ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

১৮ কোটি টাকার হাসপাতাল এখন শিয়ালের আবাসস্থল

১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতাল ভবন। ছবি: সংগৃহীত

২০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালটি দূর থেকে দেখলে মনে হবে একটি আধুনিক দৃষ্টিনন্দন স্বাস্থ্যকেন্দ্র। ভবনের ভেতরে এসি, দামি টেলিভিশনসহ সব ধরনের আসবাবপত্র থাকলেও বাস্তবে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে কোনো চিকিৎসাসেবা মিলছে না।

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের তালিয়া গ্রামে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করা হয়। ২.০৭৩ একর জমির ওপর নির্মিত হাসপাতালটির পুরো ভবন ও আবাসিক কোয়ার্টারগুলো এখন ঝোপঝাড়ে ঘেরা শিয়ালের আবাসে পরিণত হয়েছে।

নির্মাণকাজ শেষে ২০২১ সালের জুনে ভবনটি গাজীপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে প্রশাসনিক অনুমোদন মিললেও চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকটে আজ পর্যন্ত হাসপাতালের মূল ফটকের তালা খোলেনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালু না হওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। বিশেষ করে জরুরি মুহূর্তে মুমূর্ষু ও প্রসূতি রোগীদের নিয়ে দূর-দূরান্তে যেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানা রশীদ জানান, হাসপাতালের জন্য কয়েকজন কর্মী পদায়ন করা হলেও প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক কোড বা বাজেট বরাদ্দ না থাকায় চিকিৎসাসেবা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

গাজীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান জানান, বাজেট ও জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত সমস্যা সমাধান করে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা  চালুর চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি বাতিল, বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুখবর

১৮ কোটি টাকার হাসপাতাল এখন শিয়ালের আবাসস্থল

Update Time : ১০:০১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

২০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালটি দূর থেকে দেখলে মনে হবে একটি আধুনিক দৃষ্টিনন্দন স্বাস্থ্যকেন্দ্র। ভবনের ভেতরে এসি, দামি টেলিভিশনসহ সব ধরনের আসবাবপত্র থাকলেও বাস্তবে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে কোনো চিকিৎসাসেবা মিলছে না।

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের তালিয়া গ্রামে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করা হয়। ২.০৭৩ একর জমির ওপর নির্মিত হাসপাতালটির পুরো ভবন ও আবাসিক কোয়ার্টারগুলো এখন ঝোপঝাড়ে ঘেরা শিয়ালের আবাসে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন  চন্দনাইশে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

নির্মাণকাজ শেষে ২০২১ সালের জুনে ভবনটি গাজীপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে প্রশাসনিক অনুমোদন মিললেও চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকটে আজ পর্যন্ত হাসপাতালের মূল ফটকের তালা খোলেনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালু না হওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। বিশেষ করে জরুরি মুহূর্তে মুমূর্ষু ও প্রসূতি রোগীদের নিয়ে দূর-দূরান্তে যেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন  শহীদ মিনারে কারিনা কায়সারের জানাজা, রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানা রশীদ জানান, হাসপাতালের জন্য কয়েকজন কর্মী পদায়ন করা হলেও প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক কোড বা বাজেট বরাদ্দ না থাকায় চিকিৎসাসেবা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

গাজীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান জানান, বাজেট ও জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত সমস্যা সমাধান করে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা  চালুর চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন  মেটা পেইড সাবস্ক্রিপশন: ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে নতুন সুবিধা