কী আলোচনা? Logo বাড়ির পাশে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo ফাহমিদা নবীর নতুন গান: দুর্দান্ত চমক, ভাইরালের স্রোতে গা ভাসান না Logo লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুতে বিপাকে ইউক্রেন Logo নদীর পানি বাড়ছে, ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় বন্যার ঝুঁকিতে যেসব এলাকা Logo বৈশ্বিক প্রযুক্তিতে ভারতকে টেক্কা দেবে বাংলাদেশ Logo স্বাস্থ্যখাতে বড় পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী Logo শিক্ষার্থীকে দিয়ে এসএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়ন : সেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার Logo যে ৩ পানীয় ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক

লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুতে বিপাকে ইউক্রেন

লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা। ছবি: সংগৃহীত

লিন্ডসে গ্রাহাম ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ইউক্রেনকে সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহায়তা দেওয়ার অন্যতম জোরালো সমর্থক। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ইউক্রেনের জন্য উন্নত অস্ত্র সরবরাহের পক্ষে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান নিয়েছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্রাহামের মৃত্যু ইউক্রেনপন্থী রিপাবলিকানদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইউক্রেন নীতি কেবল একজন সিনেটরের ওপর নির্ভর করে না; প্রেসিডেন্ট, কংগ্রেস এবং উভয় দলের সমর্থনের মতো আরও অনেক বিষয় এতে প্রভাব ফেলে।

২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচক হলেও পরে তিনি ট্রাম্পের অন্যতম ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগীতে পরিণত হন। ইউক্রেন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসন ও কিয়েভের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষায়ও তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন।

মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি ইউক্রেন সফর শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছিলেন। সফরের সময় তিনি ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা পরিদর্শন করেন এবং যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পশ্চিমা সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

গ্রাহামের মৃত্যুতে সিনেটে একটি আসন শূন্য হয়েছে। দক্ষিণ ক্যারোলিনার গভর্নর অস্থায়ীভাবে একজন সিনেটর নিয়োগ দেবেন এবং পরে বিশেষ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে। রাজ্যটি ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকান-প্রধান হওয়ায় সিনেটের দলীয় ভারসাম্যে তাৎক্ষণিক বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ বিভিন্ন বিশ্বনেতা তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তারা তাকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রভাবশালী কণ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ইউক্রেনের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হবে মার্কিন কংগ্রেসে এমন নতুন সমর্থক তৈরি করা, যারা সামরিক সহায়তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে মতভেদ থাকায় গ্রাহামের অনুপস্থিতি কিয়েভের জন্য কূটনৈতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শূন্যতা তৈরি করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রানওয়ে বাড়াতে সরছে ১৩৬ বছরের ঐতিহাসিক মসজিদ

লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুতে বিপাকে ইউক্রেন

Update Time : ১০:৪১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

লিন্ডসে গ্রাহাম ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ইউক্রেনকে সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহায়তা দেওয়ার অন্যতম জোরালো সমর্থক। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ইউক্রেনের জন্য উন্নত অস্ত্র সরবরাহের পক্ষে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান নিয়েছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্রাহামের মৃত্যু ইউক্রেনপন্থী রিপাবলিকানদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইউক্রেন নীতি কেবল একজন সিনেটরের ওপর নির্ভর করে না; প্রেসিডেন্ট, কংগ্রেস এবং উভয় দলের সমর্থনের মতো আরও অনেক বিষয় এতে প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন  হাজার গোলের দ্বারপ্রান্তে রোনালদো, টানা জয়ে ইতিহাস গড়ল আল নাসর

২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচক হলেও পরে তিনি ট্রাম্পের অন্যতম ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগীতে পরিণত হন। ইউক্রেন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসন ও কিয়েভের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষায়ও তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন।

মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি ইউক্রেন সফর শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছিলেন। সফরের সময় তিনি ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা পরিদর্শন করেন এবং যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পশ্চিমা সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  নাসার আর্টেমিস-২ মিশন থেকে চাঁদের হাই-রেজোলিউশন ছবি প্রকাশ

গ্রাহামের মৃত্যুতে সিনেটে একটি আসন শূন্য হয়েছে। দক্ষিণ ক্যারোলিনার গভর্নর অস্থায়ীভাবে একজন সিনেটর নিয়োগ দেবেন এবং পরে বিশেষ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে। রাজ্যটি ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকান-প্রধান হওয়ায় সিনেটের দলীয় ভারসাম্যে তাৎক্ষণিক বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ বিভিন্ন বিশ্বনেতা তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তারা তাকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রভাবশালী কণ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন  প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা দুই বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস এমবাপ্পের

ইউক্রেনের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হবে মার্কিন কংগ্রেসে এমন নতুন সমর্থক তৈরি করা, যারা সামরিক সহায়তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে মতভেদ থাকায় গ্রাহামের অনুপস্থিতি কিয়েভের জন্য কূটনৈতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শূন্যতা তৈরি করতে পারে।