অনলাইনে পার্সেল ট্র্যাকিং সুবিধা চালুর মাধ্যমে দেশের ডাকসেবায় যুক্ত হয়েছে নতুন এক অধ্যায়। এখন থেকে গ্রাহকরা ঘরে বসেই চিঠি, পার্সেল এবং ই-কমার্স পণ্যের বর্তমান অবস্থান জানতে পারবেন। ডাক অধিদপ্তরের নতুন ডোমেস্টিক মেইল মনিটরিং সফটওয়্যার (ডিএমএস) এই সুবিধা নিশ্চিত করবে।
সরকারের লক্ষ্য হলো ডাক সেবাকে আরও আধুনিক, দ্রুত এবং প্রযুক্তিনির্ভর করা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১৪টি নতুন মেইল প্রসেসিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আধুনিক চিলিং চেম্বার সুবিধাও রয়েছে, যা সংবেদনশীল পণ্য পরিবহনে সহায়ক হবে।
অনলাইনে পার্সেল ট্র্যাকিং ব্যবস্থার ফলে গ্রাহকদের আর পার্সেল কোথায় আছে তা জানতে ডাকঘরে যোগাযোগ করতে হবে না। নির্দিষ্ট ট্র্যাকিং নম্বর ব্যবহার করে সহজেই পণ্যের অবস্থান দেখা যাবে। এতে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সেবার স্বচ্ছতাও বাড়বে।
ডাক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের আওতায় এক হাজার থার্মাল বক্স সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব বক্স ব্যবহার করে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা পণ্য নিরাপদভাবে পরিবহন করা সম্ভব হবে। ফলে ই-কমার্স ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহক উভয়ই উপকৃত হবেন।
ডাক সেবার অবকাঠামোগত উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক ডাকঘর নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ এবং সংস্কারের কাজ চলছে। পাশাপাশি নতুন ডাকঘর নির্মাণের মাধ্যমে সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অনলাইনে পার্সেল ট্র্যাকিং সুবিধা চালুর ফলে ডাক বিভাগের ডিজিটাল রূপান্তর আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ ডাকসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াবে এবং দেশের লজিস্টিক ও ই-কমার্স খাতকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

























