ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সাংগ্রাই উৎসব ও জলকেলিতে পাহাড়ে বাংলা বর্ষবরণ, বর্ণিল আয়োজনে মেতেছে মারমা সম্প্রদায়

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৮:০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৩৫

খাগড়াছড়িতে সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে শোভাযাত্রা ও জলকেলিতে অংশ নিচ্ছেন মারমা সম্প্রদায়ের মানুষ। ছবি: সংগৃহীত

সাংগ্রাই উৎসব ও জলকেলি ঘিরে পাহাড়ে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। পার্বত্য অঞ্চলে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায় নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। সমতলের চেয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে এই উৎসব পাহাড়ে তৈরি করে আনন্দঘন পরিবেশ।

মঙ্গলবার খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়া এলাকায় সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা এই শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন। মারমা সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ ও শিশুরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক, গহনা ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয় এবং নেচে-গেয়ে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।

পরে ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা বা জলকেলি উৎসবের উদ্বোধন করেন কে এম ওবায়দুল হক। এই অনুষ্ঠানে অতিথিরা একে অপরকে পানি ছিটিয়ে আনন্দে অংশ নেন। স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ডিসপ্লে প্রদর্শনও অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জলকেলি, যেখানে তরুণ-তরুণীরা বাদ্যের তালে তালে নেচে-গেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে। পাহাড়ি সংস্কৃতির এই উৎসব দেখতে সমতল থেকেও অনেক পর্যটক খাগড়াছড়িতে ভিড় করেন। এতে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগ নেতা বিএনপিতে যোগদান

সাংগ্রাই উৎসব ও জলকেলিতে পাহাড়ে বাংলা বর্ষবরণ, বর্ণিল আয়োজনে মেতেছে মারমা সম্প্রদায়

Update Time : ০৮:০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

সাংগ্রাই উৎসব ও জলকেলি ঘিরে পাহাড়ে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। পার্বত্য অঞ্চলে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায় নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। সমতলের চেয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে এই উৎসব পাহাড়ে তৈরি করে আনন্দঘন পরিবেশ।

মঙ্গলবার খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়া এলাকায় সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা এই শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন। মারমা সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ ও শিশুরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক, গহনা ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয় এবং নেচে-গেয়ে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।

আরও পড়ুন  এক রাতেই বদলে গেল লাক্স সুন্দরী বর্ণিতার জীবন: ৮-৯ বছরের অপেক্ষার সফল সমাপ্তি

পরে ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা বা জলকেলি উৎসবের উদ্বোধন করেন কে এম ওবায়দুল হক। এই অনুষ্ঠানে অতিথিরা একে অপরকে পানি ছিটিয়ে আনন্দে অংশ নেন। স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ডিসপ্লে প্রদর্শনও অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জলকেলি, যেখানে তরুণ-তরুণীরা বাদ্যের তালে তালে নেচে-গেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে। পাহাড়ি সংস্কৃতির এই উৎসব দেখতে সমতল থেকেও অনেক পর্যটক খাগড়াছড়িতে ভিড় করেন। এতে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন  অস্ত্রোপচার, ৪ বছর বিছানায়, হার না মানা এক তারকার গল্প