দেশের পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে Ministry of Education Bangladesh। পরীক্ষার সুযোগ সীমিত করা, নতুনভাবে খাতা মূল্যায়ন এবং প্রশ্নপদ্ধতিতে পরিবর্তনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিগত আলোচনা চলছে।
সম্প্রতি শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন।
🔹 পরীক্ষার সুযোগ কমানোর পরিকল্পনা
বর্তমানে কোনো বিষয়ে ফেল করলে বা ফল উন্নয়নের জন্য শিক্ষার্থীরা একাধিকবার পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। তবে এই সুযোগ কমিয়ে আনার বিষয়ে ভাবছে সরকার। এতে প্রশাসনিক চাপ কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।
🔹 পুনঃনিরীক্ষণের পরিবর্তে পুনর্মূল্যায়ন
এখন পর্যন্ত উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করলে শুধু নম্বর গণনা পুনরায় যাচাই করা হয়। নতুন প্রস্তাবে পুরো খাতা আবার মূল্যায়নের সুযোগ রাখা হতে পারে। ফলে নম্বর বাড়ার পাশাপাশি কমার সম্ভাবনাও থাকবে।
🔹 ডিজিটাল জালিয়াতি ঠেকাতে আইন সংশোধন
পাবলিক পরীক্ষায় প্রযুক্তিনির্ভর নকল ও প্রশ্নফাঁস রোধে বিদ্যমান আইন আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন জালিয়াতি ও সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
🔹 প্রশ্নপদ্ধতিতে পরিবর্তনের চিন্তা
বর্তমানে সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হলেও ভবিষ্যতে একাধিক সেটে প্রশ্নপত্র প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এতে প্রশ্নফাঁসের ঝুঁকি কমবে এবং মেধার সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়বে। তবে এখনো এসব প্রস্তাব চূড়ান্ত হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট মহলের মতামত নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




























