১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজ বন্ডের ১২৪তম ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে ৬ লাখ টাকা পেয়েছে ০৭৮৬৩৪৫ নম্বরের প্রাইজ বন্ড। দ্বিতীয় পুরস্কার ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা পেয়েছে ০৯১১৮২৯ নম্বরের প্রাইজ বন্ড।
রবিবার (২ আগস্ট) ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা-এর সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এ ড্র অনুষ্ঠিত হয়। ড্র পরিচালনায় অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ড্রয়ে তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে এক লাখ টাকা করে পেয়েছে ০৪৮৬১৮১ ও ০৭০০৭২৫ নম্বর। চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা করে পেয়েছে ০১০১৫৭১ ও ০৬৭৭৫৪৮ নম্বরের প্রাইজ বন্ড।
এ ছাড়া পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে ৪০টি নম্বর বিজয়ী হয়েছে। বিজয়ী নম্বরগুলো হলো— ০০৫০৪১৮, ০৩১১২০৩, ০৫৫৯৯৫৮, ০৭৬০৩৫৯, ০৯০০৭৮৮, ০১১৫১৮১, ০৩৯৩১৮৭, ০৫৮৮১৫৬, ০৭৭৫১৫২, ০৯১২২০৯, ০১৩৯৩৮, ০৪৫৪৮৯৪, ০৬০৫৯২৬, ০৮০৮৬৫১, ০৯২৪৬৫৬, ০১৪৬১২৭, ০৪৮৩৬৪৬, ০৬৫৪৪১৫, ০৮২৫৩৪৫, ০৯৪৬৫৬৩, ০১৫২৪৮০, ০৫০৫৯৭৬, ০৬৬৯০২১, ০৮৪২৯০৪, ০৯৫২৮২৭, ০১৮৫৬৪৮, ০৫৩৪৮১১, ০৭০৬১৭৮, ০৮৭০৪১৭, ০৯৬৭৪২০, ০২৯৩৫২৫, ০৫৪২৯৬২, ০৭৪০১৯৪, ০৮৭৮৪৪২, ০৯৭০৭৪৯, ০৩০৭৯০৯, ০৫৪৪৭০৭, ০৭৫৮৮৬৯, ০৮৯১২০৯ এবং ০৯৭৯০৪১।
প্রাইজ বন্ড হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি সঞ্চয়পত্রধর্মী বিনিয়োগ মাধ্যম, যা বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালনা করে। এতে নির্দিষ্ট সুদ দেওয়া হয় না। পরিবর্তে নির্দিষ্ট সময় পরপর লটারির (ড্র) মাধ্যমে বিজয়ীদের মধ্যে নগদ পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মূলধন অক্ষুণ্ণ থাকে এবং প্রয়োজন হলে প্রাইজ বন্ডের মূল্য ফেরত নেওয়া যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ড্রয়ের নির্ধারিত তারিখের ৬০ দিন আগে পর্যন্ত বিক্রি হওয়া ১০০ টাকা মূল্যমানের সব প্রাইজ বন্ড এ ড্রয়ের আওতায় এসেছে। এর পর বিক্রি হওয়া বন্ড পরবর্তী ড্রতে অন্তর্ভুক্ত হবে।
বিজয়ী প্রাইজ বন্ডধারীকে মূল প্রাইজ বন্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং প্রয়োজনীয় আবেদনপত্রসহ বাংলাদেশ ব্যাংক বা অনুমোদিত ব্যাংকের শাখায় আবেদন করতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে নিয়ম অনুযায়ী পুরস্কারের অর্থ পরিশোধ করা হবে।
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী, প্রাইজ বন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হবে। অর্থাৎ, পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ হাতে পাবেন।
ড্র ঘোষণার তারিখ থেকে দুই বছরের মধ্যে পুরস্কারের অর্থ দাবি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি না করলে পুরস্কারের অর্থ আর গ্রহণ করা যাবে না।
প্রাইজ বন্ডে বিনিয়োগের অন্যতম সুবিধা হলো মূলধন নিরাপদ থাকে এবং যেকোনো সময় বন্ড ভাঙিয়ে মূল মূল্য ফেরত নেওয়া যায়। পাশাপাশি ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে লাখ টাকার পুরস্কার জেতার সুযোগও থাকে। এ কারণে দেশে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রাইজ বন্ড জনপ্রিয় সঞ্চয় মাধ্যম হিসেবে পরিচিত।



























