ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লিটন-মেহেদীর শাস্তি নিশ্চিত, এখনো ঠিক হয়নি জরিমানার অঙ্ক Logo তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান Logo সরকারবিরোধী মিছিলের অভিযোগে ৫৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা Logo আমগাছ কাটার নিয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাঃরাতের আধারে নবাবগঞ্জে আম বাগান ধ্বংস Logo রাষ্ট্রপতি বাছাইয়ে আগের ভুলের পুনরাবৃত্তি চায় না বিএনপি Logo গ্রিনল্যান্ড হাঙর: অবিশ্বাস্য ৪০০ বছরের জীবনের রহস্য জানুন Logo ফ্যাসিবাদের শিকড় বাহাত্তরের সংবিধানে, দাবি ড. দিলারা চৌধুরীর Logo ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিনের নতুন দায়িত্ব: বঙ্গভবনে অফিস, স্পিকারের বাসভবনে অবস্থান Logo রান্নাঘর পরিষ্কার রাখার ৭ সহজ ও কার্যকর টিপস Logo সবুজ স্বর্গ নরওয়ে কেন বিদেশি বর্জ্য কিনে আনে?

পাঠাও-চালডাল সহ ৩৬ স্টার্টআপে ১০৯ কোটি টাকার সরকারি বিনিয়োগ!

'স্টার্টআপ বাংলাদেশ' ৩৬ প্রতিষ্ঠানে ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ সরকারের।

অর্থনীতি ও প্রযুক্তি ডেস্ক: দেশের আইটি এবং নতুন উদ্যোক্তাদের বিকাশে বড় মাইলফলক স্পর্শ করল সরকারি ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’। এই প্রকল্পের অধীনে দেশের চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন, ২০২৬) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চলমান দ্বিতীয় অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বিনিয়োগের বিস্তারিত ও বাদ পড়া ১৯ প্রতিষ্ঠান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’-এর অধীনে বিনিয়োগের জন্য ৫৫টি প্রতিষ্ঠান অনুমোদন পেয়েছিল। তবে পরবর্তীতে আইনি যাচাই-বাছাই (ডিউ ডিলিজেন্স) এবং বিনিয়োগের শর্তাবলী নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে ১৯টি স্টার্টআপ বাদ পড়ে যায়। চূড়ান্তভাবে সফল ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

বিনিয়োগ পাওয়া উল্লেখযোগ্য বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—পাঠাও লিমিটেড, চালডাল লিমিটেড, ১০ মিনিট স্কুল, সেবা প্ল্যাটফর্ম, সহজ, শিখো এবং মেডইজি। এই স্টার্টআপগুলো মূলত রাইড-শেয়ারিং, এডটেক, ফিনটেক, লজিস্টিকস, হেলথটেক ও ই-কমার্স খাতের বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা নিয়ে কাজ করছে।

বিনিয়োগের দারুণ রিটার্ন ও কর্মসংস্থান সংসদে জানানো হয়, সরকারের এই বিনিয়োগ দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ইতিমধ্যে এই ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে ৭ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই স্টার্টআপগুলো থেকে সরকারের ঘরে ১৮০ কোটি টাকারও বেশি কর (Tax) এসেছে, যা স্টার্টআপ বাংলাদেশের মোট বিনিয়োগের চেয়ে প্রায় ১.৭ গুণ বেশি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিনিয়োগ করা প্রায় ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক।

তহবিল ১ হাজার কোটিতে নেওয়ার পরিকল্পনা ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ খাতে অর্থায়নের সুযোগ আরও বাড়াতে পর্যায়ক্রমে এই তহবিলের আকার ১ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বর্তমানে ৪০০ কোটি টাকার ‘ফান্ড অব ফান্ডস’ এবং ৩০০ কোটি টাকার ‘কো-ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড’ চালুর প্রক্রিয়া চলছে, যা দেশি ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি আকৃষ্ট করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লিটন-মেহেদীর শাস্তি নিশ্চিত, এখনো ঠিক হয়নি জরিমানার অঙ্ক

পাঠাও-চালডাল সহ ৩৬ স্টার্টআপে ১০৯ কোটি টাকার সরকারি বিনিয়োগ!

Update Time : ০৮:৩৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

অর্থনীতি ও প্রযুক্তি ডেস্ক: দেশের আইটি এবং নতুন উদ্যোক্তাদের বিকাশে বড় মাইলফলক স্পর্শ করল সরকারি ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’। এই প্রকল্পের অধীনে দেশের চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন, ২০২৬) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চলমান দ্বিতীয় অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ার: বসুন্ধরা আবাসিকে কর্পোরেট অফিস নির্মাণ

বিনিয়োগের বিস্তারিত ও বাদ পড়া ১৯ প্রতিষ্ঠান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’-এর অধীনে বিনিয়োগের জন্য ৫৫টি প্রতিষ্ঠান অনুমোদন পেয়েছিল। তবে পরবর্তীতে আইনি যাচাই-বাছাই (ডিউ ডিলিজেন্স) এবং বিনিয়োগের শর্তাবলী নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে ১৯টি স্টার্টআপ বাদ পড়ে যায়। চূড়ান্তভাবে সফল ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

বিনিয়োগ পাওয়া উল্লেখযোগ্য বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—পাঠাও লিমিটেড, চালডাল লিমিটেড, ১০ মিনিট স্কুল, সেবা প্ল্যাটফর্ম, সহজ, শিখো এবং মেডইজি। এই স্টার্টআপগুলো মূলত রাইড-শেয়ারিং, এডটেক, ফিনটেক, লজিস্টিকস, হেলথটেক ও ই-কমার্স খাতের বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা নিয়ে কাজ করছে।

আরও পড়ুন  এআই এজেন্ট ২০২৬ কীভাবে বদলাবে কাজের ধরন?

বিনিয়োগের দারুণ রিটার্ন ও কর্মসংস্থান সংসদে জানানো হয়, সরকারের এই বিনিয়োগ দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ইতিমধ্যে এই ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে ৭ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই স্টার্টআপগুলো থেকে সরকারের ঘরে ১৮০ কোটি টাকারও বেশি কর (Tax) এসেছে, যা স্টার্টআপ বাংলাদেশের মোট বিনিয়োগের চেয়ে প্রায় ১.৭ গুণ বেশি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিনিয়োগ করা প্রায় ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক।

আরও পড়ুন  সাইবার সুরক্ষা আইনে বড় পরিবর্তন, বাদ গেল যে ধারা

তহবিল ১ হাজার কোটিতে নেওয়ার পরিকল্পনা ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ খাতে অর্থায়নের সুযোগ আরও বাড়াতে পর্যায়ক্রমে এই তহবিলের আকার ১ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বর্তমানে ৪০০ কোটি টাকার ‘ফান্ড অব ফান্ডস’ এবং ৩০০ কোটি টাকার ‘কো-ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড’ চালুর প্রক্রিয়া চলছে, যা দেশি ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি আকৃষ্ট করবে।