ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চন্দনাইশে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বৈলতলী’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন Logo চন্দনাইশে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রওশনহাট’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন Logo বাংলাদেশের এলএনজি বাজারে এবার রাশিয়ার আগ্রহ, সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-চীন Logo তিন মাসেও বোর্ড নেই, কমছে আমানত, ইসলামী ব্যাংকের সামনে বড় সংকট Logo জবিতে সংঘর্ষ ও রিকশাচালককে মারধরের প্রতিবাদ ছাত্র ফ্রন্টের Logo ট্রাম্প-শির বৈঠকে বাণিজ্য, এআই ও বিরল খনিজ নিয়ে আলোচনা Logo ঢাবিতে অপ্রতিম-আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল Logo চন্দনাইশে বসতভিটার বিরোধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ Logo চন্দনাইশে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ মাদকসেবী গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড Logo ওয়ান হেলথ: পরিবেশ-জনস্বাস্থ্য সমন্বয়ে মন্ত্রীর বার্তা

মহররমে কয়টা রোজা রাখা যায়?

মহররম মাসে রোজার গুরুত্ব | ছবি: সংগৃহীত

মহররম রোজা ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নফল ইবাদত। মহররম রোজা শুধু একটি আমল নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি, গুনাহ মাফ এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। ইসলামিক হিজরি ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস মহররম হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।

মহররম মাসে নির্দিষ্ট সংখ্যক রোজা বাধ্যতামূলক নয়, তবে হাদিস অনুযায়ী এই মাসে রোজা রাখা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। বিশেষ করে ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা উত্তম। শুধুমাত্র ১০ মহররমের রোজাও রাখা যায়, যা আশুরার দিন হিসেবে পরিচিত।

আশুরার দিন অর্থাৎ (Ashura) ইসলামে বিশেষ মর্যাদা রাখে। হাদিসে এসেছে, এই দিনে রোজা রাখলে পূর্ববর্তী এক বছরের ছোট গুনাহসমূহ মাফ হয়ে যায়। তাই মুসলমানদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

মহররম রোজা রাখার মাধ্যমে একজন মুসলিম আত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারে। এই রোজা শুধু ক্ষুধা ও পিপাসা থেকে বিরত থাকার নাম নয়, বরং এটি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার একটি মাধ্যম। তাই অনেক আলেম এই মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখার উৎসাহ দেন।

মহররম মাসকে আল্লাহর মাস বলা হয়, যা হাদিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। এই মাসে ইবাদতের সওয়াব অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই মুসলমানরা এই মাসে বেশি দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত এবং নফল রোজা পালন করে থাকেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দনাইশে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বৈলতলী’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

মহররমে কয়টা রোজা রাখা যায়?

Update Time : ০৮:৪১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

মহররম রোজা ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নফল ইবাদত। মহররম রোজা শুধু একটি আমল নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি, গুনাহ মাফ এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। ইসলামিক হিজরি ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস মহররম হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।

মহররম মাসে নির্দিষ্ট সংখ্যক রোজা বাধ্যতামূলক নয়, তবে হাদিস অনুযায়ী এই মাসে রোজা রাখা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। বিশেষ করে ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা উত্তম। শুধুমাত্র ১০ মহররমের রোজাও রাখা যায়, যা আশুরার দিন হিসেবে পরিচিত।

আরও পড়ুন  কাবা শরিফ ধোয়ার ঐতিহ্যবাহী উৎসব: ৩০ জুনের পবিত্র আয়োজন

আশুরার দিন অর্থাৎ (Ashura) ইসলামে বিশেষ মর্যাদা রাখে। হাদিসে এসেছে, এই দিনে রোজা রাখলে পূর্ববর্তী এক বছরের ছোট গুনাহসমূহ মাফ হয়ে যায়। তাই মুসলমানদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

মহররম রোজা রাখার মাধ্যমে একজন মুসলিম আত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারে। এই রোজা শুধু ক্ষুধা ও পিপাসা থেকে বিরত থাকার নাম নয়, বরং এটি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার একটি মাধ্যম। তাই অনেক আলেম এই মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখার উৎসাহ দেন।

আরও পড়ুন  আগামী ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

মহররম মাসকে আল্লাহর মাস বলা হয়, যা হাদিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। এই মাসে ইবাদতের সওয়াব অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই মুসলমানরা এই মাসে বেশি দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত এবং নফল রোজা পালন করে থাকেন।