আসমানের দরজা খোলার দোয়া হিসেবে খ্যাত বিশেষ কালামটি মুমিনের জীবনে পরম রহমত ও বরকত নিয়ে আসে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জামানায় সালাতের মধ্যে এক সাহাবির পঠিত জিকিরে আসমানের দরজাসমূহ উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার চমৎকার ঘটনা ঘটেছিল।
হাদিসে এসেছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, এক সাহাবি নামাজে বলেন— ‘اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلاً’ (উচ্চারণ: আল্লাহু আকবারু কাবিরা, ওয়ালহামদু লিল্লাহি কাছিরা, ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতাও ওয়া আসিলা)।
অর্থ: ‘আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, মহান। সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য অগণিত প্রশংসা। আর সকাল-সন্ধ্যায় আমি আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি।’ নামাজ শেষে মহানবী (সা.) এই বাক্যগুলোর সুবাদে আসমানের দরজা খুলে যাওয়ার সুসংবাদ দেন।
পবিত্র কোরআনের সুরা গাফিরে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি সাড়া দেব।’ তাছাড়া সুনান আবু দাউদের হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘দোয়াই হলো আসল ইবাদত।’
দোয়ার মাধ্যমে মানুষ নিজের অহংকার ভুলে পরম করুণাময়ের ওপর আস্থাশীল হয়।
সংকট কিংবা স্বাভাবিক পরিস্থিতি—যেকোনো অবস্থায় আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়াই মুমিনের পরিচয়। নিয়মিত আসমানের দরজা খোলার দোয়া ও ইবাদতের চর্চা মানুষের আত্মাকে পরম শান্তিতে ভরিয়ে দেয়।


























