ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং ডলার আরও শক্তিশালী অবস্থানে গেছে। তবে এর বিপরীতে স্বর্ণের বাজারে দেখা যাচ্ছে বড় ধরনের পতন, যা বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ১৫ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এসময় প্রতি আউন্স স্বর্ণের মূল্য ৩ দশমিক ৬ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৪ হাজার ৫৮৭ ডলারের কিছু বেশি পর্যায়ে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসও ৪ শতাংশের বেশি কমে প্রায় ৪ হাজার ৬১৩ ডলারে দাঁড়ায়।
সম্প্রতি এক টেলিভিশন ভাষণে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান সফলতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। যদিও তিনি যুদ্ধ শেষ হওয়ার নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করেননি, তার এই বক্তব্যের পরপরই জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় এবং তেলের দাম বাড়তে শুরু করে।
বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম বাড়ার ফলে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার কমানোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে। আর উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের জন্য নেতিবাচক, কারণ স্বর্ণ থেকে সরাসরি কোনো সুদ পাওয়া যায় না।
এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়াম—সবগুলোর দামেই উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে।
বাংলাদেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বর্তমানে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।




























