ঢাকা ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদিতমারীতে কিশোর মাদরাসাশিক্ষার্থীর মৃত্যু, ছুরিকাঘাতের ঘটনায় চাঞ্চল্য Logo ব্রাজিলের খারাপ সময়ও অনেক দলের সেরা সময়ের চেয়ে বড় Logo জুলাইয়ের আহতদের পাশে প্রশাসন, পুনর্বাসনের আশ্বাস জেলা প্রশাসকের Logo তারকা জুটির বিলাসবহুল বিয়ে ঘিরে ক্ষোভ, ইতালির শহরে প্রতিবাদে নামলেন বাসিন্দারা Logo স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায়, আপিলে শুনানি কাল Logo ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ: নতুন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় উত্তেজনা Logo ব্রাজিলকে ৭ গোল দেওয়া দেশগুলো: বিশ্ব ফুটবলের অবিশ্বাস্য রেকর্ড Logo কাজী শায়রুল হাসান চেয়ারম্যান: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে নতুন নেতৃত্বের শক্তিশালী সূচনা Logo গরমেও কেন ঠান্ডা লেগে যায় ; কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার জানুন Logo শাবনূরকে নিয়ে আবেগঘন বার্তায় মুগ্ধ করলেন পূর্ণিমা

এআই ভাইভা পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে নতুন পরিকল্পনা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নতুন প্রযুক্তির সম্ভাবনা। ছবি: সংগৃহীত

এআই ভাইভা চালুর পরিকল্পনা নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং প্রযুক্তিনির্ভর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভাইভা পদ্ধতি চালুর বিষয়ে কাজ করছে সরকার।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, বর্তমানে নিয়োগ ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এআই ভাইভা পদ্ধতি চালু হলে প্রার্থীদের মূল্যায়নে মানবিক পক্ষপাত বা প্রভাবের সুযোগ অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য প্রায় ৫৩ হাজার প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১১ হাজার ১৫০টি পদ শূন্য রয়েছে, যা দ্রুত পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

এআই ভাইভা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও নির্ভুল ও স্বচ্ছ করা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এমন একটি প্রযুক্তিগত কাঠামো তৈরির চেষ্টা করছেন, যেখানে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রভাব বা অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। তবে এই প্রযুক্তি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন না হলে প্রচলিত নিয়মেই ভাইভা পরীক্ষা নেওয়া হবে। কারণ সরকার দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বের শূন্যতা দূর করতে চায়। তাই প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি এবং সময়সীমা উভয় বিষয়ই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এআই ভাইভা চালুর উদ্যোগকে শিক্ষা খাতে ডিজিটাল রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং যোগ্য প্রার্থীরা আরও ন্যায্য সুযোগ পাবেন। এখন সবকিছু নির্ভর করছে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি এবং চূড়ান্ত নীতিগত অনুমোদনের ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

আদিতমারীতে কিশোর মাদরাসাশিক্ষার্থীর মৃত্যু, ছুরিকাঘাতের ঘটনায় চাঞ্চল্য

এআই ভাইভা পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে নতুন পরিকল্পনা

Update Time : ০৬:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

এআই ভাইভা চালুর পরিকল্পনা নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং প্রযুক্তিনির্ভর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভাইভা পদ্ধতি চালুর বিষয়ে কাজ করছে সরকার।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, বর্তমানে নিয়োগ ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এআই ভাইভা পদ্ধতি চালু হলে প্রার্থীদের মূল্যায়নে মানবিক পক্ষপাত বা প্রভাবের সুযোগ অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  পাবলিক পরীক্ষায় বড় সংস্কারের ভাবনা, আসতে পারে নতুন নিয়ম

মন্ত্রী জানান, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য প্রায় ৫৩ হাজার প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১১ হাজার ১৫০টি পদ শূন্য রয়েছে, যা দ্রুত পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

এআই ভাইভা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও নির্ভুল ও স্বচ্ছ করা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এমন একটি প্রযুক্তিগত কাঠামো তৈরির চেষ্টা করছেন, যেখানে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রভাব বা অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। তবে এই প্রযুক্তি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন  মাল্টিপারপাস এক্সামিনেশন হল পরিকল্পনা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

মন্ত্রী আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন না হলে প্রচলিত নিয়মেই ভাইভা পরীক্ষা নেওয়া হবে। কারণ সরকার দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বের শূন্যতা দূর করতে চায়। তাই প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি এবং সময়সীমা উভয় বিষয়ই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এআই ভাইভা চালুর উদ্যোগকে শিক্ষা খাতে ডিজিটাল রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং যোগ্য প্রার্থীরা আরও ন্যায্য সুযোগ পাবেন। এখন সবকিছু নির্ভর করছে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি এবং চূড়ান্ত নীতিগত অনুমোদনের ওপর।

আরও পড়ুন  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নির্দেশনা জারি