ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রবিউল আউয়াল মাসের বিশেষ ৪ মর্যাদা

পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসে নবীজির সুন্নাহ চর্চার মুহূর্ত। | ছবি: সংগৃহীত

রবিউল আউয়াল মাস মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে এক বিশেষ আবেগময় বার্তা নিয়ে উপস্থিত হয়। এই পবিত্র মৌসুমে আখিরাতের পথপ্রদর্শক হযরত মুহাম্মদ (সা.) পৃথিবীতে শুভ আগমন করেছিলেন। একই সাথে চল্লিশ বছর বয়সে জগৎশুদ্ধির মহান দায়িত্ব বা রেসালত সোপর্দ করা হয়েছিল এই বরকতময় মাসেই।

ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বজনীন রহমত বিকাশের মূল সূচনা হয়েছিল এই সময়েই। তাই এই মোবারক ক্ষণে বিশ্বজুড়ে মুমিন মুসলমানদের অন্তরে প্রিয় নবীজি (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার সুবাতাস বইতে শুরু করে এবং তারা আনন্দের বার্তা অনুভব করেন।

আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে প্রেরিত সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামতের স্মরণে আনন্দিত হওয়া এবং খুশি প্রকাশ করা মানুষের একটি স্বভাবজাত দিক। ইসলামী শরিয়তও আল্লাহর বিশেষ নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করাকে উৎসাহিত করেছে, যা বান্দার বিশ্বাস ও ঈমানকে আরও মজবুত করে তোলে।

তবে এই আনন্দের ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্ধারিত সীমারেখা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। অনৈসলামিক কুসংস্কার বা বাড়াবাড়ি এড়িয়ে বিশুদ্ধ নিয়তে আনন্দ প্রকাশ ও নবীজির সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমেই রবিউল আউয়াল মাস-এর প্রকৃত হক ও মর্যাদা আদায় করা সম্ভব।

মূলত এই পুণ্যময় সময়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সার্বিক জীবন ও আদর্শকে নিজের জীবনে পুনরুজ্জীবিত করার সংকল্প নেওয়া প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব। সিরাত চর্চা, দান-সদকা এবং বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠের মাধ্যমে এই দিনগুলোর পবিত্রতা ও তাৎপর্য বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রবিউল আউয়াল মাসের বিশেষ ৪ মর্যাদা

Update Time : ০৭:১১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

রবিউল আউয়াল মাস মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে এক বিশেষ আবেগময় বার্তা নিয়ে উপস্থিত হয়। এই পবিত্র মৌসুমে আখিরাতের পথপ্রদর্শক হযরত মুহাম্মদ (সা.) পৃথিবীতে শুভ আগমন করেছিলেন। একই সাথে চল্লিশ বছর বয়সে জগৎশুদ্ধির মহান দায়িত্ব বা রেসালত সোপর্দ করা হয়েছিল এই বরকতময় মাসেই।

ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বজনীন রহমত বিকাশের মূল সূচনা হয়েছিল এই সময়েই। তাই এই মোবারক ক্ষণে বিশ্বজুড়ে মুমিন মুসলমানদের অন্তরে প্রিয় নবীজি (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার সুবাতাস বইতে শুরু করে এবং তারা আনন্দের বার্তা অনুভব করেন।

আরও পড়ুন  'ভেঙে পড়ো না, নিরাশ হয়ো না, সাহায্য আসবেই, এটা আল্লাহর ওয়াদা'-সূরা বাকারা; আয়াত- ২১৪

আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে প্রেরিত সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামতের স্মরণে আনন্দিত হওয়া এবং খুশি প্রকাশ করা মানুষের একটি স্বভাবজাত দিক। ইসলামী শরিয়তও আল্লাহর বিশেষ নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করাকে উৎসাহিত করেছে, যা বান্দার বিশ্বাস ও ঈমানকে আরও মজবুত করে তোলে।

তবে এই আনন্দের ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্ধারিত সীমারেখা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। অনৈসলামিক কুসংস্কার বা বাড়াবাড়ি এড়িয়ে বিশুদ্ধ নিয়তে আনন্দ প্রকাশ ও নবীজির সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমেই রবিউল আউয়াল মাস-এর প্রকৃত হক ও মর্যাদা আদায় করা সম্ভব।

আরও পড়ুন  গিবত কেন বড় গুনাহ? বাঁচার ৭টি ইসলামী উপায়

মূলত এই পুণ্যময় সময়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সার্বিক জীবন ও আদর্শকে নিজের জীবনে পুনরুজ্জীবিত করার সংকল্প নেওয়া প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব। সিরাত চর্চা, দান-সদকা এবং বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠের মাধ্যমে এই দিনগুলোর পবিত্রতা ও তাৎপর্য বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।