ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শিশুর শরীরে কালো দাগ কেন হয়? অ্যাকাথোসিস নিগ্রিক্যানস ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি জানুন Logo আয়োকিগাহারা ফরেস্ট: জাপানের রহস্যময় ‘সুইসাইড ফরেস্ট’ এর অজানা সত্য Logo মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিতে তেলের দামে নিম্নগতি Logo ইরানের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পের ইঙ্গিত Logo প্রথম সপ্তাহেই ঝড়, উত্তর আমেরিকায় বাড়ছে ‘দম’ এর দাপট Logo ইরান সংকট খাদ্য নিরাপত্তা: সারের বাজারে নতুন বৈশ্বিক চাপ Logo চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন স্কুলে পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় Logo চুক্তিতে না এলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: পেন্টাগনের সতর্কবার্তা Logo আপনার লোকেশন ট্র্যাক করছে স্মার্টফোন! বন্ধ করবেন যেভাবে Logo ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা আলোচনা নিয়ে যা জানাল পাকিস্তান, কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে

আপনার লোকেশন ট্র্যাক করছে স্মার্টফোন! বন্ধ করবেন যেভাবে

  • Jannatul Ferdous Joya
  • Update Time : ০৭:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১০

অজান্তেই স্মার্টফোনে ট্র্যাক হচ্ছে আপনার অবস্থান

স্মার্টফোন এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং আপনার দৈনন্দিন জীবনের নীরব পর্যবেক্ষকও। আপনি কোথায় যাচ্ছেন, কতক্ষণ থাকছেন এসব তথ্য অনেক সময় আপনার অজান্তেই সংগ্রহ করা হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা অ্যাপ ব্যবহার করতে গিয়ে না বুঝেই লোকেশন পারমিশন দিয়ে দিই, আর সেখান থেকেই শুরু হয় এই ট্র্যাকিং।

শুধু অ্যাপই নয়, স্মার্টফোনের ভেতরের কিছু সিস্টেম সার্ভিসও আপনার গতিবিধির তথ্য সংরক্ষণ করে। আইফোন ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ‘Significant Locations’ নামের একটি ফিচার রয়েছে, যা আপনার নিয়মিত যাতায়াত, বাসা কিংবা কর্মস্থলের তথ্য পর্যন্ত মনে রাখে। ফলে ব্যবহারকারী না জানলেও তার চলাফেরার একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন তৈরি হয়ে যায়।

এই ফিচারটি বন্ধ করতে হলে সেটিংস থেকে Privacy & Security-তে গিয়ে Location Services অপশনে ঢুকতে হবে। এরপর System Services-এ গিয়ে ‘Significant Locations’ বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি আগে জমে থাকা লোকেশন ডাটাও মুছে ফেলা জরুরি, না হলে পুরোনো তথ্য থেকে যাবে।

অন্যদিকে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্যও ঝুঁকি কম নয়। ‘Location History’ এবং ‘Web & App Activity’ ফিচার ব্যবহারকারীর চলাফেরার সম্পূর্ণ টাইমলাইন তৈরি করে। এই অপশনগুলো বন্ধ না করলে গুগল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনার লোকেশন নিয়মিত সংরক্ষণ হতে থাকে।

এমনকি অনেক সময় ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ বন্ধ থাকলেও ফোন লোকেশন স্ক্যান করতে পারে। তাই সেটিংস থেকে Location Scanning অপশন বন্ধ রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এটি না করলে আপনার অজান্তেই আশপাশের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে লোকেশন ট্র্যাক করা হতে পারে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অ্যাপ পারমিশন। অনেক অ্যাপ ‘Allow all the time’ অপশনে লোকেশন অ্যাক্সেস নিয়ে রাখে। এগুলো পরিবর্তন করে ‘While using the app’ বা ‘Ask every time’ করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। আইফোনে ‘Precise Location’ বন্ধ রাখলে অ্যাপ শুধু আনুমানিক অবস্থান জানতে পারে, যা তুলনামূলক নিরাপদ।

