দেশের সাত অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, এসব এলাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার হতে পারে। শনিবার ১৫ আগস্ট ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই সতর্কতা কার্যকর থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
যেসব এলাকায় ঝুঁকি বেশি: খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে এই দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। ফলে এসব অঞ্চলের বাসিন্দা এবং নদীপথে চলাচলকারীদের আবহাওয়ার পরিবর্তনের দিকে নজর রাখা জরুরি।
নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত: ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনার কারণে উল্লেখিত এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। নদীপথে যাত্রী ও নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে হঠাৎ বাতাসের গতি বেড়ে গেলে ছোট নৌযানে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
যাত্রীদের সতর্কতা: বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় নদীপথে যাত্রার আগে স্থানীয় আবহাওয়ার সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়া ভালো। বজ্রবৃষ্টি শুরু হলে খোলা নদী বা অনিরাপদ স্থানে অবস্থান না করাই নিরাপদ। নৌযান চালক ও যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কী বলছে বিজ্ঞপ্তি: আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হামিদ মিয়ার স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে সাত অঞ্চলের এই আবহাওয়ার পরিস্থিতির কথা জানানো হয়েছে। বর্ষাকালে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বৃষ্টি কম থাকলেও দমকা বাতাস ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনাকে হালকাভাবে না নেওয়াই ভালো।
বৃষ্টির পূর্বাভাসকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট সাত অঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীবন্দর, নৌযান ও খোলা জায়গায় থাকা ব্যক্তিদের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। আবহাওয়া পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে নতুন সতর্কবার্তা আসতে পারে, তাই আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ আপডেট অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।




























