বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, খুরশিদ আলমের স্ত্রীর প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপি থাকলেও তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। ফলে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনে আইনগত কোনো বাধা নেই।
খুরশিদ আলম ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনে তার স্ত্রীর ঋণ খেলাপি হওয়ার বিষয়টি কোনো বাধা নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে খুরশিদ আলমের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই।
২০১৬ সালে এসএমই অর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় একটি প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ঋণ নেয়। প্রতিষ্ঠানটির একজন পরিচালক খুরশিদ আলমের স্ত্রী আফরোজা আক্তার হলেও বর্তমানে ওই ঋণের বকেয়া বেড়ে ৩ কোটির বেশি হয়েছে এবং তা খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত হয়েছে।
নথি অনুযায়ী, আফরোজা আক্তার এগ্রোক্রপ লিমিটেডের ১৬ শতাংশ শেয়ারের মালিক। প্রতিষ্ঠানটির ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংকে মোট ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা খেলাপি অবস্থায় রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বিদ্যমান আইনে কোনো ব্যক্তির স্ত্রীর ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে তার ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা পরিচালক হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নেই। তবে কেউ যদি ওই ঋণের গ্যারান্টর হন, তাহলে আইনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে। সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে খুরশিদ আলমের নিয়োগ নিয়ে ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।



