মনে রাখতে হবে, স্ক্রিনের ওপরের তীর চিহ্ন বা সবুজ ডট দেখালে বুঝতে হবে কোনো অ্যাপ তখন আপনার লোকেশন ব্যবহার করছে। তাই নিরাপদ থাকতে নিয়মিত অ্যাপ পারমিশন চেক করা এবং অপ্রয়োজনীয় লোকেশন অ্যাক্সেস বন্ধ রাখা এখন সময়ের দাবি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুর শরীরে কালো দাগ কেন হয়? অ্যাকাথোসিস নিগ্রিক্যানস ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি জানুন

আপনার লোকেশন ট্র্যাক করছে স্মার্টফোন! বন্ধ করবেন যেভাবে

Update Time : ০৭:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

স্মার্টফোন এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং আপনার দৈনন্দিন জীবনের নীরব পর্যবেক্ষকও। আপনি কোথায় যাচ্ছেন, কতক্ষণ থাকছেন এসব তথ্য অনেক সময় আপনার অজান্তেই সংগ্রহ করা হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা অ্যাপ ব্যবহার করতে গিয়ে না বুঝেই লোকেশন পারমিশন দিয়ে দিই, আর সেখান থেকেই শুরু হয় এই ট্র্যাকিং।

শুধু অ্যাপই নয়, স্মার্টফোনের ভেতরের কিছু সিস্টেম সার্ভিসও আপনার গতিবিধির তথ্য সংরক্ষণ করে। আইফোন ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ‘Significant Locations’ নামের একটি ফিচার রয়েছে, যা আপনার নিয়মিত যাতায়াত, বাসা কিংবা কর্মস্থলের তথ্য পর্যন্ত মনে রাখে। ফলে ব্যবহারকারী না জানলেও তার চলাফেরার একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন তৈরি হয়ে যায়।

এই ফিচারটি বন্ধ করতে হলে সেটিংস থেকে Privacy & Security-তে গিয়ে Location Services অপশনে ঢুকতে হবে। এরপর System Services-এ গিয়ে ‘Significant Locations’ বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি আগে জমে থাকা লোকেশন ডাটাও মুছে ফেলা জরুরি, না হলে পুরোনো তথ্য থেকে যাবে।

অন্যদিকে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্যও ঝুঁকি কম নয়। ‘Location History’ এবং ‘Web & App Activity’ ফিচার ব্যবহারকারীর চলাফেরার সম্পূর্ণ টাইমলাইন তৈরি করে। এই অপশনগুলো বন্ধ না করলে গুগল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনার লোকেশন নিয়মিত সংরক্ষণ হতে থাকে।

এমনকি অনেক সময় ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ বন্ধ থাকলেও ফোন লোকেশন স্ক্যান করতে পারে। তাই সেটিংস থেকে Location Scanning অপশন বন্ধ রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এটি না করলে আপনার অজান্তেই আশপাশের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে লোকেশন ট্র্যাক করা হতে পারে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অ্যাপ পারমিশন। অনেক অ্যাপ ‘Allow all the time’ অপশনে লোকেশন অ্যাক্সেস নিয়ে রাখে। এগুলো পরিবর্তন করে ‘While using the app’ বা ‘Ask every time’ করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। আইফোনে ‘Precise Location’ বন্ধ রাখলে অ্যাপ শুধু আনুমানিক অবস্থান জানতে পারে, যা তুলনামূলক নিরাপদ।

মনে রাখতে হবে, স্ক্রিনের ওপরের তীর চিহ্ন বা সবুজ ডট দেখালে বুঝতে হবে কোনো অ্যাপ তখন আপনার লোকেশন ব্যবহার করছে। তাই নিরাপদ থাকতে নিয়মিত অ্যাপ পারমিশন চেক করা এবং অপ্রয়োজনীয় লোকেশন অ্যাক্সেস বন্ধ রাখা এখন সময়ের দাবি।