ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বগুড়ার চার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ভাই-বোনের পাশে এমপি মোশারফ Logo পরীক্ষার্থীকে বাসায় ডেকে খাতায় লেখানোর অভিযোগ, তদন্তে রাজশাহী বোর্ড Logo চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন বোর্ড চেয়ারম্যান হলেন ইদ্রিস মিয়া Logo মানুষের আয় বাড়েনি, খরচ বেড়েছে তিনগুণ: হামিদুর রহমান Logo বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে ভিয়েতনামকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান Logo বিদেশি শিক্ষার্থী ও ব্যাকপ্যাকারদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার নতুন নিয়ম Logo সর্বজনীন পেনশনে সুখবর, বাড়ল মুনাফা ও নমিনির বয়সসীমা Logo হাসান-রবিনসনকে পেছনে ফেলে আইসিসির মাসসেরা দিনুশা Logo মেসিকে পেছনে ফেলে রাফিনিয়ার গোলঝড়, বার্সায় নতুন রেকর্ড Logo জাকির নায়েকের সঙ্গে আহমাদুল্লাহর সাক্ষাৎ, হাতে তুলে দিলেন নিজের বই

১৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি পাবে যেসব জেলায়

পার্বত্য তিন জেলায় ১৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা

আসন্ন ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব উপলক্ষে আগামী ১৩ এপ্রিল পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফরিদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে এই ছুটির আওতা এবং নির্দেশনার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

যেসব জেলায় সাধারণ ছুটি থাকবে

এই ছুটিটি কেবল পার্বত্য অঞ্চলের নির্দিষ্ট তিনটি জেলার সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে। জেলাগুলো হলো:

  • রাঙামাটি

  • খাগড়াছড়ি

  • বান্দরবান

অন্যান্য জেলার জন্য নির্দেশিকা

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, উল্লিখিত তিনটি জেলা ছাড়া দেশের বাকি ৬১টি জেলার জন্য ১৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হবে না। তবে দেশের অন্যত্র বসবাসকারী পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সদস্যরা বা অন্যান্য নাগরিকরা চাইলে দিনটিকে ঐচ্ছিক ছুটি (Optional Leave) হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন।


ছুটির প্রেক্ষাপট ও উৎসবের বিস্তারিত

১৩ এপ্রিল মূলত বাংলা বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী বছরের শেষ দিন, যা ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ হিসেবে পরিচিত। পার্বত্য চট্টগ্রামে এই সময়টি অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়।

পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব হলো ‘বৈসাবি’। ত্রিপুরাদের ‘বৈসুক’, মারমাদের ‘সাংগ্রাই’ এবং চাকমাদের ‘বিজু’ উৎসবের নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে এই উৎসবকে ‘বৈসাবি’ বলা হয়। পুরোনো বছরকে বিদায় জানানো এবং নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার এই বর্ণিল আয়োজনে মেতে ওঠে পুরো পাহাড়।

পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং নতুন বছরের আবাহনকে উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্ন করার উদ্দেশ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে এই তিন জেলায় বিশেষ সাধারণ ছুটি প্রদান করা হয়। এর ফলে এই অঞ্চলের মানুষ তাদের পরিবার ও স্বজনদের সাথে উৎসবের আনন্দ পুরোপুরি উপভোগ করার সুযোগ পান।

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ার চার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ভাই-বোনের পাশে এমপি মোশারফ

১৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি পাবে যেসব জেলায়

Update Time : ১২:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব উপলক্ষে আগামী ১৩ এপ্রিল পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফরিদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে এই ছুটির আওতা এবং নির্দেশনার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

যেসব জেলায় সাধারণ ছুটি থাকবে

এই ছুটিটি কেবল পার্বত্য অঞ্চলের নির্দিষ্ট তিনটি জেলার সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে। জেলাগুলো হলো:

  • রাঙামাটি

  • খাগড়াছড়ি

  • বান্দরবান

আরও পড়ুন  বান্দরবানে ৬ রোহিঙ্গা শ্রমিককে অপহরণের অভিযোগ

অন্যান্য জেলার জন্য নির্দেশিকা

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, উল্লিখিত তিনটি জেলা ছাড়া দেশের বাকি ৬১টি জেলার জন্য ১৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হবে না। তবে দেশের অন্যত্র বসবাসকারী পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সদস্যরা বা অন্যান্য নাগরিকরা চাইলে দিনটিকে ঐচ্ছিক ছুটি (Optional Leave) হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন।


ছুটির প্রেক্ষাপট ও উৎসবের বিস্তারিত

১৩ এপ্রিল মূলত বাংলা বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী বছরের শেষ দিন, যা ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ হিসেবে পরিচিত। পার্বত্য চট্টগ্রামে এই সময়টি অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়।

আরও পড়ুন  বান্দরবান বন্যা ত্রাণে গো আপ ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগে ৭৫৬ পরিবার পেল সহায়তা

পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব হলো ‘বৈসাবি’। ত্রিপুরাদের ‘বৈসুক’, মারমাদের ‘সাংগ্রাই’ এবং চাকমাদের ‘বিজু’ উৎসবের নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে এই উৎসবকে ‘বৈসাবি’ বলা হয়। পুরোনো বছরকে বিদায় জানানো এবং নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার এই বর্ণিল আয়োজনে মেতে ওঠে পুরো পাহাড়।

পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং নতুন বছরের আবাহনকে উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্ন করার উদ্দেশ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে এই তিন জেলায় বিশেষ সাধারণ ছুটি প্রদান করা হয়। এর ফলে এই অঞ্চলের মানুষ তাদের পরিবার ও স্বজনদের সাথে উৎসবের আনন্দ পুরোপুরি উপভোগ করার সুযোগ পান।

আরও পড়ুন  চাঞ্চল্যকর বিএনপি শোকজ: ভালুকার এমপি ফখর উদ্দিনের দাবি, এলাকায় কোনো সমস্যা নেই