ঢাকা ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহররমে কয়টা রোজা রাখা যায়?

মহররম মাসে রোজার গুরুত্ব | ছবি: সংগৃহীত

মহররম রোজা ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নফল ইবাদত। মহররম রোজা শুধু একটি আমল নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি, গুনাহ মাফ এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। ইসলামিক হিজরি ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস মহররম হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।

মহররম মাসে নির্দিষ্ট সংখ্যক রোজা বাধ্যতামূলক নয়, তবে হাদিস অনুযায়ী এই মাসে রোজা রাখা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। বিশেষ করে ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা উত্তম। শুধুমাত্র ১০ মহররমের রোজাও রাখা যায়, যা আশুরার দিন হিসেবে পরিচিত।

আশুরার দিন অর্থাৎ (Ashura) ইসলামে বিশেষ মর্যাদা রাখে। হাদিসে এসেছে, এই দিনে রোজা রাখলে পূর্ববর্তী এক বছরের ছোট গুনাহসমূহ মাফ হয়ে যায়। তাই মুসলমানদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

মহররম রোজা রাখার মাধ্যমে একজন মুসলিম আত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারে। এই রোজা শুধু ক্ষুধা ও পিপাসা থেকে বিরত থাকার নাম নয়, বরং এটি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার একটি মাধ্যম। তাই অনেক আলেম এই মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখার উৎসাহ দেন।

মহররম মাসকে আল্লাহর মাস বলা হয়, যা হাদিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। এই মাসে ইবাদতের সওয়াব অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই মুসলমানরা এই মাসে বেশি দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত এবং নফল রোজা পালন করে থাকেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহররমে কয়টা রোজা রাখা যায়?

Update Time : ০৮:৪১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

মহররম রোজা ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নফল ইবাদত। মহররম রোজা শুধু একটি আমল নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি, গুনাহ মাফ এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। ইসলামিক হিজরি ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস মহররম হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।

মহররম মাসে নির্দিষ্ট সংখ্যক রোজা বাধ্যতামূলক নয়, তবে হাদিস অনুযায়ী এই মাসে রোজা রাখা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। বিশেষ করে ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা উত্তম। শুধুমাত্র ১০ মহররমের রোজাও রাখা যায়, যা আশুরার দিন হিসেবে পরিচিত।

আরও পড়ুন  চিকিৎসাসেবায় সাত নারী সাহাবির অসামান্য অবদান

আশুরার দিন অর্থাৎ (Ashura) ইসলামে বিশেষ মর্যাদা রাখে। হাদিসে এসেছে, এই দিনে রোজা রাখলে পূর্ববর্তী এক বছরের ছোট গুনাহসমূহ মাফ হয়ে যায়। তাই মুসলমানদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

মহররম রোজা রাখার মাধ্যমে একজন মুসলিম আত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারে। এই রোজা শুধু ক্ষুধা ও পিপাসা থেকে বিরত থাকার নাম নয়, বরং এটি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার একটি মাধ্যম। তাই অনেক আলেম এই মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখার উৎসাহ দেন।

আরও পড়ুন  ইসলাম কী বলে, স্ত্রীর টাকা-কার অধিকার?

মহররম মাসকে আল্লাহর মাস বলা হয়, যা হাদিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। এই মাসে ইবাদতের সওয়াব অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই মুসলমানরা এই মাসে বেশি দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত এবং নফল রোজা পালন করে থাকেন।