শরীফুল রাজ সুনেরাহ্ বন্ধুত্ব আবারও আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘদিন পর একই অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হয়ে পুরোনো দিনের মতো আড্ডায় মেতে উঠলেন এই দুই তারকা। রাজধানীতে আয়োজিত চরকি কার্নিভ্যালে তাঁদের আন্তরিক মুহূর্ত নজর কাড়ে উপস্থিত সবার। ছবি তুলতে প্রথমে আপত্তি জানালেও পরে বিষয়টি নিয়ে মজার মন্তব্য করেন দুজনই, যা মুহূর্তেই আলোচনার জন্ম দেয়।
রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত চরকি কার্নিভ্যালে শুক্রবার তাঁদের দেখা হয়। ব্যস্ত শিডিউলের কারণে অনেক দিন পর সামনাসামনি হওয়ার সুযোগ পান শরীফুল রাজ ও সুনেরাহ্ বিনতে কামাল। দূর থেকে বন্ধুকে দেখে ডাক দেন রাজ। এরপর শুরু হয় হাসি-আড্ডা। সেই সময় ক্যামেরাবন্দী হতে দেখে সুনেরাহ্ ছবি তুলতে না করলেও রাজ হেসে বলেন, “বন্ধুর সঙ্গে দেখা, ছবি তুলুন।”
শরীফুল রাজ বলেন, তাঁদের বন্ধুত্ব অনেক দিনের। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই একে অপরের পাশে ছিলেন এবং এখনও সেই সম্পর্ক অটুট রয়েছে। তিনি জানান, কাজের ব্যস্ততায় নিয়মিত দেখা না হলেও বন্ধুত্বে কোনো পরিবর্তন আসেনি। রাজের ভাষায়, সুনেরাহ্ সবসময় তাঁকে সমর্থন করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এই সুন্দর সম্পর্ক একইভাবে বজায় থাকুক, সেটিই তাঁর প্রত্যাশা।
অন্যদিকে সুনেরাহ্ বিনতে কামাল বলেন, তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে প্রায়ই নানা ধরনের আলোচনা হয়। তাই তিনি চান না অযথা গুঞ্জন তৈরি হোক। তবে পরে হাসতে হাসতেই বলেন, দুই বন্ধুর দেখা হওয়ার খবর লেখা যেতেই পারে। এমনকি সংবাদ প্রকাশের আগেই তিনি তাঁদের একসঙ্গে তোলা ছবি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করবেন বলেও মজা করেন। দুই তারকার এই স্বতঃস্ফূর্ত কথোপকথন অনুষ্ঠানে উপস্থিতদেরও আনন্দ দেয়।
শরীফুল রাজ ও সুনেরাহ্ প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করেন ‘ন ডরাই’ সিনেমায়, যা ২০১৯ সালে মুক্তি পায়। পরিচালক তানিম রহমান অংশুর এই সিনেমার প্রস্তুতির সময় থেকেই তাঁদের বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়। যদিও সুনেরাহ্ জানিয়েছেন, মডেলিংয়ের সময় থেকেই প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে তাঁদের পরিচয়। পরে সিনেমার কাজ করতে গিয়ে সেই পরিচয় দৃঢ় বন্ধুত্বে রূপ নেয়। বর্তমানে দুজনই নিজ নিজ ক্যারিয়ারে ব্যস্ত থাকলেও একে অপরের কাজ নিয়মিত অনুসরণ করেন।
বর্তমানে শরীফুল রাজ তাঁর সাম্প্রতিক কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অন্যদিকে সুনেরাহ্ বিনতে কামালও নাটক ও ওটিটি কনটেন্টে নিয়মিত কাজ করছেন। দীর্ঘদিন পর তাঁদের এই পুনর্মিলন ভক্তদের জন্য ছিল আনন্দের একটি মুহূর্ত। দুই তারকার বক্তব্যেও স্পষ্ট হয়েছে, সম্পর্কের ভিত্তি শুধুই আন্তরিক বন্ধুত্ব। ভবিষ্যতেও সেই বন্ধুত্ব একইভাবে অটুট থাকবে বলেই তাঁদের প্রত্যাশা।



























