ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নেত্রকোনায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৫১৯

নেত্রকোনায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তারের ঘটনায় বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আয়ান কান্তি রায়কে আটক করে।

আটক আয়ান কান্তি রায় বারহাট্টা উপজেলার পাঁচরুহী শেখপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গাজীপুরের একটি কারখানায় কাজ করতেন। সোমবার রাতে নেত্রকোনা পৌর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে বারহাট্টা থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আয়ান কান্তি রায়ের একটি ফেসবুক পোস্ট মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয় এবং অভিযুক্তের গ্রেপ্তারের দাবি ওঠে।

ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় তৌহিদী জনতা ও ইসলামিক বক্তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। পরে তারা বারহাট্টা থানার সামনে জড়ো হয়ে দ্রুত আইনি পদক্ষেপের দাবি জানান। একই অভিযোগে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নেতা গাজী মোহাম্মদ আবদুর রহিম রুহি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আয়ান কান্তি রায় একটি ভিডিও বার্তায় দাবি করেন, তিনি না বুঝেই অন্য একজনের পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি নিঃশর্ত ক্ষমাও প্রার্থনা করেন।

বারহাট্টা উপজেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন বাক্কী বলেন, পোস্টে থাকা আপত্তিকর মন্তব্য ও ছবি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা শান্তিপূর্ণভাবে অভিযুক্তের গ্রেপ্তার দাবি করেছেন।

বারহাট্টা থানার ওসি চম্পক দাম জানান, বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টকে কেন্দ্র করে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগ নেতা বিএনপিতে যোগদান

নেত্রকোনায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

Update Time : ১১:০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

নেত্রকোনায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আয়ান কান্তি রায়কে আটক করে।

আটক আয়ান কান্তি রায় বারহাট্টা উপজেলার পাঁচরুহী শেখপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গাজীপুরের একটি কারখানায় কাজ করতেন। সোমবার রাতে নেত্রকোনা পৌর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে বারহাট্টা থানা পুলিশ।

আরও পড়ুন  রাবি ক্যাম্পাসে মাটির নিচে পুরনো বিস্ফোরক, পুলিশের তৎপরতায় নিস্ক্রিয়

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আয়ান কান্তি রায়ের একটি ফেসবুক পোস্ট মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয় এবং অভিযুক্তের গ্রেপ্তারের দাবি ওঠে।

ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় তৌহিদী জনতা ও ইসলামিক বক্তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। পরে তারা বারহাট্টা থানার সামনে জড়ো হয়ে দ্রুত আইনি পদক্ষেপের দাবি জানান। একই অভিযোগে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নেতা গাজী মোহাম্মদ আবদুর রহিম রুহি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

আরও পড়ুন  নেত্রকোনায় ৬ ড্রাম জ্বালানি তেল জব্দ: যুবককে ১০ দিনের কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আয়ান কান্তি রায় একটি ভিডিও বার্তায় দাবি করেন, তিনি না বুঝেই অন্য একজনের পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি নিঃশর্ত ক্ষমাও প্রার্থনা করেন।

বারহাট্টা উপজেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন বাক্কী বলেন, পোস্টে থাকা আপত্তিকর মন্তব্য ও ছবি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা শান্তিপূর্ণভাবে অভিযুক্তের গ্রেপ্তার দাবি করেছেন।

আরও পড়ুন  গ্রীষ্মে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজন সচেতনতা, কোন শারীরিক সমস্যায় কোন ফল এড়িয়ে চলবেন

বারহাট্টা থানার ওসি চম্পক দাম জানান, বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টকে কেন্দ্র করে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হবে।