ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৪৭তম বিসিএস যোগ্য প্রার্থী সংকট: চমকপ্রদ কারণে ২ হাজার ক্যাডার পদ ফাঁকা Logo চাঞ্চল্যকর ফরিদপুর হত্যা মামলা: স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা প্রধান আসামি, কমিটি বিলুপ্ত Logo চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ২০২৬: চমকপ্রদ ফলাফল, জয়ী শিবা শানু ও জয় চৌধুরী Logo ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে গরম Logo ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, দ্রুত সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত Logo চিকিৎসাসেবায় সাত নারী সাহাবির অসামান্য অবদান Logo ডমিনেজ স্টিল কিনছে আকিজ রিসোর্সেস, বড় চমকে মালিকানা বদল Logo শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ Logo সিগারেট শুল্ক-কর আদায়ে বড় ধাক্কা, কমছে রাজস্ব Logo খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ইরানের স্পিকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী

খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ইরানের স্পিকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তেহরানে আয়োজিত খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে মানুষের ঢল।

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি (Ali Khamenei)-এর বিদায় অনুষ্ঠানে আবেগঘন এক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ (Mohammad Bagher Ghalibaf) এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি (Abbas Araghchi) কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের আবেগঘন মুহূর্তের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তেহরানে শুরু হওয়া শোকানুষ্ঠানে খামেনির মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো অবস্থায় রাখা হয়। দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় নেতারা শেষ শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিদলেরও উপস্থিতি ছিল।

আরও যেসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গেছে—
  • তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে খামেনির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
  • বিদায় অনুষ্ঠানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান (Masoud Pezeshkian), স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ (Mohammad Bagher Ghalibaf), পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা জানানোর সময় গালিবাফ ও আরাঘচিকে অশ্রুসিক্ত হতে দেখা যায়।
  • এটি শুধু একদিনের অনুষ্ঠান নয়। প্রায় এক সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও শেষকৃত্যের আয়োজন করা হয়েছে। তেহরানের পর ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ইরানের কুম, এরপর ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে খামেনিকে ইরানের মাশহাদে দাফন করা হবে।
  • ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে পশ্চিমা দেশগুলোর কোনো শীর্ষ নেতা এতে অংশ নিচ্ছেন না। অন্যদিকে রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।
  • খামেনির মৃত্যুর পর দেশজুড়ে জাতীয় শোক পালন করা হচ্ছে। শেষকৃত্যকে কেন্দ্র করে সরকার ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে এবং লাখো মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছে।
  • আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিদায় অনুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় শোকের নয়; বরং এটি ইরানের রাজনৈতিক ঐক্য, নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা এবং আন্তর্জাতিক মিত্রদের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও বহন করছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, খামেনির মৃত্যু ঘিরে কয়েক দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকপালন চলছে। বিদায় অনুষ্ঠানে গালিবাফ ও আরাঘচির আবেগঘন প্রতিক্রিয়া ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য এটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, সেটিই তুলে ধরেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৪৭তম বিসিএস যোগ্য প্রার্থী সংকট: চমকপ্রদ কারণে ২ হাজার ক্যাডার পদ ফাঁকা

খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ইরানের স্পিকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Update Time : ০৮:৫১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি (Ali Khamenei)-এর বিদায় অনুষ্ঠানে আবেগঘন এক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ (Mohammad Bagher Ghalibaf) এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি (Abbas Araghchi) কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের আবেগঘন মুহূর্তের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তেহরানে শুরু হওয়া শোকানুষ্ঠানে খামেনির মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো অবস্থায় রাখা হয়। দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় নেতারা শেষ শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিদলেরও উপস্থিতি ছিল।

আরও যেসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গেছে—
  • তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে খামেনির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
  • বিদায় অনুষ্ঠানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান (Masoud Pezeshkian), স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ (Mohammad Bagher Ghalibaf), পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা জানানোর সময় গালিবাফ ও আরাঘচিকে অশ্রুসিক্ত হতে দেখা যায়।
  • এটি শুধু একদিনের অনুষ্ঠান নয়। প্রায় এক সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও শেষকৃত্যের আয়োজন করা হয়েছে। তেহরানের পর ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ইরানের কুম, এরপর ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে খামেনিকে ইরানের মাশহাদে দাফন করা হবে।
  • ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে পশ্চিমা দেশগুলোর কোনো শীর্ষ নেতা এতে অংশ নিচ্ছেন না। অন্যদিকে রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।
  • খামেনির মৃত্যুর পর দেশজুড়ে জাতীয় শোক পালন করা হচ্ছে। শেষকৃত্যকে কেন্দ্র করে সরকার ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে এবং লাখো মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছে।
  • আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিদায় অনুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় শোকের নয়; বরং এটি ইরানের রাজনৈতিক ঐক্য, নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা এবং আন্তর্জাতিক মিত্রদের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও বহন করছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, খামেনির মৃত্যু ঘিরে কয়েক দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকপালন চলছে। বিদায় অনুষ্ঠানে গালিবাফ ও আরাঘচির আবেগঘন প্রতিক্রিয়া ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য এটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, সেটিই তুলে ধরেছে।