ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ, নেইমার ছাড়াই চমক Logo বিশ্বকাপে ভিএআরের নতুন ইতিহাস, ‘ভুল পরিচয়’ শনাক্তে নজির Logo ভিনিসিয়ুসের হুঁশিয়ারি: বিশ্বকাপ জিততেই এসেছে ব্রাজিল Logo পার্ট-টাইম চাকরি: পড়াশোনার পাশাপাশি আয়ের ৫ জনপ্রিয় উপায় Logo টাকা সঞ্চয়ের টিপস: পকেট খালি হলেও গড়ুন সঞ্চয়ের অভ্যাস Logo হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ, আগেই শরীর দেয় ৩০টি সতর্ক সংকেত Logo নেইমার কি খেলবেন ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে? জানালেন আনচেলত্তি Logo ভুঁড়ি বাড়লে পুরুষদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে, জানুন কারণ ও প্রতিকার Logo বিশ্বকাপে প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক ৪ গোল Logo ঘরোয়া উপায়ে দাগহীন ও উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার উপায়

ঈদ উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে শপিংমল-দোকানপাট

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৫২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৫৪২

চিত্রঃ ঈদ উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে শপিংমল-দোকানপাট

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা বাড়ানোর নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ মে থেকে ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত দেশের দোকানপাট ও বিপণিবিতান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। এর আগে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনার সীমাবদ্ধতা ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। যদিও এ বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন বা বিবৃতি তখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবুও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সিদ্ধান্তটি নিয়ে স্বস্তি দেখা গেছে। ঈদ সামনে রেখে কেনাকাটার চাপ বাড়ায় সময়সীমা বৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৪ মে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে আবেদন জানিয়েছিল বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল, ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হোক। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিনকে সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানান। তবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রাত ১০টার পর খোলা রাখা যাবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দোকানপাট ও বিপণিবিতানে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না। এছাড়া অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার থেকেও বিরত থাকতে হবে। সরকারের জ্বালানি সাশ্রয় নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে রাতে আমার দেশকে দেওয়া বক্তব্যে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, তাদের আবেদনের ভিত্তিতে বিকেল চারটার দিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। তিনি জানান, ঈদের আগ পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে। তবে সরকার এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করবে না।

ঈদকে ঘিরে প্রতি বছরই দেশের শপিংমল ও বাজারগুলোতে বাড়তি ভিড় দেখা যায়। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর কর্মজীবী মানুষের কেনাকাটার চাপ বাড়ে। সীমিত সময়ের কারণে অনেক ক্রেতাকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছিল। ব্যবসায়ীরাও অভিযোগ করছিলেন, স্বল্প সময়ের কারণে বিক্রি কমে যাচ্ছে এবং ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। নতুন সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পেলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশনা মেনে চলা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ ঈদের সময় বড় বড় বিপণিবিতানে সাধারণত আলোকসজ্জা ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রবণতা থাকে। এবার সে সুযোগ থাকছে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি ব্যবহারে চাপ কমাতে সরকার একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তার অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়। গত ২ এপ্রিল রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরদিন থেকেই সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। তবে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে পরে সময়সীমা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত করা হয়।

ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, ঈদের আগে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক হবে। এতে ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারবেন এবং ব্যবসায়ীরাও ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা এ সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন তারা। অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতাদের অনেকে বলছেন, কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় কেনাকাটা সম্ভব হয় না। তাই রাত পর্যন্ত দোকান খোলা থাকলে পরিবারের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সহজ হবে। তবে বিদ্যুৎ ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা না গেলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলেও মত দিয়েছেন অনেকে।

এখন দেখার বিষয়, সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কতটা সমন্বয় থাকে। তবুও ঈদ সামনে রেখে দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা বাড়ানোয় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে ইতোমধ্যেই স্বস্তির আবহ তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ, নেইমার ছাড়াই চমক

ঈদ উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে শপিংমল-দোকানপাট

Update Time : ১১:৫২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা বাড়ানোর নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ মে থেকে ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত দেশের দোকানপাট ও বিপণিবিতান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। এর আগে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনার সীমাবদ্ধতা ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। যদিও এ বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন বা বিবৃতি তখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবুও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সিদ্ধান্তটি নিয়ে স্বস্তি দেখা গেছে। ঈদ সামনে রেখে কেনাকাটার চাপ বাড়ায় সময়সীমা বৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৪ মে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে আবেদন জানিয়েছিল বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল, ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হোক। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিনকে সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানান। তবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রাত ১০টার পর খোলা রাখা যাবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  যাত্রী সংকটে ঢাকা রুটসহ ফ্লাইট স্থগিত করল এয়ার ইন্ডিয়া

দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দোকানপাট ও বিপণিবিতানে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না। এছাড়া অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার থেকেও বিরত থাকতে হবে। সরকারের জ্বালানি সাশ্রয় নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে রাতে আমার দেশকে দেওয়া বক্তব্যে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, তাদের আবেদনের ভিত্তিতে বিকেল চারটার দিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। তিনি জানান, ঈদের আগ পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে। তবে সরকার এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করবে না।

ঈদকে ঘিরে প্রতি বছরই দেশের শপিংমল ও বাজারগুলোতে বাড়তি ভিড় দেখা যায়। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর কর্মজীবী মানুষের কেনাকাটার চাপ বাড়ে। সীমিত সময়ের কারণে অনেক ক্রেতাকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছিল। ব্যবসায়ীরাও অভিযোগ করছিলেন, স্বল্প সময়ের কারণে বিক্রি কমে যাচ্ছে এবং ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। নতুন সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পেলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশনা মেনে চলা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ ঈদের সময় বড় বড় বিপণিবিতানে সাধারণত আলোকসজ্জা ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রবণতা থাকে। এবার সে সুযোগ থাকছে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  জামায়াত চাঁদপুরে ৫ হাজার পরিবারের মধ্যে কোরবানির মাংস পৌঁছে দিল

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি ব্যবহারে চাপ কমাতে সরকার একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তার অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়। গত ২ এপ্রিল রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরদিন থেকেই সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। তবে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে পরে সময়সীমা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত করা হয়।

আরও পড়ুন  বাংলার জাহাজ আটকানো নিয়ে ইরানি রাষ্ট্রদূতের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, ঈদের আগে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক হবে। এতে ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারবেন এবং ব্যবসায়ীরাও ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা এ সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন তারা। অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতাদের অনেকে বলছেন, কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় কেনাকাটা সম্ভব হয় না। তাই রাত পর্যন্ত দোকান খোলা থাকলে পরিবারের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সহজ হবে। তবে বিদ্যুৎ ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা না গেলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলেও মত দিয়েছেন অনেকে।

এখন দেখার বিষয়, সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কতটা সমন্বয় থাকে। তবুও ঈদ সামনে রেখে দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা বাড়ানোয় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে ইতোমধ্যেই স্বস্তির আবহ তৈরি হয়েছে।