যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙন এবার চরম ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে বগুড়ার ধুনট উপজেলায়। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও বিশেষ টিউব ফেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না এই নদী ভাঙন।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহড়াবাড়ি ঘাট এলাকায় তীর সংরক্ষণ কাজের ডাম্পিং অংশে নতুন করে ধস নেমেছে। গত তিন দিনে নদীপাড়ের প্রায় ১৫০ মিটার অংশ সম্পূর্ণ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে দেদারসে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশ ফাঁকা হয়ে গেছে। যার কারণে বর্ষায় পানি বৃদ্ধি পেতেই তীরবর্তী এলাকায় এমন ভয়াবহ বিপর্যয় ও ধস দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি যমুনায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শহড়াবাড়ি ও বানিয়াজান স্পারের মধ্যবর্তী স্থানে প্রবল স্রোত আঘাত হানছে। এতে জিও ব্যাগ দিয়ে সংরক্ষিত এলাকার প্রায় ৫৫ মিটার অংশসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
এদিকে নদী ভাঙনের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তার তৎপরতায় পানি উন্নয়ন বোর্ড বিশেষ নৌকার সাহায্যে নদী থেকে বালু এনে জিও ব্যাগ ও টিউব ডাম্পিংয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
বগুড়া পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক জানান, জরুরি ভিত্তিতে নদীর ভাঙন রোধে কাজ চলছে। এই বিশেষ টিউবগুলো ভাঙন ঠেকাতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে, তাই বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে তিনি দাবি করেন।
























