চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। প্রথম প্রান্তিকে যেখানে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৫ শতাংশ ছিল, সেখানে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর সময়ে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে প্রায় ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। এতে অর্থনীতির গতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ০৩ শতাংশে। এর আগে জুলাই–সেপ্টেম্বর সময়ে এই হার ছিল প্রায় ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। পরিসংখ্যান বলছে, সামগ্রিকভাবে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি এসেছে।
বিশ্ববাজারের অস্থিরতাও দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। এতে বিভিন্ন দেশে জ্বালানি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দেশের উৎপাদন ও আয়ের পরিবর্তনকে নির্দেশ করে। প্রবৃদ্ধি বাড়লে সাধারণত মানুষের আয় বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়, তবে এর সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায় না—এ বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
খাতভিত্তিক হিসাবে দেখা গেছে, শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে কম ছিল, যা প্রায় ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে প্রায় ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। মূলত সেবা খাতের ওপর ভর করেই সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি কিছুটা ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।




























