ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা ১০ গোল, যা আজও রোমাঞ্চ ছড়ায় Logo ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি বদলের গল্প, জানুন অজানা ইতিহাস Logo ফ্রান্সই সেরা দল, হারের পর সুইডেন কোচের স্বীকারোক্তি Logo দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়ে দুর্ঘটনা নিয়ে আকর্ষণীয় যে তথ্য জানাল পুলিশ Logo বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার পেছনে আকর্ষণীয় যে কারণ প্রকাশ পেল Logo আজকের নামাজের সময়সূচি Logo সৌদি ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন এর বিশেষ সুযোগের মেয়াদ বাড়ল ২০২৬ পর্যন্ত Logo মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল চালুর দাবিতে ক্ষোভ: ১৭ কোটির ভবন এখন জঙ্গলবাড়ি Logo ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে ট্রাম্পের ১ বিলিয়নেরও বেশি ডলার আয় Logo বুধবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ: কেনাকাটার আগে জেনে নিন পুরো তালিক

মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল চালুর দাবিতে ক্ষোভ: ১৭ কোটির ভবন এখন জঙ্গলবাড়ি

চিকিৎসাসামগ্রী ও শয্যাহীন মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল।ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল ১৭ কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হলেও পাঁচ বছর ধরে পূর্ণাঙ্গ সেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। পিরোজপুর জেলা তথ্য বাতায়ন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে উদ্বোধনের পর থেকে ভবনটি চিকিৎসকের অভাবে কার্যত অচল ও পরিত্যক্ত পড়ে আছে।

বর্তমানে মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল এর প্রধান ফটক খোলা থাকলেও ভেতরে কোনো শয্যা, এক্স-রে বা ইসিজি মেশিনের মতো প্রয়োজনীয় আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অস্তিত্ব দেখা যায়নি। দুটি বিশাল স্টাফ কোয়ার্টারসহ হাসপাতালের মূল চিকিৎসাকেন্দ্রটি এখন উপযুক্ত তদারকি ও ব্যবহারের অভাবে স্থানীয়দের কাছে কেবলই একটি জঙ্গলবাড়িতে পরিণত হয়েছে।

অনুমোদিত জনবলের তালিকায় চারজন জুনিয়র কনসালট্যান্টসহ গুরুত্বপূর্ণ পদের উল্লেখ থাকলেও মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল এর অধিকাংশ পদই বছরের পর বছর ধরে সম্পূর্ণ শূন্য রয়েছে। জনবল সংকটের কারণে কোটি কোটি টাকার এই সরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে।

দুর্ভোগের শিকার স্থানীয় বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে সামান্য চিকিৎসার জন্য দূরবর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা বরিশাল সদর হাসপাতালে ছুটছেন, যা তাদের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এলাকাবাসীর তীব্র দাবি, মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল টি যেন দ্রুত প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও চিকিৎসক নিয়োগের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাকেন্দ্রে রূপান্তর করা হয়।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সৌমিত্র সিনহা জানান, মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল এর অর্থনৈতিক কোড এখনও চালু না হওয়ায় এবং তীব্র লোকবল সংকটে পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে মাত্র দুজন চিকিৎসক ও তিনজন নার্সের সহায়তায় অত্যন্ত সীমিত পরিসরে কেবল প্রাথমিক জরুরি চিকিৎসাসেবা ও বিনামূল্যে কিছু ওষুধ বিতরণ চলছে।

সরকারি অর্থায়নে নির্মিত মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল এর এই বেহাল দশা দূর করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী মহল। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে এই বিশাল স্বাস্থ্য অবকাঠামোটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে এবং গ্রামীণ জনপদের হাজারো মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে।

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা ১০ গোল, যা আজও রোমাঞ্চ ছড়ায়

মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল চালুর দাবিতে ক্ষোভ: ১৭ কোটির ভবন এখন জঙ্গলবাড়ি

Update Time : ০৯:১৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল ১৭ কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হলেও পাঁচ বছর ধরে পূর্ণাঙ্গ সেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। পিরোজপুর জেলা তথ্য বাতায়ন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে উদ্বোধনের পর থেকে ভবনটি চিকিৎসকের অভাবে কার্যত অচল ও পরিত্যক্ত পড়ে আছে।

বর্তমানে মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল এর প্রধান ফটক খোলা থাকলেও ভেতরে কোনো শয্যা, এক্স-রে বা ইসিজি মেশিনের মতো প্রয়োজনীয় আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অস্তিত্ব দেখা যায়নি। দুটি বিশাল স্টাফ কোয়ার্টারসহ হাসপাতালের মূল চিকিৎসাকেন্দ্রটি এখন উপযুক্ত তদারকি ও ব্যবহারের অভাবে স্থানীয়দের কাছে কেবলই একটি জঙ্গলবাড়িতে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন  সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১২ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা, ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া

অনুমোদিত জনবলের তালিকায় চারজন জুনিয়র কনসালট্যান্টসহ গুরুত্বপূর্ণ পদের উল্লেখ থাকলেও মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল এর অধিকাংশ পদই বছরের পর বছর ধরে সম্পূর্ণ শূন্য রয়েছে। জনবল সংকটের কারণে কোটি কোটি টাকার এই সরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে।

দুর্ভোগের শিকার স্থানীয় বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে সামান্য চিকিৎসার জন্য দূরবর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা বরিশাল সদর হাসপাতালে ছুটছেন, যা তাদের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এলাকাবাসীর তীব্র দাবি, মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল টি যেন দ্রুত প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও চিকিৎসক নিয়োগের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাকেন্দ্রে রূপান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন  সহজ ধাপে ডাবের শাঁসের কুলফি তৈরির সেরা রেসিপি

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সৌমিত্র সিনহা জানান, মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল এর অর্থনৈতিক কোড এখনও চালু না হওয়ায় এবং তীব্র লোকবল সংকটে পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে মাত্র দুজন চিকিৎসক ও তিনজন নার্সের সহায়তায় অত্যন্ত সীমিত পরিসরে কেবল প্রাথমিক জরুরি চিকিৎসাসেবা ও বিনামূল্যে কিছু ওষুধ বিতরণ চলছে।

সরকারি অর্থায়নে নির্মিত মঠবাড়িয়া টিয়ারখালী হাসপাতাল এর এই বেহাল দশা দূর করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী মহল। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে এই বিশাল স্বাস্থ্য অবকাঠামোটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে এবং গ্রামীণ জনপদের হাজারো মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন  রাবি কলা অনুষদে মেধাবীদের স্বীকৃতি, ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১৬ শিক্ষার্থী